" crossorigin="anonymous"> ইসলাম ও তার সত্যতার প্রমাণ the great 2023 - Sukher Disha...,

ইসলাম ও তার সত্যতার প্রমাণ the great 2023

সুরা ইয়াসিন আয়াত নম্বর ১২
ইংরেজি তরজমায় ফুটপ্রিন্ট বা পায়ের ছাপ কথা বলা হলেও বাংলাতে অনেক সময় বলা হয়েছে পিছনে ফেলে আসার সময় ।
নিশ্চয়ই আমি মৃতকে জীবিত করি, এবং লিখে রাখি ওদের কৃতকর্ম যা ওরা পশ্চাতে রেখে যায় । আমি প্রত্যেক জিনিস স্পষ্ট গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করে রেখেছি ।

ইসলাম ও তার সত্যতার প্রমাণ the great 2023


মা কাদদামু দ্বারা ওইসব আমল ও কৃতকর্ম বোঝানো হয়েছে যা মানুষ তার নিজের জীবনে করে থাকে । আনাজ হুম তারা ওই সকল ভাল ও মন্দ আমলের নমুনাকে বলা হয়েছে যা সে পৃথিবীতে ছেড়ে যাই এবং তার মৃত্যুর পর তার অনুসরণে মানুষ তার আমলগুলো করতে থাকে । যেমন হাদিসে আছে যে ব্যক্তি ইসলামে কোন ভাল কাজ বা ভালো কর্ম প্রবর্তিত করে তার জন্য রয়েছে তার সওয়াব বা প্রতিদান এবং তাদের সমপরিমাণ সওয়াব যারা তার অনুকরণে আমলগুলি করে থাকে ।

এতে তাদের সওয়াবের পরিমাণ এতটুকু কম করা হয় না । আর যে ব্যক্তি ইসলামে কোন মন্দ রীতি কাজের সূচনা করে তার জন্য রয়েছে তার পাপ এবং তাদের সমপরিমাণ পাপও যারা তার অনুসরণে আমল করে । এতে তাদের আমলের পরিমাণ এতটুকু কম করা হয় না ।

অর্থাত কেয়ামত দিবসে এখানে মৃতকে জীবিত করার উদ্দেশ্য আল্লাহ তাআলা কাফেরদের মধ্যে যার অন্তর চান জীবিত করে দেন যা কুফর ও ভ্রষ্টতার কারণে মৃত হয়ে গিয়েছিল। ফলে সে হেদায়েত ও ঈমান গ্রহণ করে নাই ।

by google image


অনুরূপ অন্য একটি হাদিস যখন মানুষ মারা যায় তখন তার তিন প্রকার আমল ছাড়া সকল আমল বন্ধ হয়ে যায়
1) এমন ইলম বা জ্ঞান বা শিক্ষা যার সাহায্যে মানুষ উপকৃত হয় ।
2) নেক সন্তান যে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করে ।
3) অথবা সদকায় জারিয়া প্রবাহমান দান যার দ্বারা মৃত্যুর পরও মানুষ উপকৃত হতে থাকে , যেমন মাদ্রাসায় বা মসজিদে দান ইত্যাদি ।

by google image


আজার হুম এর দ্বিতীয় অর্থ হলো পদচিহ্ন । মানুষ পুণ্য ও পাপ কার্যের জন্য যে সফর করে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করে তার পদ চিহ্ন লিপিবদ্ধ করা হয় । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে মসজিদে নববীর সামনে কিছু খোলা জায়গা ছিল । বনি সালমা গোষ্ঠীর লোকেরা সেখানে ঘর তৈরি করার ইচ্ছা প্রকাশ করল । যখন নবী করীম(সাঃ)এই সংবাদ জানতে পারলেন তখন তিনি তাদের ঘর বানাতে নিষেধ করলেন ।

এবং বললেন তোমাদের ঘর তো দূরে তবুও তোমরা সেখানেই থাকো । তোমরা যত পার্টি আসবে তা লিপিবদ্ধ করা হবে । ইমাম ইবনে কাসীর (রহঃ) বলেন দুই অর্থই শশয় স্থানে সঠিক। পরস্পরের মধ্যে কোন বিরোধ নাই। বরং দ্বিতীয় স্থানে অধিক সতর্কীকরণ রয়েছে যখন মানুষের পদচিহ্ন পর্যন্ত লেখা হয়। যখন মানুষ ভালো-মন্দ কাজের নমুনা ছেড়ে যায় এবং তার মৃত্যুর পর মানুষ যে অনুসরণ করে তা তো অধিক রূপেই লেখা হবে ।

by google image


কাবা শরীফের পাশেই আছে মাকামে ইব্রাহিম । সবশেষে হাজী সাহেবরা সাধারণত রেলিং দিয়ে ঘেরা এই পাথরের পেছনেই নামাজ পড়েন মনে করা হয় এ পাথরের উপরে দাঁড়িয়েই ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম কাবা শরীফ নির্মাণ করেছিলেন । তিনি পা দিলে পাথরটি নরম হয়ে যেত এবং গর্ত হয়ে যেত । যখন কাবা শরীফ নির্মাণ করছিলেন তখন কাবা শরীফের দেওয়াল উঁচু হয়ে যাওয়ায় তার নির্মাণ কার্যে অসুবিধা হচ্ছিল তখন আল্লাহ পাক এই কুদরতি পাথরটি দান করে ।

ইব্রাহিম (আঃ) এর যতটুকু দরকার ততটুকু উঁচু ও নিচু হয়ে যেত এই পাথরটি । জমজমের পানি দিয়ে ধোয়াও এবং বারবার ঘষামাজায় পায়ের আঙ্গুলগুলি বোঝা যায় না ডিম্বাকৃত দুটি গর্ত দেখা যায় । প্রতিটি পায়ের দৈর্ঘ্যের ছাপ 27 মিটার এবং প্রস্থ ১৪ মিটার । মোটা পাথরটি অর্ধেক হলো ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম এর পায়ের ছাপ।

by google image

জেরুজালেম বিখ্যাত তিন ধর্মের তীর্থ ক্ষেত্ররূপে । ইহুদি খ্রিষ্টান ও মুসলিম উত্তরাধিকার বহন করে । কিন্তু পৃথিবীতে এমন একটি স্থান আছে যা 5-5 টি ধর্মের মাহাত্ম্য বহন করে । স্থানটির নাম শ্রীলংকার আদম পিক বা আদম চোরা বা আদম পাহাড় । এখানে একটি পদচিহ্ন আছে যা বৌদ্ধদের কাছে বুদ্ধদেবের পদচিহ্ন হিন্দুদের কাছে শিবের পদচিহ্ন ইহুদী ও মুসলিম খ্রিস্টানদের কাছে আদমের পদচিহ্ন । কিন্তু লোকমুখে এটা প্রচারিত যে এটা আদমের পদচিহ্ন । আমাদের আদম(আঃ)কে জান্নাত থেকে এখানেই নামিয়ে দেয়া হয়েছিল ঠিকই কিন্তু এই পায়ের ছাপের চিহ্ন কোন হাদিসে উল্লেখ নেই । কালের বিবর্তনে মানুষের মুখে প্রচারিত হয়ে আসছে এটা আদম আলাই সাল্লাম এর পায়ের চিহ্ন । তবে এটা সঠিক কিনা এখনো তার আসল প্রমাণ পাওয়া যায়নি ।


বিখ্যাত মানুষের পদচিহ্ন নিয়ে বহু কিছু বলা যায় । গৌড় পান্ডুয়া ভ্রমণের সময় দেখেছিলাম কদম রসুল মসজিদ । সেখানে একটি পায়ের ছাপকে হুজুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পদচিহ্ন বলে উল্লেখ করা হয় , এটাও সঠিক কিনা তার কোন উল্লেখ নেই কোন হাদিস বা কিতাবে নেই।
প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে মানুষের পদচিহ্ন নিয়ে চাঞ্চলের সৃষ্টি হয় । প্রাগৈতিহাসিক মানুষের পদচিহ্ন এক গবেষণার বিষয় । আমাদের অস্তিত্বের আঁতুড় ঘর খোঁজার জন্য এই পদচিহ্ন গুলি অত্যন্ত কার্যকরী । ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাই ব্যবহারের যে ইসলামী ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা সর্বাপেক্ষা গ্রহণযোগ্য ।

Read More>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *