" crossorigin="anonymous"> বাসর ঘরে যখন সুন্দরী বউ A wife is a good and priceless asset to a married man 2023 - Sukher Disha...,

বাসর ঘরে যখন সুন্দরী বউ A wife is a good and priceless asset to a married man 2023

একমাত্র মেয়েদের কারণে কত মানুষ তার আপনজনকে করেছে পর । আবার এই মেয়েদের কারণে কত পর হয়েছে আপন । কত প্রতিজ্ঞা হয়েছে ভঙ্গ । এই মেয়েরাই সমস্ত খরাপের মূল

বাসর ঘরে যখন সুন্দরী বউ A wife is a good and priceless asset to a married man 2023

আমরা প্রতিজ্ঞা করছি যে, আজ থেকে কেউ কোনো দিন কোনো প্রেম করবো না । কোন মেয়ে যদি আমাদেরকে প্রেমের অফার করে তবুও আমরা গ্রহণ করবোনা । কখনো কোনো মেয়ের দিকে ভুলেও তাকাবো না,সে যত সুন্দরই হোক না কেন । এবং সবসময় সিঙ্গেল থাকবো ও একা থাকার চেষ্টা করবো, সে যত কষ্টই হোক । কেউ যদি ভুলেও প্রেমে পড়ে যায় তাহলে তাকে আমাদের ফ্রেন্ড লিষ্ট থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হবে ।

শুধু ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে বাদ দিলেই হবে না তার সাথে দেখা করা উঠা বসা এমন কি তার সাথে কোথায় বেড়াতে যাওয়াও বন্ধ করে দিতে হবে । তার জন্য আমাদের তরফ থেকে কঠিন শাস্তি হলো তাকে ফেসবুক থেকে একদম ব্লক করে দিতে হবে ,যাতে ও আমাদের সাথে আর কোনদিন বন্ধুত্ব করতে না পারে । সবাই সব নিয়ম মেনে নিয়ে হাত মেলালো। সবাই বলতে আমরা কজন বন্ধু ।

রেনটু, আকবর,রবিন,ছোটন, আর হালিম মানে আমি । সেই ছোট্ট বেলা থেকেই আমাদের বন্ধুত্ব । রোজ বৈকাল বেলা ইস্কুল ছুটির পর সবাইকে এক জায়গাতে জড়ো হওয়া চাই। কখনো কেউ কাউকে ছেড়ে একা কোথাও বেড়াতে যাইনি । এমন কি কলেজের গন্ডি পেরিয়ে যখন সবাই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হলাম তখনোও আমরা এক সাথেই ছিলাম । এই ছিল আমাদের প্রতিজ্ঞা। সবাই কিন্তু ঠিক ঠাক আমাদের প্রতিজ্ঞা পালন করেছিল । অনেকদিন পেরিয়ে গেল কিন্তু আজ আমরা একসাথে নেই । নিশ্চুই একটা প্রশ্ন জাগবে কেনো একসাথে নেই.? সে ঘটনাই আজকে আপনাদের কে বলবো ।

by google image

আমাদের বন্ধু গুলির মধ্যে রেন্টূ হচ্ছে সহজ সরল সাদাসিদে হাবা গোবা একটি ছেলে । দেখতে শুনতে বেশ ভদ্র তবে একটু মোটাসোটা ও দামরা গরুর মতো মোটুরাম । বাপের একটা ছেলে তো খুব আদরেই থাকে । কোন কাজ কর্ম করেনা,আর কাজ করার দরকার ও হয়না । অনেক বড়োলোক এক বাপের এক সন্তান। তবে বেটা একটু লুইচ্ছা ধরনের । চোখে চশমা পড়ে । তাই তাকে সবাই একটু ভদ্র মনে করে । রাস্তায় কোনো মেয়ে দেখলেই এক দৃষ্টিতে হ্যাঁ করে তাকিয়ে দেখে । আর খুব অল্প সময়ের মধ্যে ফুল বডি স্ক্যান করে ফেলে। সেদিন মোড়ের কাছে আমাদের পাড়ার সেক্সী বৌদি রুপালির দিকে তাকিয়ে বৌদিকে দেখছিল।

আর বৌদির যা শরীর সব বয়সের পুরুষরাই বৌদিকে দেখে চোখ ফেরাতে পারে না । দুই সন্তানের মা হয়েও বৌদি এখন তার শরীরের গঠন ঠিক রেখেছে তা সত্যি ই ভাবার বিষয়। বক্ষ যুগল দেখলে মনে হয় যেন হিমালয় পর্বত দাড়িয়ে আছে,আর সেই পর্বতের উচ্চতা দিন দিন বেড়েই চলেছে । সত্যিই অসাধারণ । আর বৌদিও সবাইকে তার রূপ যৌবন দেখাতে পছন্দ করে । রেন্টু বৌদির দিকে তাকিয়ে বৌদির ফুল বডি স্ক্যান করছিল । বৌদি কেন রেন্টুকে জুতো মারলো সেটা রেন্টূ আমাদের কে এখনো বলেনি । তাই রেন্টূ এখন শোকে কাতর ।

আকবর – নামটা শুনে রাজা বাদশা মনে হলেও সালা একটা সেই লেভেলের ফকির । ফকির বললে ভুল হবে । ফকিরের চেয়ে বড় ফকির। কোন কিছু কাউকে দিতে পারে না। একাই সবকিছু খাওয়ার চেষ্টা করে । ফ্রেন্ডদের কে তো কখনো কিছু দেওয়ার কথা কোনদিন মুখেও আনেনি । বরং পেলে আরো চেটে পুটে খেয়ে আসতো । আমরা বাকি কজন কখনো তাকে ভাঙ্গাতে পারিনি । তবে আসলে আকবর কিন্তু টাকা আদায় করা ফকির না। আকবর দের অবস্থা খুব খারাপ তা নয় । আকবর এর বড়ভাই কানাডায় থাকে । কি একটা কোম্পানিতে বড়ও চাকরি করে ।

বাড়িতে সদস্য বলতে তার বৃদ্ধ আব্বা – মা,তার বৌদি আর আকবরের এক 3বছর বয়ষের এক ভায়পো থাকে । আকবরের ভাই তার সন্তান কে এখনো সামনা সামনি দেখেনি । দেখেছে মোবাইলের স্ক্রিনে । তার বৌদি ও পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব আকবরের উপর । আকবরের সাথে তার বৌদির ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্কের কথা তার পরিবারের কমবেশি সবাই জানে। কতবার যে তারা দুজনে এক বিছানায় মিলিত হয়েছে তা আকবরের হিসাবের বাইরে। আকবরের বৌদি এক সন্তানের মা ।

যেমন সুন্দর তেমনি তার শরীরের গঠন । তার দোহারা শরীর। তার বৌদির শরীরটার প্রতি সবারই লোভ হয় ।আকবর একবার তার বৌদির সাথে মিলনের ভিডিও আমাদের সবাইকে দেখায়। সে কি সিন , অর্ধ নগ্ন প্রায় বৌদির শরীর । এত সুন্দর দেখে তো সবাই অবাক । সত্যি অসাধারণ বৌদির নগ্ন শরীর। আমরা সবাই আকবর কে বলেছিলাম একবার বৌদির নগ্ন শরীর আমাদের কে দেখাতে হবে । তাই সে একদিন আমাদের সবাই কে ওর বাড়িতে নিয়ে যায় ।

দুপুর বেলায় বৌদি যখন বাথরুমে, আমরা তখন বাথরুমের দরজার সামনে । দরজার ফাঁক দিয়ে দেখলাম বৌদি বাথরুমে ঢুকেই তার শরীরের সমস্ত পোষাক খুলে একেবারে ল্যাংটো হয়ে গেল। বৌদি হয়তো আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিল আমরা তাকে লুকিয়ে দেখছি । তাই সে অন্য দিনের থেকে আজকে একটু বেশি সময় নিয়ে গোসল খানায় কি করছে কি জানি ।এসব দেখে আমরা মজা নিতে শুরু করলাম।বাসর ঘরে যখন সুন্দরী বউ A wife is a good and priceless asset to a married man 2023

রবিন আর ছোটন দুজনেই বড় লোক বাবার একমাত্র ছেলে । দেখতে অনেক সুন্দর ও হ্যান্ডসাম । তবে একটু লাজুক প্রকৃতির । মেয়ে পটাতে ভীষণ অস্তাদ । সরি ভুল বললাম । মেয়েরাই তাদেরকে পটানোর চেষ্টা করতো । ওরা দুজনেই ভালো গান গাইতে পার তো । সাথে ভালো গিটার বাজাতে পারে । এর জন্যই হয়তো মেয়েরা তাদেরকে দেখে ফিদা হয়ে যেত । কতো মেয়ে তাদেরকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় । কিন্ত আমাদের এই অসহায় বন্ধু গুলোর চাদমাখা মুখখান দেখে না বলে দেই । আসলে আমরাই তাদের কে প্রেম করতে দিয় নি । কারন আমদের একটা শপথ করা হয়েছে যেটা গল্পের শুরুতেই বিলেছি । আমাদের ও অনেক প্রস্তাব এসেছিল কিন্তু আমরা গ্রহন করিনি ।

এবার আমি – নিজের প্রশংসা নিজে বললে হয়তো অনেকেই বলবে বাড়িয়ে বলছি । তাই আপাতত কিছু বলছিনা । তবে এখন আগের থেকে অনেক ভালো হয়ে গিয়েছি । পড়াশোনা একদম শেষ করে অনেক সময় পেরিয়ে গেছে ।

বাসর ঘরে যখন সুন্দরী বউ How many men become cowards because of women 2023

এই হলো আমাদের চার বন্ধুর সম্পর্ক । এখন শহরের ব্যাস্ত নগরীর কোনো এক ফ্লাটে আমরা চার বন্ধু ভাড়া নিয়ে থাকি । অবিবাহিত ছেলেদের জীবন যেরকম কাটে আর কি, ঠিক সেভাবেই আমাদের দিনগুলো বেশ কাটতো । সারাদিন বাইরে ঘুরাঘুরি । মজ মাস্তি, আড্ডা আর সন্ধ্যা হলেই সব গুলা একসাথে জড় হয়ে মোবাইল ঘাটতাম। এই ছিলো আমাদের প্রতিদিনের কাজ । মনুষের মন কখনো আটকে রাখা যায়না । এবং সেটা সত চেষ্টা করলেও বেধে রাখা যায়না । আমাদের প্রিয় বন্ধু ছোটন । সে হলা বড় নিমক হারাম । তাকে সামনে পাইলে এখুনি কুপাইতাম ।

by google image

একদিন এক ঘটনা ঘটলো বন্ধু ছোটন অনেক আগে থেকেই একটা মেয়ের সাথে প্রেম করছে চুপি চুপি । সালা আমাদের কে কখনো বলেনি । বলবে কেমন করে সাহসটাই তো পায় নি । ঐ একমাত্র যে আমাদের প্রতিজ্ঞা ভেঙেছে।

ছোটন দেখি হাপাইতে হাপাইতে এসে রুমে ঢুকলো । সবাই দেখে অবাক.!

কিরে কি ব্যাপার কি হয়েছে তোর এভাবে হাপাইতে ছিস কেন?

ছোটন বললো না দোস্ত. আর বলিস না ভাই । আমি একটা বড়ো ভুল করে ফেলেছি । তোদের সাথে বেইমানি করেছি । তোরা আমায় মাফ করে দে । কাদো কাদো ভাবে বললো ছোটন ।

by google image

রেন্টূ বললো মামুর বেটা এই দিনদুপুরে কি তোরে জিনে ধরেছে নাকি । কি বেঈমানী করছিস আমাদের সাথে । খুলে বল দেখি এখন.?

দোস্ত আমি তোদের না জানি য়ে একটা মেয়ের সাথে প্রেম করছি । সেই কথা তোদের বলিনি কখনো । বললে তোরা আমাকে আস্তো রাখতি না । কিন্তু এখন একটা ঘটনা ঘটে গেছে ।

কি বলছিস তুই । এতো বড় বেঈমানী আমাদের সাথে আকবর বললো ।
ঐ বেটা থাম । আগে শুনতে দে কি হয়েছে । আমি বললাম তারপর কি হইছে বল ।

সবাই পড়ে গেলাম মহা ঝামেলায়। কি করবো ভাবতেছি । ভুল যেহেতু করছেই । তাই শাস্তি হিসেবে বিয়েটা করতে হবে তাকে । তবে আমাদের একটা সর্ত । বাসর ঘরে ঢুকেই পাচ মিনিটের মধ্যেই বের হয়ে আসতে হবে । এবং আমাদের সাথে আড্ডা দিতে হবে । কি করবি বল । বন্ধু ও আমরা সবাই রাজি । কাজি এনে বিয়ে পড়িয়ে দিলাম । ছোটনের বাড়িতে ফ্যামিলিকে বেপারটা খুলে বলার সাথে সাথেই রাজি হয়ে গিয়েছে ।

যেহেতু মেয়ে ভালো ও বড়োলোকের মেয়ে । বাপের অনেক সম্পদ । সেই হিসেবে বন্ধুর আজকে বাসর রাত । ছোটন ঘরে প্রবেশ করলো । আমরা নিচে অপেক্ষা করছি । তার জন্য যেহেতু কথা ছিলো বন্ধু পাচ মিনিটের মধ্যেই ঘর থেকে বের হয়ে এসে আমাদের সাথে আড্ডায় মেতে উঠবে ।

পাচ মিনিট গেলো । কুড়ি মিনট গেলো । এক ঘন্টা, দুই ঘন্টা গেলো । কিন্তু বন্ধু ঐ যে বাসর ঘরে ঢুকলো আর ফিরে এলো না । ছোটন ছিল একটা বড় বেইমান আর হারামি । সেদিন অনেক অপেক্ষা করার পর আমরা চলে আসলাম। তাকে এখন ফোন করেও আর আমাদের সাথে পাওয়া যায়না । বিভিন্ন অযুহাত দেখাই । সুন্দরী বউ পাইলে যেটা হয় আর কি ।

আমাদের প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী তাকে ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে ডিলেট করে দিলাম । এবং ব্লক । রবিন – প্রাইভেট ম্যাডামের কাছে এক্সট্রা টাইম পড়তো । মেডাম দেখতে সেই লেভেলের কিউট আর সেক্সি ছিলো । আগেই বলেছিলাম রবিনের উপর সব মেয়েরাই ক্রাশ খেতো । আর মেডাম কেনো বাদ যায় । তিনিও ক্রাশ খেলো রবিনের উপরে । রবিন এবার মেডামের সাথে পরোকিয়া করতে লাগলো । সরি পরোকিয়া বললাম এ কারনে । যেহেতু ম্যাডাম আমাদের বয়সের বড়। আর ম্যাডাম তখনো বিয়ে করেনি । তাই বড় হওয়ার কারনে পরোকিয়া বললাম ।

by google image

আপনারা আবার উল্টা পাল্টা বুঝবেন না । এই তো ছোটন পরোকিয়া করতে গিয়া বন্ধু আমার গেলো ফেঁসে । ম্যাডামের সাথে একদিন একা ঘরে মিসতে গিয়ে ম্যাডামের বাপের সামনে খেলো ধরা । তাই লোক লজ্জার ভয়ে বিয়ে পড়িয়ে দিল । বন্ধু আমার রাজি না হলেও বাসর ঘরে ম্যাডামকে দেখে খুশিতে আত্মহারা । যদিও ওর পালানোর প্লান ছিলো । সেক্সী ম্যাডামকে পেয়ে পালানোর কথা ভুলে গেলো । ঐ যে ঢুকলো বাসর ঘরে আর সারাদিন সারারাত বাইরে আসলোনা।

পরে দোস্ত কে জিজ্ঞাসা করলাম কিরে বন্ধু বাসর ঘরে কি আছে রে । যে একবার ঢুকে সে আর বের হইতে চায় না.? ছোটন বললো কে জানে রে দোস্ত ।
এই ভাবে ঐ একটাই কারনে আমাদের বন্ধুত্বের ইতি পড়লো । আমাদের দেওয়া প্রতিজ্ঞা সবাই আস্তে আস্তে অমান্য করতে লাগলো । এত সাধের আর এত দিনের বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে গেল

পরিশেষে।

একটা কথা বলবো যত বড়ই বাবু হোক ওর কাছে কাবু । এ কথাটা সবাই না মানলেও কিন্তু এটা অক্ষরে অক্ষরে অবশ্যই সত্যি ।একটা কথা বলবো যত বড়ই বাবু হোক বৌ এর কাছে কাবু । এ কথাটা সবাই না মানলেও কিন্তু এটা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি । কত পুরুষ বৌয়ের জন্য হয়ে যায় কাপুরুষ ।

Read More>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *