" crossorigin="anonymous"> আবারো দুর্ঘটনা ডোমকল টু কুশাবাড়িয়া রোডে It is not okay to drive too fast without being a competent driver 30 december 2023 - Sukher Disha...,

আবারো দুর্ঘটনা ডোমকল টু কুশাবাড়িয়া রোডে It is not okay to drive too fast without being a competent driver 30 december 2023

ঘটনাটি ঘটেছে আজ বৈকাল সাড়ে চারটের সময়, ডোমকল টু কুশাবাড়িয়া রোডের মধুপুর এলাকায় । আমাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি বড় প্রকল্প সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ ।

আবারো দুর্ঘটনা ডোমকল টু কুশাবাড়িয়া রোডে It is not okay to drive too fast without being a competent driver 30 december 2023

এত প্রচার এত পোস্টার লাগিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না । পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন শহরের মোড়ে প্রচার চালিয়েও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না । গাড়ি চালানোর সময় মাথায় হেলমেট পরে গাড়ি চালানোর কথা কতবার বলা হচ্ছে কত টিভি, সংবাদ মাধ্যম ফেসবুক প্রচার চালাচ্ছে তবু কারো হুশ ফিরছে না । মনে হচ্ছে যত প্রচার চালাচ্ছে ততই দিনের পর দিন অ্যাক্সিডেন্ট বেড়েই চলেছে ।

মানুষ কবে বুঝতে শিখবে,কবে গাড়ি আস্তে চালাবে , কবে এই এক্সিডেন্ট থেকে রক্ষা পাবে। গাড়ি চালানোর সময় একটা কথা ভাবতে হবে কখনোই গাড়ি জোরে চালানো যাবে না ,কারন আপনার বাড়িতে কেউ হয়তো আপনার জন্য অপেক্ষায় আছে আপনার আব্বা মা, কিংবা আপনার স্ত্রী কিংবা আপনার ছেলে মেয়ে সবাই আপনার দিকে চেয়ে আছে তাই গাড়ি চালানোর সময় এই কথা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন ও গাড়ি জোরে চালাবেন না ।

আবারো দুর্ঘটনা ডোমকল টু কুশাবাড়িয়া রোডে It is not okay to drive too fast without being a competent driver 30 december 2023

এই জোরে চালানোর জন্য কত প্রাণ অবেলায় শেষ হয়ে যাচ্ছে । কেউ হারাচ্ছে নিজের সন্তানকে , কেউ হারাচ্ছে নিজের স্বামীকে, আবার কেউ হারাচ্ছে পিতা কে । তাই আবারও বলছি আস্তে গাড়ি চালান নিজের জীবন বাঁচান। সময়ের থেকে আপনার জীবনের দাম অনেক বেশি । ভুল করেও আর কখনো কোনদিন জোরে গাড়ি চালাতে যাবেন না । দেখবেন আস্তে গাড়ি চালালে অনেক অ্যাক্সিডেন্টের হাত থেকে বাঁচা যাবে । বাজবে আপনার জীবন বাজবে আপনার পরিবার আর আপনিও এই সুন্দর পৃথিবীতে আর কটা দিন বেঁচে থাকতে পারবেন ।

বিশেষ করে যুবকরা কখনোই জোরে গাড়ি চালাবে না । এই সুন্দর পৃথিবী কেউ ছাড়তে চায় না । সবাই চাই অনেকদিন বাঁচার । তাই তোমরা কখনোই জোরে গাড়ি চালাবে না । যে দ্রুত গাড়ি চালায় সে হল শয়তানের ভাই । আজকে যে ঘটনাটি ঘটলো সেই যুবকটিও কারো সন্তান, কারো ভাই, কারো স্বামী বা কারো আব্বু হবে নিশ্চয়ই । সে যুবকটি অনেক আশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ।

তার সমস্ত কাজ সেরে বাড়ি ফিরবে এ আশা করে । আর তার বাড়ির লোকও তার দিকে চেয়েছিল যে সে বাড়ি এসে অন্যদিনের মতোই আমাদের সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠবে । কিন্তু তার জন্য দুর্ভাগ্য তার আর বাড়ি যাওয়া হলো না এর পিছনে একটাই কারণ সেটা হলো এই মোটরবাইক জোরে চালানোর জন্য । এত জোরে গাড়ি না চালালে হয়তো সে নিশ্চিন্তে বাড়ি যেতে পারতো ।

এখন আমরা দেখব ঘটনাটি কি ঘটেছিল

ঘটনাটি ঘটেছে ডোমকল থানার পৌরসভা এলাকার মধুপুর গ্রামে । আজ বৈকাল চারটার সময় ওই ছেলেটি ডোমকল থেকে কুশাবাড়িয়ার দিকে যাচ্ছিল । বাইকে সেই একাই ছিল । ভাতশালা বাজার থেকে কিছুদূর যাওয়ার পরে এত স্পিডে গাড়ি চালাচ্ছিল যে সে একটি সজনে গাছের সজোরে আঘাত করে এবং গাছটি সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে পড়ে যায় । ও ছেলেটির গাড়ি অনেক গতি থাকার কারণে সজনে গাছে আঘাত করে তার একটু উপর দিয়ে হাওয়ার মতো উড়ে গিয়ে রাস্তার একটু পাশেই ছিটকে পড়ে । উঁচু থেকে পড়ার কারণে ছেলেটির হাত ও পায়ের হাড় ভেঙ্গে যায় । এবং মাথায় অনেক আঘাত পায় । এবং শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হতে শুরু করে ।


পাশেই তড়িঘড়ি কয়েকটা ছেলে এসে তাকে উদ্ধার করে । এবং প্রাথমিক চিকিতসা করার পর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় । ছেলেটির সঙ্গে তার বাড়ির কেউ না থাকায় ওখানকার কয়েকটা ছেলে তার সাথে হাসপাতালে যাই ।পরে ওই ছেলেগুলোর কাছ থেকে জানা যায় ছেলেটির অবস্থা আরো গুরুতর হলে তাকে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে বহরমপুরে স্থানান্তরিত করে । ছেলেটির অবস্থা খুবই আশঙ্কা জনক । তার মোটরসাইকেলটির বেশ কিছু ক্ষতি হয় । মোটরসাইকেল কি ওখাননেই একটি পাশের বাড়িতে রাখা হয় ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ছেলেটি খুব জোরে গাড়ি চালাচ্ছিল এবং গাড়িতে সে একাই ছিল । সে রাস্তার একটা বাক পার করে রাস্তার পাশেই থাকা সজনে গাছে সজোরে আঘাত করে । ওই এক্সিডেন্টে আর কারো কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা । সেই আহত ছেলেটির কাছ থেকে জানা যায় ছেলেটি এলাকার না । ছেলেটির বাড়ি আমাদের মুর্শিদাবাদে নয় । তার বাড়ি আমাদের পাশের জেলা নদীয়াতে । নদীয়ার থানারপাড়া থানার নারায়নপুরে । ছেলেটির নাম ও ঠিকানা কিছুই জানা যায়নি । ছেলেটির কাছ থেকে শুধুমাত্র তার গ্রামের নামটি জানা গিয়েছে । কারণ তার এতটাই ক্ষতি হয়েছিল যে সে নিজের মুখে শুধুমাত্র তার গ্রামের নামটি বলতে পেরেছিল । তারপরে সে তার জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ।

তার কাছে যে মোবাইল ফোন ছিল সেই ফোন থেকে তার বাড়িতে কল করে সবকিছু জানানো হয় । এই খবর তাদের বাড়ি পৌঁছাতেই তাদের বাড়ির সকলে কান্নায় ভেঙে পড়ে । তারা হয়তো ভাবছে তাদের ছেলে আর বাড়িতে ফিরতে পারবে কিনা । আর হয়তো যদিও ফিরে তবে স্বাভাবিক ভাবে বাঁচতে পারবে কি না ।

পরিশেষ

তাই বলছি ভায়েরা কখনোই আর জোরে গাড়ি চালাবে না । জোরে গাড়ি চালিয়ে নিজের ক্ষতি ডেকে আনবেন না । আস্তে গাড়ি চালান জীবন বাঁচান । মাথায় হেলমেট পরে গাড়ি চালাবেন । সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ মেনে চলুন । দেখবেন আপনি বাঁচবেন আপনার পরিবার আপনার বন্ধুবান্ধব সবাই বাঁচবে।

Read More>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *