" crossorigin="anonymous"> ইসলামে পর্দার গুরুত্ব Islam is important and wonderful 1 - Sukher Disha...,

ইসলামে পর্দার গুরুত্ব Islam is important and wonderful 1

পর্দা মানে আবরণ । পর্দার অর্থ ঢেকে রাখা । স্ত্রীলোকের পর্দা করার অর্থ তার শরীর ঢেকে রাখা । স্ত্রীলোককে আওরত বলা হয় । ইহা একটি আরবি শব্দ । ইহার অর্থ গোপনীয় স্থান বা বস্তু । স্ত্রীলোকের শরীর শরীয়তে ঢেকে রাখা ফরজ বা অপরিহার্য কর্তব্য । পর্দার জন্য আল্লাহ তাআলা কুরআন মাজীদে বহু স্থানে মুসলমান নর-নারী দিগকে কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন ।

ইসলামে পর্দার গুরুত্ব 11 November 2023

হে প্রিয় নবী (সাঃ) আপনি মুসলমানদেরকে বলুন তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি নিচের দিকে রাখে । নিজের লজ্জাস্থানকে হেফাজতে রাখে । উহা তাহাদের জন্য খুবই পবিত্রতম পন্থা । তাদের আমল সম্বন্ধে আল্লাহতালা সুনিশ্চিত জ্ঞাত । আর মুমিন মেয়েদেরও বলুন তারাও দৃষ্টি নিচের দিকে রাখে । লজ্জাস্থানের হেফাজত করুক । আপন সৌন্দর্য প্রকাশ না করে । অবশ্য যতোটুকু না করলে নয় আর ওড়না দিয়ে যেন মাথা গলা ও বুক ভালোভাবে ঢেকে রাখে ।

by google image

আল্লাহ তায়ালা অন্য জায়গায় বলেছেন – স্ত্রীলোকগণ গোপন সৌন্দর্য জানাবার জন্য যেন তারা মাটির ওপরে শব্দ না করে চলাফেরা করে ।
আরো বলেছেন হে নবী (সাঃ)ল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনি নিজ বিবিগন, কন্যা ও মুমিন স্ত্রীগণকে বলে দিন তারা যেন আবরণী বা চাদর দ্বারা তাহাদের বক্ষ ঢেকে রাখে ।

আল্লাহ অন্য জায়গায় আরো বলেছেন আর তোমরা নিজ নিজ গৃহে অবস্থান করো এবং অন্ধ জাহেলী যুগের মেয়েদের মত নিজ সৌন্দর্যকে ভিন পুরুষকে দেখাইও না ।

প্রিয় নবীজি বলেছেন – স্ত্রী লোক গোপন রাখার বস্তু । যখন সে বাহির হয় শয়তান তাকে ছায়া করে । উক্ত কোরআন ও হাদিসের নির্দেশের আলোকে প্রমাণিত হয় যে মহিলাদের জন্য পর্দা ফরজ । উপরন্তু আরো জানা যায় যে যেমন পর,পুরুষকে দেখা হারাম তেমনি পর,পুরুষ আড়াল থেকে দেখাও হারাম । নিম্নলিখিত পুরুষদের দেখা ও দেখা দেওয়া বৈধ । বাকি সর্বক্ষেত্রে হারাম পিতা,দাদা, স্বামী,শ্বশুর ,আপন ভাই, আপন পুত্র, আপন ভাইপো, আপন ভাগ্নে,নাবালক বালক, আপন মামা,নানা, আপন চাচা, আপন জামাতা, পর্দানাশীন মুমিন ও মহিলা ।

by google image

ইসলামে পর্দার গুরুত্ব 11 November 2023

উল্লেখিত পুরুষদের বেলায় সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে রাখা উত্তম । যদি মুখ, হাতের কব্জি ও পায়ের পাতা খোলা অবস্থায় দেখা যায় তাতে দোষনীয় নয় । কেবল স্বামীর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম । পর্দা প্রথা বিশ্ব সভ্যতায় একটি বিশেষ অবদান । ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য । জাহেলী যুগে ইহার অস্তিত্ব ছিলনা । অন্য ধর্মে ইহার কল্পনা সুদূর পরাহত তথা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে ।বস্তুত যৌন আবেদনের প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া, উতকট কাম প্রবৃত্তি চরিতার্থের অদম্য স্পৃহা, নর – নারীর দৈহিক গঠন বিন্যাস,মানসিক ও চারিত্রিক পার্থক্য জনিত স্বভাবজাত আকর্ষণের ওপর ভিত্তি করেই শরীয়তে পর্দা প্রথার সৃষ্টি ।

কাম শক্তির স্বেচ্ছাচারিতা রোধ কল্পে এবং ইহার যথার্থ সীমার মধ্যে পাহারায় রাখার ব্যবস্থার অপর নাম পর্দা । দর্শনে জীবনের অপর নাম কাম বা যৌন আবেদন । অবশ্য স্বামী স্ত্রীর কামনার বাহ্যিক প্রকাশ সন্তান-সন্ততি । স্ত্রী পুরুষের অবাধ মেলামেশায় পারস্পারিক যৌন আকর্ষণ তাহাদের দেহ ও মনে যে আলোড়ন ও স্পন্দনের সৃষ্টি করে তাহা হতে জেনা বা ব্যভিচারের । উতপত্তি নারীদের পূর্ণ স্বাধীনতার কুফল চিন্তা করে প্রখ্যাত জার্মান দার্শনিক নীটসে বলেছেন যে, নারীকে পুরুষের সাথে মেলামেশার অবাধ সুযোগ দিলে মেয়েদের প্রজনন শক্তি অচিরেই নিস্তেজ হয়ে যাবে । ফলে এমন দিন আসবে যেদিন পৃথিবী হতে মানব বংশ ধ্বংস হয়ে যাবে ।

by google image

শরীয়তে পর্দার মুখ্য উদ্দেশ্য হল শান্তিপূর্ণ সংযত সমাজ গড়ে তোলা । যেখানে ব্যভিচারের কোন কল্পনার অস্তিত্ব থাকবে না । অবাধ গতিতে যে না চলতে থাকলে মানবজাতির ধ্বংস অনিবার্য । কেননা নারী দেহের গঠন প্রণালী এমন যে স্ত্রী যৌনাঙ্গে একই সময়ে দুই বা ততোধিক পুরুষের বীর্য নিক্ষিপ্ত হলে একপ্রকার বিষের সৃষ্টি হয় । এই বিষের প্রভাবে শুক্রকীট বিনষ্ট হয়ে যায় ও গনোরিয়া সিফিলিস ইত্যাদি মারাত্মক রোগের সৃষ্টি হয় । সকল দেশে ও সকল জাতির মধ্যেই নারী সতীত্ব রক্ষার যে প্রচেষ্টা ইহার মূলে আছে এই বৈজ্ঞানিক রহস্য।
ইসলামী শরীয়তে বিধবা বা চালাকি নারীর ইজ্জত পালন করব এই বৈজ্ঞানিক সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত ।

ইহাতে নারীর রেহম বাচ্চাদান কে একাধিক পুরুষের বীর্য থেকে পাক রাখার ব্যবস্থা হয় । কেবল স্ত্রী পুরুষের অবাধ যৌন মিলনকে যে না বলে তাহা নয় । বরং কাম ভাবে উত্তেজিত অবস্থায় পরো নারী বা পুরুষের অঙ্গ স্পর্শ বা এসব বিষয়ে কুচিন্তা বা কুভাবে সৃষ্টি নিক্ষেপ করাও জেনার শামিল।

শারীরিক দিক দিয়ে গড় গড়তায় নারী পুরুষ অপেক্ষা যে দুর্বল, অবলা নামই তাহার প্রমান । স্ত্রী পুরুষের দেহগত গঠন বিন্যাস এবং জননযন্ত্রের পার্থক্য যখন আছে তখন তাহাদের বোধশক্তি কর্মশক্তি চিন্তাধারা যৌন আবেগ ও বুদ্ধির তরতাম্য থাকবেই ।

উভয়ের মন ও একই ধাতুতে গঠিত হয় । এই সকল পার্থক্য আছে বলেই আপোষে আকর্ষণও আছে । মস্তিষ্ক গত পার্থক্য হল পুরুষের কপাল সহ মগজের ওজন হল গড়ে ৪২৭ গ্রাম আর মহিলাদের গড় ওজন হল ২৮০ গ্রাম।

মগজের ঘনত্বের ও যথেষ্ট পার্থক্য আছে । নারী দেহ ও মন স্থিতিশীল । স্থিতিশীলতার দরুন একজন মহিলা সারা জীবন একজন পুরুষ নিয়ে জীবন কাটিয়ে দিতে সক্ষম ।

যেকোনো নতুন পরিবেশে নারীগণ সহজেই খাপ খাইয়ে দিতে পারে । দীর্ঘ 20 বছর পিতার গৃহে কাটিয়ে বিয়ের পর হঠাত রাতারাতি স্বামীর ঘরকে নিজ গৃহ রূপে গড়ে তুলতে পারে ।


মনোবিজ্ঞানের সিদ্ধান্ত পুরুষের বুদ্ধির বিকাশ আছে । নারীদের বুদ্ধির বিস্তার আছে । পুরুষের বুদ্ধি বাড়ে ফলে সৃজনীয় উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ লাভ ঘটে । নারীদের মধ্যে ইহার অভাবে তাহারা পুরুষের ন্যায় কোন মৌলিক সফলতা পায় নাই ।

নারীগণ ভালো অভিনেত্রী হতে পারেন স্নেহময়ী সেবিকাউ হতে পারেন আবার দয়াময়ী জননী হতে পারেন কিন্তু উচ্চদরের কবি, দার্শনিক,বৈজ্ঞানিক হতে দেখা যায় না ।

হাদিসে আছে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন নারীর বুদ্ধি কর্মশক্তি পুরুষের চেয়ে কম । অতএব পুরুষ নারী সমকক্ষ নয় । বাহ্যিক দিক দিয়েও নয় অভ্যন্তরীণ দিক দিয়েও নয় । বরং একে অপরের পরিপূরক নারী সহচারী,নারী অর্ধাঙ্গিনী । নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রত্যেকেই প্রভু, মূল্যে ও মর্যাদায় উভয়ই সমান ।

নারী জাতি পুরুষের নৈতিক চরিত্রের ঘর সামনে রক্ষাকবচ । তাই হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন নারী জাতি আর খুশবু আমার খুব প্রিয় আর নামাজ আমার চোখের শীতলতা ।

ভিয়েনার বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক চিকিতসক ও অধ্যাপক ডাঃ আস ওয়া না আসোয়াল্ড সোয়ারজি যৌন মনোবিজ্ঞান গ্রন্থের ১৭১ পৃষ্ঠায় লিখেছেন পুরুষের বুদ্ধি হলে ঘরের বাইরে, কর্ম ক্ষেত্রে, রণক্ষেত্রে, কারখানায় । আর নারীর বুদ্ধি হলে গৃহ আঙিনায় ।

by google image

great ইসলামে পর্দার গুরুত্ব 11 November 2023

বেপর্দার প্রতিক্রিয়া – নারী দেহ অম্লীয় ও চুম্বক ধর্মী, পুরুষের দেহ ক্ষারীয় ও বিদ্যুত ধর্মী । নারী দেহ এসিড প্রধান বলে তাহাদের প্রস্রাবের সঙ্গে কিছু কিছুই অ্যাসিড নির্গত হয় । উহা কিছুটা ঝাঁঝালো গন্ধ বিশিষ্ট হয়ে থাকে । এই অম্ল পূরণ করার প্রবৃত্তি হেতু তাহাদের মধ্যে টক খাবার প্রতি আকর্ষণ অনেক গুণে বেশি । বিশেষত রাত্রিতে টক খাওয়ার প্রবৃত্তি বেশি থাকে । আবার অম্লত্বই তাহাদের দেহের মধ্যে কোমলতার উতস ।

অম্লত্বই নারীদের সৌন্দর্য ও লাবণ্যের ভিত্তি । ইহার কারণে মহিলাগণ সাধারণত বহুমূত্র তথা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয় না । পক্ষান্তরে পুরুষ দেহ ক্ষারীয় বলে তাহাদের প্রস্রাবের সঙ্গে কিছু কিছু মিষ্ট জাতীয় ক্ষার অ্যালকালি নির্গত হয়।

ইহা পূরণ করার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হেতু তাহার ক্ষার জাতীয় মিনিস্টার খেতে ভালোবাসে । এই ক্ষারের ক্ষতির তরুণী পুরুষের মধ্যে বহুমূত্র রোগের আধিক্য দেখা যায় । অম্লের সঙ্গে ক্ষারের একটি স্বাভাবিক টান বা আকর্ষণ এত তীব্র ও সুক্ষ যে তাহা রোধ করা কিছুতেই সম্ভব নয় ।

তাই কেহ কাহাকে অম্ল বা টক খেতে দেখলে অনায়াসে বা অজ্ঞাতসারে মুখ হতে ক্ষারধর্মী লালা বের হতে থাকে । ইয়া ধ্রুব সত্য যে ক্ষারধর্মী দেহে ও অম্লধর্মী দেহের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক আকর্ষণ আছে ।

ক্ষারের ওপর একটি স্বভাব বা গুণ হলো অম্লের সংস্পর্শে আসলে অম্লের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয় । রসায়ন শাস্ত্রে নিরপেক্ষি করুন বা নিউট্রালাইজেশন বলে । সেই জন্য অনাবৃত অম্লধর্মী দেহের ঘনঘন প্রতিফলন হতে থাকলে নারী দেহের অম্লত্ব ও চুম্বকত্ব নষ্ট হয়ে যায় ।

পক্ষান্তরে নারী দেহ পুরুষালী আকার বিশিষ্ট হয়ে মর্দা রূপ ধারণ করে । নানা জাতীয় পুরুষ দেহের ঘনঘন প্রতিফলন নারী দেহের সূক্ষ্ম ও কোমল কোষ গুলির ওপর যে সংঘাত নিক্ষেপ করে তাহা শরীরের প্রত্যেকটি কোষ তথা নারী ডিম্বকোষকে পর্যন্ত সূক্ষ্ম এটোমিক ক্রিয়া দ্বারা বিধ্বস্ত করে ফেলে এবং নারী দেহের অম্লত্ব চুম্বকত্ব ও গন্ধ নষ্ট করে দেয় ।

অমূলত্ব ও চুম্বকত্ব নষ্ট হয়ে গেলে নারী দেহ ক্ষারধর্মী ও বিদ্যুত ধর্মীতে রূপান্তরিত হয়ে মর্দা রূপ ধারণ করে বলে সম্ভবত হাদিস শরীফে পর্দানশীল মহিলা দিগকে বেপর্দা মেয়েদের নিকট ঘেষতে নিষেধ করা হয়েছে । বরঞ্চ উষ্ণ বাজারী মহিলা দিগকে পুরুষের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে ।

মূলত বাজারে খোলা খাবারের চেয়ে যে খাবারগুলো ঢাকা থাকে তার প্রতি মানুষের চাহিদা বেশি থাকে । তেমনই যেসব মহিলা বেপর্দা থাকে তার চেয়ে যারা পর্দার মধ্যে থাকে তাদের চাহিদা পুরুষের সব থেকে বেশি থাকে ।

by google image


আল্লাহ পাক কোরআনে বলেন তোমরা যখন বাইরে বেরোবে তখন শরীর আবৃত করে কিংবা বোরখা পরিধান করে নেবে ।

কাপড় প্রতিফলন কে রোধ করে থাকে । যেমন তেতুল পাশাপাশি বসে কাপড় ঢেকে খেলে আর খোলা অবস্থায় খেলে পার্শ্ববর্তী দর্শকের মনে অমুকে দারুন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং লালা ঝরতে থাকে । তেমনি চুম্বকত্ব বিদ্যুত ধর্মী শরীরের মধ্যে প্রতিফলনের যে বিবরণ ব্যক্ত হলো তাহার পুনরাবৃত্তি বাহুল্য ।

প্রতিপক্ষের বক্তব্য নারীর পর্দা জাতীয় উন্নতির অন্তরায় । কিন্তু মুসলিম জাতির স্বর্ণযুগে কি তাহারা বেপর্দায় স্বেচ্ছাধারী জীবন যাপন করেছে ? ইতিহাসে ইহার প্রমাণ বিরল ।

বরং হেরেম যে পর্দার শ্রেষ্ঠ প্রতীক তাহা মুসলিম সভ্যতারই অবদান । অনেকের যুক্তি পর্দা ত্যাগ করেই ইউরোপ এতটা উন্নত হতে সক্ষম হয়েছে ।

মধ্যযুগের এবং ইহার কিছুদিন পর পর্যন্ত ইউরোপের নারীগণ যে পর্দাশীল ছিল । বর্তমান মিশনারি খ্রিস্টানদের পোশাক তাহার প্রমাণ ।

প্রত্যেক সভ্যতা ও কৃষ্টির পতনের পূর্বে তাহার সমাজে নানা প্রকার অনাচার ও বিকৃত রুচির সৃষ্টি হয় । বর্তমান যুগের বিভিন্ন সমাজ যে বেপর্দা প্রথা পরিলক্ষিত হচ্ছে তাহা তাহার বিকৃত পরিণতি বই আর কিছু নয় ।

by google image

এ প্রসঙ্গে নবীজির কয়েকটি হাদিস 1) নবী করীম (সাঃ) বলেছেন স্ত্রীলোকের দেহ গোপন রাখার বস্তু , সৌন্দর্য বলতে স্ত্রী লোকের সমস্ত শরীর বোঝায় 2) যে স্ত্রী কিংবা পুরুষ একে অন্যের প্রতি ইচ্ছাপূর্বক কুদৃষ্টি করে তাহার চক্ষুতে গলিত সীসা ঢেলে দেওয়া হবে । 3) দাই য়ুছকে 500 বছরের দূরত্ব সমান জাহান্নামের গভীরে ফেলে দেয়া হবে , ও তাহার জন্য বেহেস্ত হারাম ।4) বেগানা স্ত্রী পুরুষদের নির্জনে উঠাবসা ও চলাফেরা হারাম শয়তান তাদের সঙ্গী হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *