" crossorigin="anonymous"> দুনিয়া ধ্বংসের বড় বড় আলামতের মধ্যে একটি বড় আলামত হলো দাজ্জালের ফেতনা the good great 2023 - Sukher Disha...,

দুনিয়া ধ্বংসের বড় বড় আলামতের মধ্যে একটি বড় আলামত হলো দাজ্জালের ফেতনা the good great 2023

ইমাম মেহেদী বিজিত স্থানের শান্তি স্থাপন ও শৃংখলার কাজে লিপ্ত থাকবেন ।
এমন সময় হঠাত এক মিথ্যা খবর প্রচারিত হবে যে, শ্যাম দেশে দাজ্জাল এসে প্রভাব বিস্তার করে খেলাফতের ধ্বংস সাধন করছে । ইমাম সাহেব এ সংবাদ পেয়ে সাম দিকে অগ্রসর হবেন ।

দুনিয়া ধ্বংসের বড় বড় আলামতের মধ্যে একটি বড় আলামত হলো দাজ্জালের ফেতনা the good great 2023

খবরের তাহকিকের জন্য নয় জন কিংবা পাঁচজন লোকের একটি ক্ষুদ্র দল পাঠাবেন এই দলের মধ্যে থেকে একজন লোক এসে সংবাদ দেবে যে ওই সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা এখনো দাজ্জাল বের হয়নি ইমাম সাহেব এ খবর পেয়ে কিছুটা নিশ্চিন্ত হবেন এবং অভিযানের জন্য তাড়াহুড়া না করে পথিমধ্যে সমস্ত শহরে শান্তি শৃঙ্খলা কেমন হয়েছে না হয়েছে তা তদন্ত ও তাহাকি করতে করতে নির্ভীক নিয়ে শ্যাম দেশে গিয়ে পৌঁছেবেন ।

by google image

সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পরেই দাজ্জাল বের হবে । দাজ্জালের অভ্যুত্থান য়িয়াদুদ সম্প্রদায় থেকে হবে । শাম এবং ইরাকের মাঝখানে তার অভ্যুত্থান ঘটবে । প্রথমে এসে নবুয়তের দাবি করবে । এরপর ইস্পাহানি যাবে । সেখানে ৭০ হাজার ইহুদি তার তাবেদার হবে । তখন সে খোদাই দাবি করবে , অর্থাত নিজেকে সে খোদা বলে দাবি করবে । এভাবে অনেক বেশ জয় করতে করতে ইয়ামানের সীমানা পর্যন্ত পৌঁছাবে । প্রত্যেক দেশ থেকেই যথেষ্ট সংখ্যা ধর্ম গ্রস্থ লোক তার দলভুক্ত হবে ।

এমনকি মক্কা মক্কা শরীফের সীমানা তেও সে পৌঁছাবে । কিন্তু মক্কা শরীফের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ফেরেশতা নিযুক্ত থাকবেন । তাদের কারণে ওই জায়গায় ঢুকতে পারবে না । তখন মক্কা শরীফ থেকে মদিনা শরীফের দিকে যাবে । সেখানেও আল্লাহর রহমতে ও কুদরতে ফেরেশতা প্রহরী নিযুক্ত থাকবেন । কাজেই মদিনা শরীফের শহরের ভেতরে ওই খবিশ বা দাজ্জাল ঢুকতে পারবে না । কিন্তু মদিনা শরীফে তিনবার ভূমিকম্প হবে সে কারণে যত কাঁচা ঈমানের লোক থাকবে তারা মদিনা শরীফের শহর থেকে বাইরে চলে যাবে । তথায় গিয়ে দাজ্জালের ধোঁকার জালে পতিত হবে ।

ওই সময় মদিনা শরীফের একজন বুজুর্গ দাজ্জালের সাথে খুব তর্ক বিতর্ক করবেন । দাজ্জাল যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে না পেরে খুব রাগান্বিত হয়ে তাকে কতল করে ফেলবে । পুনরায় তাকে জীবিত করে জিজ্ঞেস করবে কেমন ,এখন তো আমাকে খোদা বলে স্বীকার করবে ? তখন বুজুর্গ বলবেন কখনোই না । এখন তো আমার আরো একিন বেশি হয়েছে যে তুই দাজ্জাল । দাজ্জাল এত রেগে যাবে যে তাকে পুনরায় হত্যা করার চেষ্টা করবে । কিন্তু তার সব চেষ্টা ব্যর্থ হবে তাকে আর মারতে পারবে না । কষ্ট দেবে কিন্তু হত্যা আর তাকে করতে পারবে না ।

by google image

দাজ্জাল সেখান থেকে সাম দেশ অভিমুখে যাত্রা করবে । যখন দামেস্কের নিকটবর্তী হবে ইমাম মেহেদী (আঃ) তখন পূর্বেই সেখানে পৌঁছে যুদ্ধের বন্দোবস্ত করবেন । একদিন আসরের সময় মুয়াজ্জিন আজান দেবেন । সকল মুসল্লির নামাজের জন্য কাতার বন্দি হবে , এমন সময় হঠাত হযরত ঈসা আঃ দুজন ফেরেশতার কাঁধের উপর ভর করে আসমান থেকে অবতীর্ণ হবেন ।

দামেস্কের মসজিদের পূর্ব দিকের মিনারের ওপর এসে দাঁড়াবেন । সেখান থেকে সিঁড়ি লাগিয়ে তিনি নিচে নামবেন । ইমাম সাহেব যুদ্ধের সমস্ত ভার নেতৃত্ব তার উপর ন্যস্ত করতে চাইবেন । কিন্তু তিনি বলবেন ভার তো সব আপনারই উপর থাকবে, আমি শুধু দাজ্জালকে হত্যা করার জন্য এসেছি, সেই ভার আমার উপর থাকবে । পরদিন সকালবেলায় ইমাম সাহেব সৈন্য সাজাবেন । হযরত ঈসা(আঃ)একটি ঘোরায় সওয়ার হয়ে একটি পল্লব হাতে নিয়ে দাজ্জালের দিকে ধাবিত হবেন ।

অন্যান্য মুসলমান সৈন্যরা দাজ্জালের সৈন্যবাহিনীর উপর আক্রমণ করবে,ভীষণ যুদ্ধ হবে । ওই সময় হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম এর নিঃশ্বাস এর মধ্যে এমন কুদরতি হবে যে যতদূর দৃষ্টি ও শ্বাস যাবে এবং যে কোন কাফিরের গায়ে এ শ্বাসের একটু বাতাস লাগবে সে সাথে সাথে ধ্বংস হয়ে যাবে । দাজ্জাল হযরত ঈসা(আঃ) দেখে পলায়ন করবে , কিন্তু হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তাকে ধাওয়া করে বাবে লোদ নামক স্থানে গিয়ে কাকে হত্যা করবেন । ওইদিকে মুসলিম সৈন্য বাহিনী দাজ্জালের সৈন্যবাহিনীকে হত্যা করবে ।

by google image

অতঃপর যত জায়গায় দাজ্জাল অশান্তির সৃষ্টি করে এসেছে সে সব স্থানে গিয়ে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম জনসাধারণকে শান্তি ও সান্তনা প্রদান করবে ।

সমগ্র দুনিয়ায় মুসলমানঃ-এসময় দুনিয়ায় আর কোন কাফের থাকবে না সব মুসলমান হয়ে যাবে কিছুদিন পর হযরত ইমাম মেহেদী(আঃ) ইন্তেকাল করবেন সমগ্র মুসলিম জাহানের পরিচালনার ভার হযরত ঈসা(আঃ) এর উপর এসে পড়বে ।

এরপরে পরবর্তীতে বড় ফিতনা সেটা আবার আগামী দিনের আলোচনা করব

Read More>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *