" crossorigin="anonymous"> কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ Very good and great personality 2023 - Sukher Disha...,

কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ Very good and great personality 2023

মানুষের জন্য মহান আল্লাহ তৈরি করে রেখেছেন জান্নাত ও জাহান্নাম । আল্লাহ চান না কোন মানুষ জাহান্নামে যাক । কিন্তু মানুষ ভুল করে খারাপ কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে । খারাপ কাজ থেকে মানুষকে বাঁচাতে আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবী পাঠিয়েছেন । তার মধ্যে থেকে শেষ নবী হলো আমাদের হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
এখন আমাদের শেষ নবী (সাঃ) কেমন লোক ছিলেন সেটা দেখবো

কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ Very good and great personality 2023

1) তিনি দীর্ঘ সময় নিরব থাকতেন।
2) তিনি কম হাসছেন
3) তিনি মুচকি হাসতেন


4) তিনি সবাইকে আগে সালাম দিতেন।
5) ঘুম থেকে জেগে মিসওয়াক করতেন ।
6) সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করতেন ।


7) তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না ।
8) সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন ।
9) বিপদে পড়লে তাতক্ষণিক সালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন ।


10) নিজের জন্য কখনোই প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না ।
11) যুদ্ধক্ষেত্রে ছাড়া কাউকে তিনি আঘাত করেনি ।
12) তিনি ছিলেন সত চরিত্রবান ।


13) শিশুদের পরম স্নেহ করতেন
14) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কোমল আচরণ করতেন
15) কেউ অসুস্থ হলে তিনি দেখতে যেতেন ।
16) ছিলেন অধিক সত্যবাদী
17) মিথ্যাকে সর্বাধিক ঘৃণা করতেন
18) কেউ উপহার দিলে তিনি তা গ্রহণ করতেন ।
19) তিনি অধিক পরিমাণে দান বা সদকাহ করতেন ।
20) তিনি ছিলেন মিষ্টভাষী ।
21) কথা বলার সময় সুস্পষ্ট করে কথা বলতে।
22) তিনি কোন খাদ্যের দোষ ধরতেন না ।
23) অন্যদের ক্ষমা করে দেওয়া বেশি পছন্দ করতেন
24) তার নিকট আগত ব্যক্তিদের কখনো অবহেলা করতেন না ।
25) তিনি ছিলেন সর্বাধিক পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন মনের অধিকারী ব্যক্তিত্ব।26) তিনি শৈশবে বাবাকে ও মাকে হারিয়েছিলেন ।

by google image

নবী মুহাম্মদ (সা.) এর দৈনন্দিন জীবন এবং সুন্নত

          তিঁনি ছিলেন মানবতার সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত। নৈতিকতা ও স্বভাবে তিঁনি ছিলেন মানবতার এক অপরূপ মূর্তি। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিঁনি মানবতার সর্বোত্তম কর্মপন্থা উপস্থাপন করেছেন। শৈশব থেকে যৌবন, যৌবন থেকে নবুওয়াত প্রাপ্তি এবং নবুওয়াত প্রাপ্তি থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত অনুকরণ ও আনুগত্য করার যোগ্য। তাঁর জীবনের প্রতিটি দিকে তাকালে তিনি সত্য, আস্থা, সততা, আনুগত্য এবং ধর্মনিরপেক্ষতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশ্ব তাঁকে চিনে আল্লাহর শেষ রাসুল মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ) হিসেবে।

          মহান আল্লাহ, রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে প্রেরণ করেছেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি যুগে, প্রতিটি পরিস্থিতিতে মানুষকে এই আদর্শের অনুসারী হওয়ার এবং ইবাদতে, কাজে, সমাজে এবং স্বভাবের পাশাপাশি অন্যদেরকে তাঁর আদর্শ অনুসরণ করতে রাজি করানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।  এই আয়াত, “নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূলের মধ্যে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে।” এটার  মানে হল,  যেন রাসূলুল্লাহ (সাঃ), তাঁর জীবনী এবং বরকতময় স্বভাব একটি ব্যবহারিক কুরআন।

by google image

          ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বীন, এবং নবী (সাঃ) এর শিক্ষা ও তাঁর জীবন একটি পূর্ণাঙ্গ  আদর্শ, যা মানব জীবনের প্রতিটি দিকের উপর আলোকপাত করে এবং জীবনে মানুষ যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে সেগুলোর জন্য আমাদেরকে নির্দেশিকা ও সমাধান প্রদান করে। তাই ভবিষ্যতে মানবজাতির  উন্নতি ও সমৃদ্ধি  ও অগ্রগতির জন্য একজন পরিপূর্ণ মানবের দৃষ্টান্ত হিসেবে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে অনুসরণ করা অনিবার্য।

by google image

          নবীজির দৈনন্দিন জীবন, অভ্যাস, বৈশিষ্ট্য, আচরণ এবং কাজকর্ম ছিল পৃথিবী শ্রেষ্ঠ । বাবা, ভাই, স্বামী এবং বন্ধু হিসাবে রাসূল (সাঃ)- হিসাবে তিনি ছিলেন সবার সেরা একজন মহা মানব। যা রোজ কিয়ামত পর্যন্ত খুঁজলেও আর দ্বিতীয়টি পাওয়া যাবে না । এছাড়াও মহানবী ছিলেন একজন ব্যবসায়ী, বণিক, রাষ্ট্রনায়ক, শাসক এবং রাজনীতিবিদ হিসাবেও শ্রেষ্ঠ মহামানব ।

নবীজি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব থেকে বেশি ফজরের নামাজের গুরুত্ব দিতে বলেছেন এবং তার ফজিলত বর্ণনা করেছেন

by google image

১.ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী, ফজর সালাত আদায় করা খুবই কষ্টকর , তাই তিনি ফজরের সালাতকে বেশি গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেছেন।

২.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়। অর্থাত স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
৩.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।

৪. রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে, আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!

৫. যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে, আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।

৬.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন। অথাত সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।

৭.যে নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে, সে কখোনোই জাহা*ন্নামে প্রবেশ করবেনা।

৮.ফজরের সালাত আদায়কারী,রাসূল (সাঃ)-এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।

৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।

১০..ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে, প্রফুল্ল হয়ে যায়।

Read More>>>>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *