" crossorigin="anonymous"> টাকার জন্য মানুষ কত খারাপ ও নিকৃষ্টতম কাজ করতে পারে আমরা গল্পের মাধ্যমে দেখবো Sometimes even the greatest person turns bad 2023 - Sukher Disha...,

টাকার জন্য মানুষ কত খারাপ ও নিকৃষ্টতম কাজ করতে পারে আমরা গল্পের মাধ্যমে দেখবো Sometimes even the greatest person turns bad 2023

পৃথিবীর ভিতরে ও বাইরে যা কিছু আছে সবই মহান আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। অনেক সময় এই টাকার লোভে মানুষ অনেক অন্যায় কাজ করে। এর জন্য মানুষকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়।

টাকার জন্য মানুষ কত খারাপ ও নিকৃষ্টতম কাজ করতে পারে আমরা গল্পের মাধ্যমে দেখবো Sometimes even the greatest person turns bad 2023

সর্বশক্তিমান আল্লাহ শুধুমাত্র মানুষ ও জিন কে তৈরী করেছেন তার এবাদত করার জন্য । মানুষ পৃথিবীতে আসার অনেক আগেই এই জিন জাতি আবির্ভাব ঘটেছিল । কিন্তু বর্তমানে নিজেদের মধ্যে দাঙ্গা ফাসাদ এর জন্য তারা বিলুপ্ত প্রায় ।


মানুষ আল্লাহর এবাদত করবে কিন্তু এই এবাদত করারঐ পাশাপাশি মানুষের জীবনধারণ ও বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন হয় কিছু মৌলিক চাহিদা পূরণের ।
মানুষ আল্লাহর এবাদত করবে কিন্তু এই এবাদত করার পাশাপাশি মানুষের জীবনধারণ ও বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন হয় কিছু মৌলিক চাহিদা পূরণের । আর এই মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়ে অর্থের । অর্থই মানুষের জীবনের মূল । অর্থ মানুষের জীবনে নিয়ে আসে সুখ স্বাচ্ছন্দ ও আরাম-আয়েশ । টাকা আছে তো জীবনে সব কিছু আছে । আর জীবনে টাকা নাই তো কিচ্ছু নাই । টাকা না থাকলে টাকা না থাকলে সমস্ত মানুষ পর হয়ে যায় ।

আর টাকা থাকলে পর মানুষ আপন হয়ে যায় । অর্থ ছাড়া মানুষের জীবন অচল । সে কারণে মানুষ টাকা উপার্জনের জন্য সব সময় সদা ব্যস্ত থাকে । মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ মানুষকে সত উপায়ে টাকা উপার্জনের কথা বলেছেন । কিন্তু এখন আল্লাহর দেয়া বৈধ পথ ছেড়ে মানুষ অনেক সময় অন্যায় ও অবৈধ পথে অর্থ উপার্জন করার চেষ্টা করে । অর্থ উপার্জনের জন্য অনেক সময় আল্লাহকে ভুলে যায় । ভেবেও দেখেনা যে সেটা হারাম না হালাল ।

আল্লাহ হারাম পথে টাকা উপার্জন করতে নিষেধ করেছেন । আল্লাহ বলেন প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রাখে যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপনীত হও । মানুষের অর্থের প্রতি লোভ কখনো কখনো তাকে অমানুষে পরিণত করে ,তাকে পশুত্বের পর্যায়ে নামিয়ে দেয় । ফলে সে যা ইচ্ছা তাই করতে প্রবৃত্ত হয় । আর এর ফলাফল যে কত ভয়াবহ তার এই দৃষ্টান্ত আমরা এখানে তুলে ধরবো ইনশাআল্লাহ ।
সুন্দর সাজানো একটি ছোট্ট গ্রাম । গ্রামের সবাই একসঙ্গে মিলেমিশে থাকে । গ্রামের পাশেই একটি ছোট্ট মাঠ । আর মাঠের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি ছোট্ট নদী । সেই গ্রামের একটি ছোট্ট পরিবার । সাজানো গোছানো ও ছিমছাম।


হালিম মনে মনে ভাবলো হঠাত একদিন দেশে ফিরে আব্বা মা সহ গ্রামের মানুষকে চমকে দেবে । তাই সে সৌদি আরব থেকে অনেক জিনিসপত্র কিনে নিয়ে উড়োজাহাজে করে কলকাতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস এয়ারপোর্টে নামলো । এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি যাওয়ার পথেই হালিমের ছোট খালার বাড়ি । তাই হালিম ভাবলো সেখানে একদিন থেকে যাওয়াই ভালো । অনেকদিন খালাদের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া হয়নি । আবার অনেক দিন পর দেশে আসলাম । সেখানে তার এক সমবয়সী খালাতো ভাই আছে তাকে দিয়ে অনেক মজা করা যাবে । এইসব ভেবে সে তার খালাদের বাড়িতে গিয়ে উঠলো ।

খালার বাড়িতে দেখা করতে গেলে তার খালা ও খালু দুজনেই তাকে খুব আদর যত্ন করে এবং তাদের বাড়িতে একরাত থেকে যেতে বলে । হালিম তার খালাতো ভাইয়ের অনুরোধে সেখানে থেকে গেল এক রাতের জন্য । হালিমের খালাতো ভাই মনিরুল এখন খুব খুশি । হালিম একটু ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করার পর তার খালাতো ভাই সমেত একটু বাইরে গেলে ঘুরতে ।টাকার জন্য মানুষ কত খারাপ ও নিকৃষ্টতম কাজ করতে পারে আমরা গল্পের মাধ্যমে দেখবো Sometimes even the greatest person turns bad 2023

এর পরের ঘটনা খুবই দুঃখজনক ও লোমহর্ষক এবং ভয়ংকর
হালিমের খালুর টাকা-পয়সার প্রতি ব্যাপক লোভ ছিল । হালিমা যদিও তার খালুজি একটা ছোট চাকরি করতো । এর আগেও দুই একবার অফিসে ঘুষ খাওয়ার জন্য ধরা পড়ে । হালিম এর কাছে অনেক টাকা দেখে তার খালু ভাবছে কি করে হালিমের টাকা গুলো নেওয়া যায় । চাইলে সে তো আর দিবেনা তাই হালিমের খালু জঘন্যতম ফন্দি আটতে লাগলো । হালিমকে যে ঘরে শুতে দেও য়া হলো সে ঘরে ছিল দুটি শোয়ার জায়গা ।

দুটো শোয়ার জায়গার পাশেই ছিল দুটো আলাদা আলাদা টেবিল । একটি খাটে দেয়া হলো হালিমকে আরেকটি খাটে দেয়া হলো তার খালাতো ভাই মনিরুলকে । হালিম আর মনিরুল দুজনে ছিল একই বয়সের । কিন্তু হালিমের থেকে মনিরুল ছিল বয়সে বড় । দুজনের মধ্যে কারো বিয়ে হয়নি । হালিমের খালু তাদের দুজনকে দু-গ্লাস দুধ দিয়ে গিয়েছিল এবং ঘুমানোর সময় খেতে বলেছিল । দুধের গ্লাস দুটো তাদের শোয়ার খাটের পাশেই আলাদা আলাদা টেবিলের রাখা ছিল । হালিমের খালু তার মনের


হালিম আর মনিরুল তারা একই খাটে শুয়ে অনেক রাত পর্যন্ত গল্প করতে লাগল । আর যে খাটে তারা শুয়েছিল সেটা ছিল হালিমের জন্য নির্ধারিত । আর সেই টেবিলে রাখা ছিল বিষ মেশানো দুধের গ্লাস । একসময় গল্প করতে করতে মনিরুল হালিমের খাটে ঘুমিয়ে পড়ল । আর হালিম মনিরুলের খাটে ঘুমোতে গেল । ঘুমোতে যাওয়ার আগে তারা তাদের নির্ধারিত দুধ খেয়ে নিলো । কিন্তু খাওয়ার আগে তারা ঘুমের ঘোরে দুধের গ্লাস অদল বদল করে ফেলল । বিষ মিশানো দুধ খেলো মনিরুল আর খালি দুধের গ্লাস খেলো হালিম । এইভাবে বিষ মেশানো দুধ খেয়ে মনিরুল মারা গেল ।

অনেক রাত্রিতে হালিমের খালু ঘরে প্রবেশ করে লেপ কেথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকা মনিরুল কে হালিম মনে করে সেই লেপকাথা সমেত জড়িয়ে বাড়ির পাশে গর্ত করে পুঁতে ফেলল । এবং গর্তের ওপর কিছু ময়লা আবর্জনা ফেলে একটা স্তূপ তৈরি করে দিল যাতে মানুষ কেউ বুঝতে না পারে । হালিমের খালু ভাবলো সে হালিমকে হত্যা করেছে এখন হালিমের টাকাগুলো হাতিয়ে নিবে ।


কারণ হালিম যে দেশে ফিরেছে তাতো কেউ জানে না । এতে হালিমের বাবা মা বা অন্যরা সবাই জানবে হালিম বিদেশেই আছে । হালিমের খালা যদি বলে কি ব্যাপার হালিম কোথায় গেল ? তখন সে হালিমের খালাকে বলবে চুপ কর সবাই যদি জানে হালিম আমাদের বাড়িতে এসেছিল তারপর হারিয়ে গেছে তাহলে আমাদেরও বিপদ হবে ইত্যাদি । হালিমের খালু সকালে ঘরে গিয়ে দেখে হালিম খাটের উপরে বসে আছে ।

কিন্তু নাই তার আদরের সন্তান মনিরুল । মনিরুলের আব্বা বলে উঠল হাই আমি একি করলাম এই বলে সে অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে গেল । হালিম তার খালুর এসব কান্ড দেখে প্রথমে কিছুই বুঝতে পারল না । পরে যখন তার খালুর জ্ঞান ফিরলো তখন সব বুঝতে পারলো । কিন্তু তার আগেই সবকিছু শেষ হয়ে গিয়েছে । হালিমের খালু বলল টাকার লোভে পড়ে আমি সবকিছু ভুলে গিয়েছিলাম আমি তোমাকে মারার জন্য তোমার টেবিলে রেখে এসেছিলাম বিষ মেশানো দুধের গ্লাস । কিন্তু হয়েছে তার ঠিক উল্টো সেই বিষ মিশানো দুধের গ্লাস খেয়েছে তার একমাত্র ছেলে ।

হালিম বলল রাখে আল্লাহ মারে কে,আর মারে আল্লাহ রাখে কে ।
এদিকে এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ এসে হালিমের খালুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় । এবং শেষ বিচারে হালিমের খালুর মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় ।
লোভী ও পাপী ব্যক্তিদের পরিণতি এরকমই হয় । মানুষের ভাবা উচিত আমি কি কাজ করছি । ভেবেচিন্তেই সমস্ত কাজ করা উচিত । আর লোভে পাপ পাপে মৃত্যু এটাতো বাস্তব সত্য কথা ।

Read More>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *