" crossorigin="anonymous"> বিশ্ব জগতের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম the great man 2023 - Sukher Disha...,

বিশ্ব জগতের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম the great man 2023

আদর্শ জাতি গঠনের জন্য প্রয়োজন আদর্শ ভিত্তিক শিক্ষা । মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে বিশ্বজনীন জাতি গঠনের উদ্দেশ্যেই মহান আল্লাহ তায়ালা এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন ।

বিশ্ব জগতের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম the great man 2023

ইসলাম মহান আল্লাহতালার মনোনীত একমাত্র জীবন আদর্শ বা ধর্ম । এ আদর্শের ভিত্তিতে মানবজীবন গঠনের এক সুমহান উদ্দেশ্যে আল্লাহ তায়ালা তার নবী রাসূলগণকে এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন । মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আদর্শের ভিত্তিতে মানব গোষ্ঠীর একটি বিরাট অংশকে নিয়ে গঠন করে তাকে পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন ।

শুধু মাত্র মানুষকে ইসলামের আদর্শ শিক্ষা দানের মাধ্যমেই তিনি এ বিরাট বিপ্লব এনেছেন । ইসলামী বিপ্লব ছাড়া বিনা বল প্রয়োগে শুধু শিক্ষা দানের মাধ্যমে পৃথিবীতে আর কোন বিপ্লব পৃথিবীর ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত । অশিক্ষা, অশিক্ষা ও মূর্খতার চরম অন্ধকারে নিপতিত একটি অধঃপতিত জাতিকে শুধুমাত্র আদর্শভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে একটি শ্রেষ্ঠতম জাতিতে পরিণত করে দেখিয়ে গেছেন ।

গঠন করে গেছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব গোষ্ঠী । এ ছিল একটি অনন্য আদর্শবাদী মানব সমাজ । কোন দিক থেকেই তাদের সাথে পৃথিবীর কোন মানব গোষ্ঠীর তুলনা হয়না । এখানে আমরা আলোচনা করে জেনে নিতে চাই যে, কোন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই অনন্য শ্রেষ্ঠ আদর্শ মানব গোষ্ঠীটি গঠন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

by google image


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিক্ষা নীতির কতিপয় দিক
মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ছিলেন আল্লাহ তায়ালার নবী ও রাসূল । সর্বশেষ নবী । নবুয়তি মিশনের সর্বশেষ আদর্শ । তারপরে এ বিশ্ব জগতে আর কোন নবী-রাসূলের আগমন ঘটেনি এবং ঘটবে না । তাই তার মাধ্যমে মহান আল্লাহ নবিয়তি মিশনের শিক্ষাকে পূর্ণতা দান করেছেন। এ কারণেই তার প্রদত্ত শিক্ষা কাঠামো ছিল সর্বাধ সর্বদিক থেকেই পূর্ণাঙ্গ ষোলকলায় সমৃদ্ধ সর্বাঙ্গীন সুন্দর ও পরিপাটি ।

তার শিক্ষা ব্যবস্থা বিনির্মিত হয়েছিল মানবজাতির ইহলোক ও পরলৌকিক মুক্তির উদ্দেশ্যে । তার শিক্ষা নীতি কোন বিশেষ জাতি গোষ্ঠীর জন্য নয় বরং বিশ্ব মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে রচিত হয়েছে । তা কোন বিশেষ যুগ বা কালের জন্য রচিত হয়নি বরং সর্বকালের সর্বযুগের মানুষের মুক্তির দিশা তাতে রয়েছে । তাই তার প্রদর্শিত শিক্ষা নীতি সর্বজনীন ও চিরন্তন । কিয়ামত পর্যন্ত এই চিরন্তন শিক্ষানীতির বিকল্প কোন শিক্ষানীতি মানবতার জন্য সর্বাঙ্গীন কল্যাণকর হবে না । তার দেয়া শিক্ষায় কেয়ামত পর্যন্ত মানুষের শাশ্বত ও সর্বজনীন শিক্ষা আদর্শ হিসাবে চিরন্তন হয়ে থাকবে ।

by google image


সেই আদর্শ শিক্ষানীতির মৌলিক উদ্দেশ্য গুলো নিম্নরূপ
1) জ্ঞানের মূল উৎস হলেন মহান আল্লাহ – রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শিক্ষানীতির প্রথম কথাই হলো জ্ঞানের প্রকৃত উতস হলেন মহান আল্লাহ সুবহানা তায়ালাই সমস্ত জ্ঞান বিজ্ঞানের মূল উতস ও প্রকৃত মালিক। আল্লাহ তায়ালা কুরআন মজিদে বলেন “কুল ইন্নামাল ইলমু ইনদাল্লাহি” হে নবী বলুন আল্লাহ সমস্ত জ্ঞানের মালিক অন্যত্র বলা হয়েছে “ওয়াল্লাহু আলিমুল হাকীম” অর্থাত আল্লাহ তায়ালা মহাজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাময় ।


প্রকৃতপক্ষে গোপন ও প্রকাশ্য দৃশ্য অদৃশ্য মুহূর্ত বিমূর্ত সবকিছুর জ্ঞান তো কেবল মহান আল্লাহর কাছেই রয়েছে । “হু আল্লাহ হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আলিমুল গয়বী ওয়াশ শাহাদাতি ” অর্থাত তিনিই মহান আল্লাহ যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহা নেই এবং যিনি দৃশ্য ও অদৃশ্য সমস্ত কিছুর জ্ঞানের অধিকারী ।

প্রকৃতপক্ষে মানুষ এতটাই সীমিত জ্ঞানের অধিকারী যে, তার(আল্লাহ তা’আলার) অসীম জ্ঞান সীমার নাগালের ধারে কাছেও পৌঁছানোর ক্ষমতা রাখে না । তবে তিনি ইচ্ছে করলে মানুষকে যতটুকু জ্ঞান দান করতে চান সে কেবলমাত্র ততটুকু জ্ঞানী অর্জন করতে পারে । মহান আল্লাহ বলেন তার জ্ঞাত বিষয়ের কোন কিছুই মানুষ নিজের আয়ত্তাধীন করতে পারে না তবে তিনি ততটুকু চান ।


মানুষদেরকে তিনি জ্ঞান দান করেন । তবে মানুষদেরকে তিনি অতি সামান্যতম জ্ঞানই দান করেছেন । কুরআনুল কারীমে বলা হয়েছে “তোমাদেরকে জ্ঞানের কোন অংশ দেওয়া হয়নি,তবে সামান্য মাত্র” । অতএব মানুষের জন্য কর্তব্য হল মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট জ্ঞান লাভের প্রত্যাশায় প্রার্থনা করা তারই শেখানো দুয়া দ্বারা । “বলো প্রভু আমাকে আরো অধিক জ্ঞান দাও” ।

মহান আল্লাহতালা সকল জ্ঞানের আধার আর মানুষ মহান সত্তার জ্ঞানের তুলনায় অতি সামান্য জ্ঞানী । মানুষের উচিত হবে যে, মহান আল্লাহ তায়ালার দেয়া জ্ঞানের ভিত্তিতে তাদের শিক্ষা নীতি বাস্তবায়ন করা । রাসূলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তারই জ্ঞানের উপায়ে শিক্ষা দিয়ে অন্ধকার আচ্ছন্নতায় ডুবে থাকা মানবতাকে আলোর সন্ধান দিয়ে তাদের জীবনকে আলোকময় করে তুলেছিলেন।

by google image


2) জ্ঞানের মূলসূত্র হচ্ছে ওহি বা নবুয়ত – জ্ঞানের মূল উতস হল আল্লাহ তায়ালা । আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত জ্ঞানই হচ্ছে প্রকৃত জ্ঞান । এই প্রকৃত জ্ঞান লাভ করা ছাড়া মানুষের পক্ষে প্রকৃত কল্যাণ ও মুক্তি লাভ সম্ভব নয় । আর আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে মানুষের জ্ঞান লাভের সূত্র হলো ওহি বা নবুয়ত । আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যুগে যুগে বিভিন্ন জাতির কাছে তাদের মধ্যে থেকেই কিছু কিছু ব্যক্তিকে নবী রাসূল নিযুক্ত করেছেন ।

তাদের কাছে তিনি প্রকৃত জ্ঞান অবতীর্ণ করেছেন । সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । তার মাধ্যমে তিনি মানবতার মুক্তির জন্য পূর্ণ জ্ঞান অবতীর্ণ করেছেন । যে পদ্ধতিতে নবী রাসূলগণের কাছে জ্ঞান অবতীর্ণ করা হয় তার পারিভাষিক নাম হল ওহী । হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ নবী-রাসূল হবার কারণে তার মাধ্যমে অবতীর্ণ শিক্ষা সংরক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালা নিজেই নিয়েছেন । এ শিক্ষা আমাদের কাছে দুই ভাবে সংরক্ষিত আছে ।

1) মহাগ্রন্থ আল কুরআনের মাধ্যমে । 2) হাদিসে রাসুল বা সুন্নতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে । কোরানুল কারীম সম্পূর্ণ নির্ভুল একটি গ্রন্থ । এক একটি শব্দসহ গোটা গ্রন্থটাই সকল ধরনের সন্দেহ সংশয়ের সম্পূর্ণ ঊর্ধ্বে । এর প্রতিটি বাক্য ও শব্দ হুবহু । আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে অবতীর্ণ ।
এ হচ্ছে জ্ঞানের সম্পূর্ণ নির্ভুল ও অনাবিল সূত্র । হাদিসে রাসূল মূলত কোরআন মাজীদেরই ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ । কোরানুল কারীম কে নবুয়াতি পন্থা ও দৃষ্টান্ত অনুযায়ী বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া হাদিসে রাসূলের মাধ্যমেই জানা সম্ভব

by google image

। তাই দুনিয়া ও আখেরাতের সর্বাঙ্গিক কল্যাণ লাভ করতে হলে মানুষকে অবশ্যই জ্ঞানের এই মূলসূত্রের দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে । এছাড়া বিকল্প নেই ।
কোরআনুল হাকিমে বলা হয়েছে “এই কুরআন তোমার কাছে ওহীর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে , যেন আমি এর সাহায্যে তোমাদের সতর্ক করতে পারি ।
অন্যত্র আল্লাহতালা বলেছেন “নিঃসন্দেহে তুমি এই কোরআন এক মহাবিজ্ঞ সর্ব জ্ঞানী সত্তার নিকট থেকে লাভ করেছো ।


কোরআন মাজিদের অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে “আল্লাহ তাআলা তোমার প্রতি কিতাব ও হেকমত নাযিল করেছেন আর তোমাকে এমন জ্ঞান শিক্ষা দিয়েছেন যা তোমার জানা ছিল না” কোরআনে আজিমে আরো বলা হয়েছে এই কোরআন সেই পথ প্রদর্শন করে যা সম্পূর্ণ সরল ও সোজা পথ । আর যারা একে মেনে নেয় তাদেরকে সুসংবাদ প্রদান করো ।


কোরআন নাজিলের মাসে বিশ্ব মানবতার জন্য হেদায়েতে ভরপুর কোরআনই হলো মূল শিক্ষা । আর তার থেকে শিক্ষা নেয় হলো মানবতার মূল কল্যাণ । আল্লাহ তায়ালা বলেন রমজান মাস এ মাসেই কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে । এতে গোটা মানবজাতির জন্য রয়েছে জীবনযাপনের বিধান এবং তা এমন সুস্পষ্ট শিক্ষাই পরিপূর্ণ যা সঠিক ও সত্য পথ প্রদর্শন করে ।
3) সত্যি কারের বা মূল শিক্ষক হলেন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- বিশ্ব মানবতার মহান শিক্ষক রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে শিক্ষাব্যবস্থা দিয়ে গেছেন, তার মূল শিক্ষক হলেন সাইয়েদেনা মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই । কি শিক্ষা দিতে হবে ? সেই শিক্ষা নীতিই বা কি হবে ? আর শিক্ষা ব্যবস্থাটা কেমন হবে ? কোন পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করতে হবে ?

এ সকল ব্যাপারে রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই হলেন মাহাত্ম্য আদর্শ । তিনি হচ্ছেন মহান আদর্শ শিক্ষক । তাকেই জীবনের সকল ক্ষেত্রে আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করতে হবে । তাই মুসলিমগণের শিক্ষার সকল দিক ও বিভাগের অনুসরণ করতে হবে তারই রেখে যাওয়া নীতি। আল্লাহ তায়ালা বলেন “তোমাদের জন্য আল্লাহ তায়ালার রাসূলের মধ্যে রয়েছে সর্বোত্তম নমুনা”। ঐ ব্যক্তির জন্য যে আল্লাহ তা’আলা ও পরকালের প্রতি আশাবাদী । তিনি শুধু নমুনায় নন বরং মুমিনগনের জন্য তার নমুনা গ্রহণ করা ব্যতীত অত্যন্ত নেই । জীবনের সকল কিছু গ্রহণ ও বর্জন করতে হবে কেবলমাত্র তারই শিক্ষার ভিত্তিতে ।


তাই কোরআন মাজিদ বলছে আল্লাহ তাআলার রাসূল তোমাদেরকে যা দিয়েছে তাই গ্রহণ কর আর যা বর্জন করতে বলে তা থেকে বিরত থাকো ।
অন্যত্র বলা হয়েছে হে নবী তাদেরকে বল তোমরা যদি সত্যিই আল্লাহতালার প্রতি ভালোবাসা পোষণ করো তবে আমাকেই অনুসরণ করো ।

অতএব মুক্তি ও কল্যাণের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রমাণিত বার রেখে যাওয়া আদর্শ শিক্ষা ব্যবস্থায় একান্ত কাম্য।
4) আল্লাহ তাআলার দাসত্ব ও মানুষের প্রতিনিধিত্ব নীতি শিক্ষা ব্যবস্থা– আল্লাহ তায়ালার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা যে মূল বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, তা হল মানুষ বিশ্ব জাহানের সৃষ্টিকর্তা, প্রকৃত মালিক ও পরিচালক এক লা শরীক মহান রব্বুল আলামীনের দাস। তার দাসত্ব করার জন্যই তিনি মানুষদেরকে সৃষ্টি করেছেন । আর তিনি তার দাস মানুষদেরকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তার প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব পালন করার জন্য । তাই মানুষ আল্লাহতালার প্রতিনিধিও বটে । আল্লাহ তাআলা বলেন আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার দাসত্ব করার জন্য।

এ দাস মানুষদেরকে পৃথিবীতে যে তার প্রতিনিধিও নিযুক্ত করবেন, একথা মানুষ সৃষ্টি করার প্রাক্কালেই বা প্রথমেই তিনি আল্লাহতালা ফেরেশতাদের জানিয়ে দিয়েছিলেন । কোরআন বলছে যখন তোমার প্রভু ফেরেশতাদেরকে বলেছিলেন পৃথিবীতে আমি প্রতিনিধি বানাবো ।
মানুষের মধ্যে আল্লাহ তায়ালার দাসত্ব ও প্রতিনিধিত্ব করার চেতনা জাগ্রত করে দিয়ে তাকে মহান আল্লাহতালার সত্তিকারের দাস ও প্রতিনিধি হিসেবে গড়ে তোলাই হলো এই শিক্ষা নীতির মূল কথা । আর এটাই হচ্ছে মানুষের জন্য প্রকৃত ও সত্যিকারের মর্যাদা । তাই নবুয়াতি শিক্ষা নীতির উদ্দেশ্য হল আদর্শ নাগরিক তৈরি নয় মূলত আদর্শ মানুষ তৈরি করা ।

Read More>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *