" crossorigin="anonymous"> মুসলিমদের কেন নতুন বছর পালন করা নিষেধ চলুন দেখি Muslims are very good and the best nation 2024 - Sukher Disha...,

মুসলিমদের কেন নতুন বছর পালন করা নিষেধ চলুন দেখি Muslims are very good and the best nation 2024

মহান রাব্বুল আলামিন মানুষ কে সমস্ত মাখলুকের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ করে পাঠিয়েছেন । আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের মনোনীত ধর্ম ইসলাম । ইসলামের ছায়াতলে যারা আশ্রয় নিয়েছেন তাদেরকে মুসলিম বলা হয় । মুসলিম কখনো নিজের ইচ্ছায় চলতে পারেনা যা খুশি তাই করতে পারে না ।

মুসলিমদের কেন নতুন বছর পালন করা নিষেধ চলুন দেখি Muslims are very good and the best nation 2024

যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ৭৫ বছর ধরে ফিলিস্তিনিদের উপর শোষণ-নিপীড়ন করে আসছে, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে একজন মুসলমান উদযাপন করবে!

দীন ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন আদর্শ। অতীতের সকল মতবাদ, বিধান ও জাতীয় আদর্শকে রহিত করে ইসলাম এসেছে। ইসলাম তার অনুসারীদেরকে এই অনুমতি দেয় না যে, তারা রহিত মতবাদের অনুসারীদের অনুকরণ করবে। শুধু তাই নয়, অন্যদের অনুকরণ আত্মমর্যাদাবোধেরও পরিপন্থী।

যেভাবে প্রতিটি জাতির ও প্রতিটি মতবাদের মৌলিক কাঠামো পৃথক, তেমনিভাবে এর আকৃতি-প্রকৃতির একটি ভিন্নরূপ রয়েছে। পৃথিবীতে প্রকাশ্য আকার-আকৃতি, প্রকৃতি ও বেশভূষা পৃথক বৈশিষ্ট্যের মাধ্যম। এসবের ভিত্তিতেই জাতি ও সম্প্রদায় পারস্পরিকভাবে সামাজিকতা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে আলাদা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পরিগণিত হয়। যখন কোন সম্প্রদায় অন্য সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণ গ্রহণ করে, আকার-আকৃতি ধারণ করে, তখন তাদের নিজস্ব জাতীয়তা ও আদর্শ ভূলুণ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য যে, নিজ জাতীয় আদর্শ এবং ব্যক্তিত্বকে অন্য জাতীয় আদর্শ ও ব্যক্তিত্বের নিকট বিসর্জন দেয়া আত্মমর্যাদাবোধের পরিপন্থী।

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ মতবাদ। এর আকীদা-বিশ্বাস ও ইবাদতের ক্ষেত্রে স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে ইসলাম কোনো কিছুর অধীন ও অনুসারী নয়। তেমনিভাবে
ইসলামের সামাজিক বিধান, সংস্কৃতিও স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এক্ষেত্রে সে কারও অধীন বা অনুগামী নয়।

কোন বৃটিশ জেনারেল জার্মানী বা রুশ ইউনিফরম ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা দিবে। কেননা, জার্মানী ও রুশ বৃটিশের শত্রু। কিন্তু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কি এই ঘোষণা দেয়ার অধিকার নেই যে, আল্লাহর দুশমনদের বেশভূষা অনুকরণ করা অপরাধ? যারা আল্লাহর দুশমনদের অনুকরণ করবে, নিঃসন্দেহে তারাও আল্লাহর দুশমন হিসেবেই গণ্য হবে। এজন্যই ইসলাম তার অনুসারীদেরকে বিজাতীয়দের অনুকরণ করার অনুমতি দেয় না, যেন তারা তাদের সাথে সম্পৃক্ত না হয়ে যায়।

এই বাস্তবতাকে উপলব্ধি করে বিবেচনা করুন। ইতিহাস যাচাই করলে দেখা যায় যে, থার্টি ফাস্ট নাইট বা বর্ষবরণ পালন করা মুসলমানদের কোনো উৎসব নয়, বরং এটি বিজাতীয় বিধর্মীদের একটি উৎসব। তাই থার্টি ফার্স্ট নাইট পালন করার অর্থ হলো বিজাতীয় বিধর্মীদের অনুসরণ, অনুকরণ করা। অথচ ইসলাম হল একটি পরিপূর্ণ দ্বীন।

মুসলিমদের কেন নতুন বছর পালন করা নিষেধ চলুন দেখি Muslims are very good and the best nation 2024

যে খ্রিস্টান সাম্রাজ্য মহানবি সা. এবং তাঁর আনীত ইসলাম ধর্ম নিধনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল, সেই নবীর উম্মত মুসলমান হিসেবে খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে উদযাপন করবে!

যে খ্রিস্টান সাম্রাজ্য ইসলামী খেলাফত ধ্বংসে সবসময় তৎপর ছিল এবং আছে, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে একজন মুসলিম হয়ে উদযাপন করবে!

যে পাশবিক খ্রিস্টান স্পেনের মুসলমানদেরকে ধর্মান্তরিত করতে বাধ্য করেছিল, মুসলমান হিসেবে সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে উদযাপন করবে!

যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামী খেলাফত ধ্বংস করে জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহকে বিভক্ত করে অসহায় করে রেখেছে, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে উদযাপন করবে!

যে ব্রিটিশ খ্রিস্টান সাম্রাজ্য ভারতে মুসলিম শাসন ছিনিয়ে নিয়ে ইসলামকে নিঃশেষ করার জন্য হাজার হাজার আলিমকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে ছিল, বিতাড়িত হবার সময় হিন্দু-মুসলিম বিভেদ সৃষ্টি করে ভারতকে টুকরো এবং অশান্ত করে রেখেছিল, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট মুসলমান কিভাবে উদযাপন করবে!

যে রুশ নিরীহ আফগান আর চেচনিয়ার উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল এবং এখনো চেচনিয়াকে অধীনস্থ করে রেখেছে, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে উদযাপন করবে!

যে আমেরিকা তালেবানদের ইসলামি হুকুমত ধ্বংস করার জন্য নিরীহ আফগানদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে উদযাপন করবে!

মুসলিমদের কেন নতুন বছর পালন করা নিষেধ চলুন দেখি Muslims are very good and the best nation 2024

যে ফ্রান্সের স্বার্থান্বেষীরা আফ্রিকার মুসলমানদেরকে গোলাম বানিয়ে রেখেছে, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে উদযাপন করবে!

যে আমেরিকা মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, লেবানন সহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানদের উপর শোষণ-নিপীড়নের মাধ্যমে তাদের শান্তি ছিনিয়ে নিয়েছে, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে উদযাপন করবে!

মানবাধিকারের স্লোগানধারী যে ব্রিটেন-আমেরিকা ৭৫ বছর ধরে ফিলিস্তিনিদের উপর শোষণ-নিপীড়নের ক্ষেত্রে ইসরায়েলের প্রধান সহায়তাকারী, সেই খ্রিস্টানদের কালচার থার্টি ফার্স্ট নাইট কিভাবে সে উদযাপন করবে?

সুতরাং সকল মুসলমানদের এই সমস্ত বিজাতীয় বিধর্মীদের সংস্কৃতির অনুসরণ থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য।

হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “প্রত্যেক জাতির নিজস্ব ঈদ (খুশী) রয়েছে। আর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা হল মুসলমাদের ঈদ।” (বুখারী ও মুসলিম)

অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুসরণ করবে, সে সেই জাতির অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ)

মহান আল্লাহ বলেছেন

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, আমি তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি যথাযথভাবে, এর পূর্বের কিতাবের সত্যায়নকারী ও এর উপর তদারককারীরূপে। সুতরাং আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তুমি তার মাধ্যমে ফয়সালা কর এবং তোমার নিকট যে সত্য এসেছে, তা ত্যাগ করে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। তোমাদের প্রত্যেকের জন্য আমি নির্ধারণ করেছি শরীআত ও স্পষ্ট পন্থা। (সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াতঃ ৪৮)

আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘যে ব্যক্তি ইসলাম (ইসলামি রীতিনীতি) ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের অনুসরণ করবে, কখনো তার সেই আমল গ্রহণ করা হবে না। আর পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ৮৫)

সুতরাং মুমিন-মুসলমান কখনো বিজাতীয় সংস্কৃতিতে নিজেকে জড়াতে পারে না। কেননা, বিজাতীয় সংস্কৃতি বা উৎসব যদি কারো ভালো লাগে, তবে সে মুমিন হতে পারবে না। হাদিসে এসেছে-
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যদি তুমি খারাপ কাজ করলে তোমার খারাপ লাগে, আর ভালো কাজ করলে ভালো লাগে, তবে তুমি মুমিন। কিন্তু যদি খারাপ কাজ করলে ভালো লাগে আর ভালো কাজ করলে খারাপ লাগে, তবে মুমিন হতে পার না।’ (মুসলিম)

Read More>>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *