" crossorigin="anonymous"> আল আকসা মসজিদ মুসলিমদের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ কেন GREAT 31October 2023 - Sukher Disha...,

আল আকসা মসজিদ মুসলিমদের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ কেন GREAT 31October 2023

মক্কা ও মদিনার পর জেরুসালেমের আল-আকসা মসজিদকে ইসলামের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতি বছর ফিলিস্তিন এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার মুসলিম শরণার্থী আসেন এই মসজিদ প্রাঙ্গণে শুধু নামাজ পড়ার জন্য। মসজিদটি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবেও দেখা হয় ।

আল আকসা মসজিদ মুসলিমদের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ কেন GREAT 31October 2023

মসজিদুল আকসা, আল-কুদস, আল-আকসা মসজিদ বা বায়তুল মুকাদ্দাস। ঐতিহাসিক এই মসজিদ পবিত্র নগরী জেরুজালেমে অবস্থিত । এই মসজিদটি পৃথিবীর ইসলামের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ । প্রথমটি হল মক্কায় অবস্থিত আল-হারাম । আর দ্বিতীয়টি মসজিদে নববী । পৃথিবীতে তিনটি মসজিদ আছে যেগুলোতে একমাত্র সওয়াবের উদ্দেশ্যেই পরিভ্রমণ করা যায় । তার মধ্যে প্রথমটি হল আল-হারাম যেটি মক্কায় অবস্থিত । তারপরে দ্বিতীয় টি হল মসজিদে নববী যেটি সৌদি আরবের উল্লেখযোগ্য শহর মদিনাতে অবস্থিত । আর তৃতীয়টি হল এই বায়তুল মুকাদ্দাস যেটি জেরুজালেম এ অবস্থিত ।

এই মসজিদটি মসজিদুল হারাম অর্থাত মক্কায় যে মসজিদটি অবস্থিত সেই মসজিদের চল্লিশ বছর পরে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয় । হযরত ইব্রাহিম(আঃ)কাবা ঘর নির্মাণের ৪০ বছর পর , হযরত ইয়াকুব (আঃ) এই মসজিদুল আকসা নির্মাণ করেন । কথিত আছে এই মসজিদটি ইয়াকুব(আঃ)জিন দ্বারা আরব সাগরের তলদেশ থেকে বড় বড় পাথরে আনিয়ে তৈরি করেছিলেন।

by google image

আমাদের আকসা, আমাদের কুদস সম্পর্কে আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই জানেই না কেনো মুসলমানদের নিকট মসজিদুল আকসা এত্তোটা গুরুত্বপূর্ণ-

যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই দখল করে নিছে, সেখানে মাত্র ১৪ একর জায়গার জন্য কেনো এত্তো অত্যাচার নির্যাতনের পরেও ফিলিস্তিনের মুসলমান‌ ভাইরা বারবার মসজিদের দিকে ধাবিত হচ্ছে-

১। এখানেই রয়েছে হযরত ইব্রাহিম এবং হযরত মূসা (আঃ) সহ অসংখ্য নবী রাসুলের কবর।

২। এখানেই আল্লাহর মহানবী রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল নবী রাসুলদের এবং ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন। সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এবং এই জামাআতে মতান্তরে প্রায় ২৪ হাজার নবী রাসুল ছিলেন।

৩। এখান থেকেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বোরাকে করে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন।

৪। এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হজরত আদম এবং হযরত সুলাইমান আলাইহিসসালাম এর নাম।

by google image

৫। এর সাথে জড়িয়ে আছে খলিফা হজরত উমর (রাঃ) এর সেই বিখ্যাত উটের বিরল ঘটনা।

৬। এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে দ্যা গ্রেট সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অসংখ্য স্মৃতি।

by google image

৭। এই মসজিদের পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে সম্পূর্ণ সূরা ইয়াসিন।

৮। এই মসজিদের জন্য জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে গহীন সাগরের তলদেশ থেকে। যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব!!!

by google image

৯। এই মসজিদে ২ রাকাআত নামাজ আদায় করার জন্য একজনের আমল নামায় ২৫ হাজার রাকাআত নামাজের সমপরিমাণ সওয়াব লিখা হবে।

১০। পবিত্র কোর আনের সবচেয়ে মধ্যখানেই মহান আল্লাহ এই মসজিদ নিয়ে আলোচনা করছেন।

১১। মানবজাতির প্রথমে কিবলা মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাস । প্রিয়নবী (স.) ওহি লাভ ও নবুয়ত লাভের পর বায়তুল মুকাদ্দাসই কিবলা ছিল। নবীজি (স.) মদিনায় হিজরতের প্রায় দেড় বছর পর এ কিবলা পরিবর্তন করে কাবা’ কে কিবলা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর সাক্ষী হিসেবে মদিনা শরিফে ‘মসজিদু কিবলাতাইন’ বা দুই কিবলার মসজিদ এখনো বিদ্যমান রয়েছে। ঐতিহাসিক এ ঘটনাকে ‘তাহবিলে কিবলা’ বা কিবলা পরিবর্তন বলা হয়। (সুরা বাকারা: ১৪২-১৫১)

by google image

আল-আকসায় ইহুদিদের অধিকার নেই বলে বিশ্বের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ঘোষণা করে ও একটি আইন পাশ করে ।
২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর জাতিসংঘ তাদের ভোটাভুটির মাধ্যমে ঘোষণা করে যে মসজিদে আকসা শুধুমাত্র মুসলমানদের। এতে ইহুদি বা ইসরায়েলের ও খ্রিষ্টানদের কোনো অধিকার নেই। তাদের অধিকার না থাকা সত্বেও তারা বারবার আক্রমণ চালাচ্ছে । নিরীহ জনগণকে হত্যা করছে । জাতিসংঘ এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। আল আকসা ও জেরুজালেম আইনের দিকদিয়ে শুধু মুসলমানদের। এতে ইহুদিদের কোনো অধিকার নেই।

“তোমাদের কেউ যদি কোনো খারাপ কাজ বা বিষয় দেখে তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি তা করতে অপারগ হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে, যদি তাও করতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, আর এটাই হচ্ছে ঈমানের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলতম স্তর।”।

Read More>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *