" crossorigin="anonymous"> এই good and great মানুষটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আর জলাতঙ্ক রোগের ভয়াবহতা জানাবো আপনাদের কে । January 2024 - Sukher Disha...,

এই good and great মানুষটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আর জলাতঙ্ক রোগের ভয়াবহতা জানাবো আপনাদের কে । January 2024

কুকুর ও শিয়াল এই দুই জন্তু থেকে সবাই খুবই সাবধানে থাকবেন। এদের মুখের লালা জলাতঙ্ক রোগের জীবাণু বহন করে । যে জলাতঙ্কের কোন ঔষধ। নেই। এর পরিনাম নির্ঘাত মৃত্যু।

এই good and great মানুষটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আর জলাতঙ্ক রোগের ভয়াবহতা জানাবো আপনাদের কে । January 2024

তিনি একজন মাওলানা সাহেব । বাংলাদেশর এক জুম্মা মসজিদের ইমাম ছিলেন তিনি । তিনি এখন আর এ দুনিয়ায় নাই । মৌলানা সাহেব আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরকালে পাড়ি জমিয়েছেন । তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন । তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি । মৌলানা সাহেব একদিন নিজের এলাকায় ঘুরতে বেরিয়েছিলেন । তখন একটা বাচ্চা কুকুর তার পায়ে শুধু আচড় কেটে ছিল। কুকুর টি বাচ্চা ছিল তাই তিনি এ ব্যাপারে কিছু ভাবেন নি ও ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন নি। আর এই অবহেলা তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে । এখানে আপনাদেরকে একটা কথা বলে রাখি কুকুর ছোট অথবা বড় সে যে বয়ষের হোক না কেন আচড় দেক বা কামড়াক জরুরী অপরিহার্য কর্তব্য মনে অবশ্যই ভ্যাকসিন অবশ্যই নিবেন নিতে ভুলবেন না ।

by google image

ওই মাওলানা সাহেবের শরীরে যখন জলাতঙ্কের উপসর্গ দেখা দেয় তখন আত্মীয়-স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় । ডাক্তাররা পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরে তার শরীরে জলাতঙ্কের জীবাণু তাদের দৃষ্টিগোচর হয় । ডাক্তাররা ওই মাওলানা সাহেবের আত্মীয়-স্বজনকে বলে তিনি দুইদিন পরে মারা যাবেন । কিন্তু তিনি দুইদিন আগেই মারা গিয়েছিলেন । জলাতঙ্কের জীবাণু তার শরীরে মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল যার কারনে তিনি খুবই ছটফট করছিলেন ।

অন্য কোন ব্যক্তিকে কামড়ে না দেয় সেই কারণে তাকে একটি হাসপাতালের ঘরে বন্দী করে রাখা হয় । হাসপাতালের ঘরে বন্দি অবস্থায় ঐ মাওলানা সাহেবের অবস্থা এতটাই ভয়াবহ হয়ে গিয়েছিল যে সুস্থ শরীরে সে দৃশ্য কেউ দেখার সাহস করেনি । মৃত্যুর সময় এই রুগিরা পাগল প্রায় হয়ে যায় । সামনে যাকে পায় তাকেই কামড়ে দেয়। আর এই রুগি যাকেই কামড়াবে বা আচড় দিবে তার ও মৃত্যু নিশ্চিত । তাই এই সব রুগিকে ঘরে বন্দি করে রাখা হয় ।

মৌলানা সাহেব পাগল হয়ে গিয়েছিলেন। বাঁচার জন্য ঘরের মধ্যে চেঁচামেচি আর দৌড়াদৌড়ি করছিলেন ও এদিক ওদিক ধাক্কা খাচ্ছিলেন বাইরে আসার জন্য ইশারায় দরজা খুলতে বলছিলেন। কিন্তু ডাক্তার বা নার্স দরজা খুলে দেননি তারা বলেন আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যাবেন । একটি যবাই করা মুরগি যেভাবে ছটফট করতে করতে মারা যায় সেই মাওলানা সাহেবও ছটফট করতে করতে একসময় মৃত্যু মুখে ঢলে পড়লেন ।

by google image

এই রকম আরও একটি ঘটনা

আমার খালাতো ভাই। নাম তার রাকেশ। সে তখন সপ্তম শ্রেণীতে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে। ক্লাসের সবথেকে ভালো ছাত্র ছিল সে । তাকে নিয়ে তার বাড়ির লোকের ও স্কুলের মাস্টারদের অনেক গর্ব ছিল । একদিন রবিবার মাঠে খেলতে খেলতে একটা কুকুরে তার পায়ে কামড়ে দেয় । এখনকার মতো এত উন্নতমানের চিকিৎসা ছিল না । তখন 22 টা ইনজেকশন করতে হতো নাভিতে । এখনতো শরীরের যেকোনো জায়গায় 5টা ইনজেকশন করলেই হয়ে যায় ।

যাইহোক রাকেশের 22টা ইনজেকশন হয়েছিল ঠিকই কিন্তু তা সত্ত্বেও বাঁচেনি সে । তার মৃত্যু এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, কোন সুস্থ সম্পন্ন বিবেকবান মানুষের পক্ষে এ মৃত্যুর দৃশ্য দেখা সত্যিই ভয়ঙ্কর ছিল । তাকে একটা ঘরে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল । ডাক্তারের নিষেধ করা সত্ত্বেও তাকে পানি খেতে দেওয়া হয় । আর পানি খেয়েই জবায় করা মুরগির মতো ছটফট করতে করতে মারা যায় সে । এ মৃত্যুতে গ্রামে এবং স্কুল সকলের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে ।তাই বলছি কুকুর থেকে সবাই সাবধানে থাকবেন।

by google image

এবার জলাতঙ্ক সম্পর্কে কিছু কথা না বললেই নয়

আমাদের নবীজি বলেছেন কুকুর নাপাক প্রাণী । কুকুরের শরীরের কোন ভেজা কাপড় স্পর্শ করলে সেই কাপড় পড়ে নামাজ হবে না । কুকুর জলাতঙ্কের জীবাণু বহন করে । সেই হেতু কোন কুকুরকে স্পর্শ করলে আপনিও জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন । কুকুর স্পর্শ করার পর হাত না ধুয়ে যদি আমরা আমাদের শরীর চুলকায় বা কোন কাটা ছেঁড়া স্থানে হাত লাগায় তবুও জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে ।

জলাতঙ্কের জীবাণু বা Rabies ভাইরাস আমাদের শরীরের ত্বকের নিচে হালকা সাদা রঙের যে পর্দা বা চর্বির আস্তরণ থাকে যা কেটে যাওয়ার পরে দেখা যায় সেই আস্তরণের মাধ্যমে rabies ভাইরাস সরাসরি মাথায় চলে গিয়ে ব্রেনে আঘাত হানে তারপর আস্তে আস্তে নিচের দিকে নামতে থাকে । আমাদের গলায় গিয়ে গলার নার্ভগুলিতে ধ্বংস বা অকেজো করে দেয় । তখন আমরা গলা দিয়ে কোনো কিছু খেতে বা গিলতে পারবো না । কোন কিছু খেতে গেলে তা গলায় আটকে শ্বাস বন্ধ হয়ে রুগি মারা যাবে । গলার নার্ভ এতটাই অকেজো হয়ে যায় যে পানিও গিলতে পারে না । তাই জলাতঙ্কের রুগিরা পানি দেখে ভয় পায়।

কুকুরের জিভে বা লালায় সব থেকে বেশি জলাতঙ্কে জীবাণু RABIES ভাইরাস থাকে । তাই কুকুর যখন তার জিভ দিয়ে শরীর চাটে তখন এই ভাইরাস তার সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। কুকুরের ভেজা শরীরে যদি আপনার হাত ও শরীরের অন্য কোন অঙ্গ স্পর্শ করে তবে অবশ্যই আপনি বাসন মাজা ও কাপড় কাচা সাবান দিয়ে সেই স্থান 10-12 মিনিট ধরে নিবেন।

by google image

পরিশেষে

সবাই কে বলছি অবশ্যই কুকুর থেকে সাবধান থাকবেন ।সেই রকম পরিস্থিতি হলে খুব তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন নিয়ে নিবেন ।ভ্যাকসিন সরকারি হাসপাতাল থেকে নিবেন। কুকুর, শেয়াল ও বিড়াল থেকে অবশ্যই সাবধানে থাকবেন । মনে রাখবেন জলাতঙ্ক যদি আপনার শরীরে প্রবেশ করে তাহলে আপনার নির্ঘাত মৃত্যু। এই মৃত্যু থেকে আপনাকে কেউ রুখতে পারবে না । তাই সাবধানে থাকবেন ।

Read More>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *