" crossorigin="anonymous"> করোনা বিশ্বে ভয়ংকর মহামারী ও তার ইতিহাস Corona is a big disease , It should be treated well 2023 - Sukher Disha...,ক্রমে হর্সাসু কণ্ঠস্বর বৃদ্ধি ঘটাতে সক্ষম এবং তার দ্বারা পাল্টা কোন হর্সাসু কণ্ঠস্বর প্রতিধ্বনির স্বরের সমান করে তোলে ।অনেকটাই আমাদের দেশের কোকিলের ডাকের প্রতিধ্বনি মতো। একটি কোকিল ক্রমে যতই উচ্চস্বরে ডেকে উঠে অন্য কোকিল ও ততটা উচ্চস্বরে ডেকে ওঠে।

করোনা বিশ্বে ভয়ংকর মহামারী ও তার ইতিহাস Corona is a big disease , It should be treated well 2023

করোনা ভাইরাসের ইতিহাস অতি পুরাতন। গবেষণা পত্র থেকে জানা যায় করোনাভাইরাস বিভিন্ন ধরনের বাদুড় ও পাখিকুলের থেকে উদ্ভত, অর্থাত প্রাকৃতিক উতস কেন্দ্রিক মলিকুলার যন্ত্র ভিত্তিক গবেষণায় জানা যায়, বর্তমান কালের করোনা ভাইরাস হল মোটামুটি ১০ হাজার বছরের পুরোনো একই রকম ভাইরাসের উত্তরসুরী।

করোনা বিশ্বে ভয়ংকর মহামারী ও তার ইতিহাস Corona is a big disease , It should be treated well 2023

ক্রমে অতীতের লক্ষ লক্ষ বছর পূর্বের সেই অবস্থান বিবর্তিত হয়েছে; ফলে এই ভাইরাসের ক্ষেত্রেও (উতসের পরিবর্তিত রূপ ও জীবনযাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে) বিবর্তন ঘটেছে বলে গবেষকদের অভিমত। সুদীর্ঘ বিবর্তন বাদু ড় বা অন্য পাখিদের যেমন হয়েছে, তেমনই তাদের বাহিত রোগের বিবর্তন ঘটেছে- যা স্বাভাবিক। বিবর্তন সকল প্রাণীর ক্ষেত্রে ঘটেছে, তাদের জীবনযাত্রা, গঠনশৈলী, খাদ্যাভাস ,দেহের গঠন এমনকি তাদের মুখ নিঃসৃত লালা রস বা মল-মূত্রের ক্ষেত্রেও দৈহিক বিবর্তনে প্রভাব পড়া সম্ভব।

তবে সুদূর অতীতে বিভিন্ন ভাইরাসের মধ্যে সাদৃশ্য যেমন ছিল বৈশাদৃশ্য ও তেমন ছিল। তাই বলা হয়, বর্তমান করোনা ভাইরাস মিশ্র ধরনের যা বিবর্তনের ফলেই ঘটেছে। বিজ্ঞানী চার্চ ডারউইনের মতে, বিবর্তনবাদের দুটি প্রধান বিষয় হলো ক) বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর উদ্ভব হয়েছে মাত্র এক বা মাত্র কয়েক প্রকার সাধারণ পূর্বপুরুষ (তথা সমজাতীয় প্রাণী) থেকে; এবং খ) যে পদ্ধতিতে এই বিবর্তন কার্যকরী হয়েছে তা হল প্রাকৃতিক পছন্দ নির্ভর। এটাই হয়তো অন্যভাবে বলা হয়েছে,’Survival of the fittest ‘পদ্ধতি।

প্রাণিবিদ্যা জাতিজনি(phylogeny) কোন প্রাণীর বা প্রজাতির গঠন প্রকৃতির বিচার বিশ্লেষণ থেকে প্রাগৈতিহাসিক যুগে এর সম্পর্কে জানা যায়। এ বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই প্রজাতি সমূহের জাতি, প্রজাতি সমূহ সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা হয়। তাহলে গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য হতে অতীতের করোনার যে ধারণা আমরা পাই তা হল, প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে বিশেষ ধরনের পাখি ও প্রাণীর মধ্যে এই রোগের জীবাণু ছিল, কিন্তু বিবর্তনের তার বিবর্ধন বা মারী ক্ষমতা হাঁস পেয়েছে কিনা বলা যায় না। তবে বলা হয়েছে বাদুড়ের মধ্যে করোনা থাকা সম্ভব। কার, করোনার অকুস্থল আদিকাল থেকেই বাদুড়ের দেহের সংক্রমিত হয়েছে।


তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায় ,সাস মাস ইবোলার উতপত্তি একই ধরনের প্রাণী ,(সর্বাধিক সন্দেহ -বাদুড়ে দ্বারা সংক্রমিত) দ্বারা এবং কোথাও মানুষের খাদ্য তালিকায় স্থান পেয়েছে, কোথাও কোন না কোনভাবে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে।


হর্সসু বাঁদুড়ের বিশেষত্ব যথেষ্ট। আক্রমণের ধরন বেশ জটিল। এদের বড় বড় কান এবং বিরাট পাখনা ( চামড়া দিয়েই তৈরি); বিজ্ঞানীদের মতে এই বিশেষ প্রজাতির বাদুড়ের শতাধিক শাখা (প্রজাতি) বর্তমান। তার চেয়ে ভয়ংকর হল, এদের প্রজাতির সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। এরা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং অস্বাভাবিক দেখায়। সাধারণ বাদুড়ের সাথে পার্থক্য হল হসসু বাদুড় তাদের নাক দিয়ে শব্দ করে এবং নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলে। কিন্তু সাধারণ বাদুড় কেউ জিভ দিয়ে কেউ আবার গলা দিয়ে শব্দ করে; তবে দুটি ক্ষেত্রে সর উঠে গলা থেকেই।(সূএ :Alain V.Ryckeghem,Canada,Dec,) অন্য একটি সূত্রে জানা যায় হর্সসু
বাদুড়
তাদের প্রয়োজনমতো ডাকতে শুরু করলে তা একনাগারে চলতে থাকে। আরও বলা হয়েছে তার সঙ্গীরা যতটা উচ্চস্বরে ডাকে ক্রমে হর্সসুর অন্য একটি বাঁদুড় ও ততটা উচ্চস্বরে তোলে। কারণ যাতে তার সঙ্গী শুনতে পাই।

ক্রমে হর্সাসু কণ্ঠস্বর বৃদ্ধি ঘটাতে সক্ষম এবং তার দ্বারা পাল্টা কোন হর্সাসু কণ্ঠস্বর প্রতিধ্বনির স্বরের সমান করে তোলে ।অনেকটাই আমাদের দেশের কোকিলের ডাকের প্রতিধ্বনি মতো। একটি কোকিল ক্রমে যতই উচ্চস্বরে ডেকে উঠে অন্য কোকিল ও ততটা উচ্চস্বরে ডেকে ওঠে।

বাদুড় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে খোঁজা হয়েছে কোন বাদুর থেকে এত ভয়ঙ্কর করনার উতপত্তি । ইউনিভার্সিটির অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা 10ই ফেব্রুয়ারি ২০২০ গবেষণাগারে দেখেছেন যে বাদুড়ের শরীরে অতি শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা বর্তমান । এই ক্ষমতা প্রতিনিয়ত তাদের শরীরের যাবতীয় ভাইরাসের আক্রমণের প্রতিরোধ করতেও সক্ষম, দেখা গিয়েছে বাদুর যতই সংক্রমনের মধ্যে পতিত হয়েছে তখনই তার শরীরের অন্যান্য কোষগুলি সঙ্গে সঙ্গে তার সামনে দেওয়াল তুলে প্রতিরোধ করেছে। ফলে ভাইরাসের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে কিন্তু এই ভাইরাস যখন অন্য প্রাণীর দেহে প্রবেশ করে যেখানে প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভেঙে দেয় তখন তা ভয়ংকর রূপ নেই।

অর্থাত এই প্রজাতির বাদুড়ের শরীরে তথ্য অনুযায়ী করনার ভাইরাস জিনগত কারণেই ক্ষতি করতে পারে না, কিন্তু মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে সেই একই ভাইরাস মানুষের রক্ষণ ভাগ ভেঙ্গে দিয়ে অতি দ্রুত শ্বাসযন্ত্র কে আক্রমণ করে। বলা যায় মানুষের শ্বাসযন্ত্রে এমন কিছু উপাদান আছে যা এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে হার মানতে বাধ্য হয় অর্থাত মানুষের দেহের উপাদান বিবর্তনে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে এবং কালক্রমে তার শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত হতে চলেছে ।

অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর মানুষের শরীরের কিছু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঔষধ তৈরি করা হয়েছে যা করোনার ভাইরাসকে প্রতিরোধ করা কিছুটা সম্ভব হয়েছে।

যদিও মানুষ তখন এই করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেক আতঙ্কের মধ্যে ছিল কিন্তু এখন বর্তমানে এ নিয়ে আর কেউ মাথা ঘামায় না বা ভয়ও করেনা।

তবে এই করোনা ভাইরাস থেকে বেঁচে থাকার প্রধান হাতিয়ার মাকস পরে বাইরে যাওয়া ও বাইরে থেকে এসে আবার দুই হাত ভাল করে ধোওয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *