" crossorigin="anonymous"> প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব। ও ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এর নাম করন 5 December 2023 - Sukher Disha...,এবং এই নামগুলো আটটি অক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে । প্রত্যেকটা দেশ পরপর নাম রাখতে পারবে ।

প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব। ও ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এর নাম করন 5 December 2023

ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় , ভূমিকম্প ইত্যাদি একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় । এই ঘূর্ণিঝড় ও ভূমিকম্পের কারণে মানকে অনেক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় । এই ঘূর্ণিঝড় ও ভূমিকম্প মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তোলে । ঘূর্ণিঝড় তো প্রাকৃতিক বিপর্যয় তবে এর নামকরণ কোথায় থেকে আসলো কারা নামকরণ করল

প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব। ও ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এর নাম করন 5 December 2023

এরই মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় অবস্থিত গভীর নিম্নচাপটি আরো পশ্চিম উত্তর-পশ্চিমে আস্তে আস্তে অগ্রসর হচ্ছে এবং আরো এগিয়ে হয়তো শেষ পর্যন্ত পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম – এ । দেশের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছে এই মিগজাউম ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানতে পারে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর বেশ কিছু জায়গায় । এই মিগজাউম ঘূর্ণিঝড়টি তার যে নিজস্ব গতিতে এগোচ্ছে তাতে অনুমান করা হচ্ছে এতে তেমন ভয়ের বা ক্ষতির কোন আশঙ্কা নেই । তবে এই ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের কারণে হয়তো সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা গুলিতে হালকা ঝড় ও ঘূর্ণিঝড় কিংবা হালকা থেকে থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে ।

এই হালকা ঝড় ও ঘূর্ণিঝড় গুলি বিশেষত বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ,উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল তীরবর্তী এলাকাগুলিতে হতে পারে । তাই এই সব তীরবর্তী এলাকার মাছ ধরা এবং সকল নৌজানকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে। 1 এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে ।প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব। ও ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এর নাম করন

প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব। ও ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এর নাম করন 5 December 2023

শীত আসতে শুরু করেছিল প্রায় অক্টোবরের শুরুর দিকে । কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে শীতের সম্পূর্ণ প্রভাব এখনো এসে পড়েনি । আবার এই দিকে ডিসেম্বরের ২৫ তারিখের পর দিন বড় হতে লাগবে । এবার হয়তো আর শীত তার তান্ডব আর দেখাতে পারবে না । তবে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা একটু আশার আলো দেখাচ্ছে এই নিম্নচাপটির কারণে ঝড়-বৃষ্টির শেষ হওয়ার পরে হয়তো শীত তার তান্ডব দেখাতে পারে বলে মনে করছে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা । তবে সেই তান্ডব দেখালেও তা আর বেশিদিন স্থায়ী হবে না । এইদিকে আবার শীত না আসার কারণে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে চাষিদের ।মিগজাউম তার তাণ্ডব ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছে ।

চেন্নাই সারারাত বৃষ্টির কারণে সাত জনের ইতিমধ্যে প্রাণ গিয়েছে । ট্রেন চলাচল বন্ধ । জাহাজ হেলিকপ্টার চলাতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে । সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা থেকে প্রায় সাত হাজার লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে । মিগজাউম আর কিছুক্ষণের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানবে বলে মনে করা হচ্ছে । ঘন্টায় 115 থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে বলে আগাম পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তামিলনাড়ুতে এই মিগজাউম এর কারনে রাস্তাঘাট প্রায় জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে । বেশ কিছু জায়গায় ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে । বাস ট্রেন অন্যান্য জান চলাচল প্রায় বন্ধ রাখা হয়েছে ।

প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব। ও ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এর নাম করন 5 December 2023

অতীতে কিন্তু এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ ছিল না । মানুষ জানতো না কোথায় কতটা কিভাবে ক্ষতি হয়েছে বা কতজন মরেছে । কিন্তু এখন মানুষ জানতে পারছে এই ঘূর্ণিঝড়ের আকামবার্তা । কতটা ক্ষতি হয়েছে এবং কতটা কতজন মরেছে এবং ঝড়ের গতিবেগ মানুষ জানতে পারছে । ঝড়ের কোন নাম না থাকার কারণে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে । ঘূর্ণিঝড় কোথায় থেকে তৈরি হলো এবং এর গতিবেগ কতটা এসব কিছু জানা যেত না । এই ঝড়ের নামকরণ কিভাবে হয় কারা দেয় এই নাম , এবং এই নামের মানেই বা কি দেখা যাক সাত থেকে আটটি দেশের সঙ্গে আলাপ আলোচনা ও সমন্বয় করে 2000 সাল থেকে ঝড়ের নাম দেওয়া শুরু করে বিশ্বের আবহাওয়া দপ্তর ।

প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসা ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব। ও ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম এর নাম করন 5 December 2023

এতে ঝড়ের উতপত্তিস্থল গতি প্রকৃতি , ধ্বংসের ক্ষয়ক্ষতি রেকর্ড থাকায় তা পরে জানানো সম্ভব হয়েছে । যেমন বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উতপত্তি ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে এই দেশ গুলা থাইল্যান্ড,বাংলাদেশ, ভারত পাকিস্তান, ইরাক, কাতার, ইয়ামিন সৌদি আরবিয়া । ঝড়ে যে নাম দেওয়া হবে তা আগে থেকেই বাছাই করে রাখা হয় । প্রত্যেকটা দেশের ১৩ টি করে নাম বাছাই করা থাকে ।169 নাম বিশ্ব আবহাওয়া দপ্তরের কাছে পাঠানো হয় । এবং এই নামগুলো আটটি অক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে । প্রত্যেকটা দেশ পরপর নাম রাখতে পারবে । ঝড়ে নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে ঝড়ের গতিবেগ হতে হবে ৬৩ কিলোমিটারের উপরে তাহলে ঝড়ে নাম দেয়া হবে । যে দেশে ঝড় আঘাত হানবে সেই দেশ সেই ঝড়ের নাম রাখতে পারবে ।

সেই হিসেবে এই মির্জাউন ঝড়ের নাম রেখেছে মায়ানমার। মিগজাউম শব্দের অর্থ শক্তি বা প্রতিরোধ । এই ঘূর্ণিঝড়ের পরে যে ঘূর্ণিঝড়টি হবে তার নাম রাখবে বাংলাদেশ । তথ্য অনুযায়ী এই নামটি আগে সিলেক্ট করা রয়েছে । সেই ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে বিপর্যয় । তারপরে যে ঘুম নাচা ঘূর্ণিঝড় হবে তার নাম রাখবে ভারত সেই ঘূর্ণিঝড় টি নাম হবে তেজ । এইভাবেই চলতে থাকবে ।

Read More>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *