" crossorigin="anonymous"> রাসূল (সাঃ) উম্মতের ভালোবাসা the great man 2023 - Sukher Disha..., মক্কা বিজয়ের দিন হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তার বৃদ্ধ ও অন্ধ বাবাকে নিয়ে আসছেন আল্লাহর রাসূলের কাছে । হে আল্লাহর রসূল এ আবু কুয়াফা আমার বাবা । ইসলাম গ্রহণ করবে তাকে মুসলমান বানান। আল্লাহর রাসূল বললেন কেন তুমি এই বুড়া মানুষকে এত কষ্ট করে নিয়ে আসছো ।

রাসূল (সাঃ) উম্মতের ভালোবাসা the great man 2023

মক্কা বিজয়ের দিন হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তার বৃদ্ধ ও অন্ধ বাবাকে নিয়ে আসছেন আল্লাহর রাসূলের কাছে । হে আল্লাহর রসূল এ আবু কুয়াফা আমার বাবা । ইসলাম গ্রহণ করবে তাকে মুসলমান বানান। আল্লাহর রাসূল বললেন কেন তুমি এই বুড়া মানুষকে এত কষ্ট করে নিয়ে আসছো ।

রাসূল (সাঃ) উম্মতের ভালোবাসা 2023

তাকে বাড়িতে রাখতে আমি তার কাছে যেতাম । হযরত আবু বকর বলেন না আপনি আল্লাহর রসূল । আমার পিতা হলেও সে আপনার কাছে আমার আসার বেশি উপযোগী । যখন আল্লার রাসুল সাঃ উনাকে ইসলাম গ্রহণ করাচ্ছেন, তো হযরত আবু বক্কর এর চোখ থেকে ঝরঝর করে পানি পড়ছে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করেন এ আবু বক্কর আজকে তো তোমার খুশির দিন ।

তোমার পিতা এতদিন পরে ইসলাম গ্রহণ করছে তুমি, আজকে খুশি না হয়ে কাঁদো কেন । হযরত আবু বকর তখন বলেন আমি এইজন্যে কাঁদছি আজ অনেক আসা,নিরাসা,ও কষ্টের পরে যে মানুষটা ইসলাম গ্রহণ করছে এই হাতটা যদি আমার পিতার না হয়ে আপনার চাচা আবু তালেব এর হতো তাহলে আপনি বেশি খুশি হতেন । সেই খুশিটা আপনাকে করাতে পারি নাই এই দুঃখে আমি কাঁদছি ।

কিরকম ভালোবাসা রাসূলের জন্য । রাসূল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওহুদের যুদ্ধে বা বদরের যুদ্ধে বের হলেন । মদিনা বাঁশি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর সাথে ওয়াদা করেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই হি ওয়া সাল্লামকে সমস্ত শত্রু থেকে রক্ষা করবে । কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই হি ওয়া সাল্লাম বাইরে গিয়ে কারো উপর আক্রমণ করবে একথা মদিনা বাসীদের সাথে রাসুলের বাইয়াতে আকা বাইয়ের অঙ্গীকারে ছিল না ।

তো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম সমস্ত সাহাবায়ে কেরামকে একত্রিত করেছেন । বলছেন পরামর্শ দাও আমি কি করবো । আমি বাইরে গিয়ে আবু সুফিয়ান সহ কাফেরদের দলকে আক্রমণ করব কি করব না । আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বললেন অবশ্যই করবেন । রাসূল তার জন্য দোয়া করলেন এবং ভালো বললেন । তারপর হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বললেন তারপর বলেছেন আরো পরামর্শ দাও ।

by google image

রাসূল (সাঃ) উম্মতের ভালোবাসা 2023

মেকয়াদ ইবনু আশাজেত উনিও মুহাজির, উনি দাঁড়িয়ে বলছেন হে আল্লাহর রসূল , আমরা বনি ইসরাইলের মত বলবো না । বনী ইসরাঈল যখন মুসা আলাইহিস সালাম কে বলেছিল যুদ্ধের সময়, জান আপনি এবং আপনার রব আপনি এবং আপনি ও আল্লাহ দুজনেই গিয়ে যুদ্ধ করেন আমরা এখানে বসে রইলাম আমরা যুদ্ধ করবো না । মেকয়াদ ইবনু আশাজেত বলেন যে, আমরা বনি ইসরাইলের মতো বলবো না ।

বরং হে আল্লাহর রাসূল আমরা আপনার সাথে যুদ্ধ করব আপনি যদি আমাদের সকলকে বারকুল গামাত স্থানে অনেক দূরে ,কয়েকশো মিটার দূরে ,এমনকি হাজার কিলোমিটার দূরে ওখানেও যদি আমাদেরকে আক্রমণের জন্য নিয়ে যান তবুও আমরা সবাই আপনার সাথে যুদ্ধ করব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই হি ওয়া সাল্লাম খুশি হয়ে গেলেন । তারপরও বলেছেন আরো পরামর্শ দাও আরো পরামর্শ দাও।

সাদ ইবনু ওয়াজ (রাঃ)দাঁড়িয়ে গেলেন ও বললেন আমাদেরকেই মনে হয় আপনি বুঝাচ্ছেন ? আনসাররা কি বলে সেটা শুনতে চাচ্ছেন । আমি আনসারদের পক্ষে বলছি,হে আল্লাহর রাসূল আমরা আপনার উপর ঈমান এনেছি, আর আপনাকে আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি,আর আমরা এটাও সাক্ষী দিচ্ছি যে আপনি সত্য । এটা শুধু মুখে বলেনি এখন কাজ দ্বারা প্রমাণের সময় এসেছে এবং আমরা সেটাও করব । আমাদের সম্পদ আপনার সামনে আছে । যে সম্পদ আপনার লাগে আপনি নেন আর যেটা আপনি আমাদের জন্য রাখতে চান রাখেন ।


কিন্তু এটা আপনি জেনে রাখেন হে আল্লাহর রাসূল যে, সম্পদ আপনি আমাদের কাছে রেখে যাবেন তার চেয়ে যে সম্পদ আপনি আমাদের কাছ থেকে নিবেন সেটাই আমাদের কাছে বেশি প্রিয় । আপনি আমাদের সম্পদ নিয়ে নেন এটাতে আমরা খুশি । সাদ ইবনু মুয়াজ(রাঃ) কি বলেছেন ? এই যে আমাদের জান আপনার সামনে আপনি যদি আমাদেরকে নিয়ে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন তখন সবাই আমরা আপনার সাথে সমুদ্রে ঝাঁপ দিব । কেউ আমরা পিছনের দিকে তাকাবো না । আপনার সঙ্গে সবাই আমরা সমুদ্রে ঝাঁপ দিব । আপনি যদি আমাদেরকে বারকুল গামাদে নিয়ে যান সবাই আমরা আপনার সাথে যুদ্ধ করব ।

এগুলো মুখে বলছেন আর এখন কাজে কর্মে দেখাচ্ছেন। রাসূল (সাঃ) এর সাথে তারা যুদ্ধ করেছেন ।
ওহুদের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বের হয়েছেন । যুদ্ধের জন্য 950 জন সাহাবায়ে কেরাম ও সেনাদল নিয়ে উহুদের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বের হয়েছেন । আর বিপরীত কাফেরদের সংখ্যা 3300 । আবার তাদের সেনা দল ছিল সুসজ্জিত এবং অস্ত্রে সজ্জিত । যখন ওহুদের কাছাকাছি পৌঁছান তখন মুনাফিক আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই বলেন, আমরা আপনার জন্য কেন জীবন দিব । আমাদের জীবনের দাম আছে । আমরা আপনার সাথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না ।

by google image


আব্দুল্লাহ ইবনেও উবাই বলেন আমি চলে যাচ্ছি আর উনার নেতৃত্বে ৩৫০ জন মুনাফিক ফিরে গেল । বাকি আছে মাত্র ৬৫০ জন । তখন সাহাবায়ে কেরামের মনোবল ভেঙ্গে পড়েছে । কাফেরদের সৈন্য সাড়ে তিন হাজার আর আমাদের ৬৫০ জন কি করে মোকাবেলা করব । তারপরও সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম যুদ্ধ করে গেছেন । রাসুল সাঃ যুদ্ধের জন্য জাবালে রুমাত পাহাড়ে কিছু সাহাবায়ে কেরামকে রাখলেন ।

তাদেরকে বললেন তোমরা এখানে থাকবে । আমরা জয়ী হই অথবা পরাজিত হই তোমরা এই জায়গা ত্যাগ করবে না । হযরত আনাস (রাঃ) আনহা বলেন তারপর আমাদের ওহুদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে । আমরা যখন যুদ্ধ শেষ করছি কাফেররা আমাদের কাছ থেকে উটের দুধ দোয়ানোর সময় অর্থাত একবার উটের দুধ দেয়ালে আর একবার দুধ দোয়াতে ঘন্টাখানেক সময় লাগে অর্থাত ঘন্টাখানেক সময়ের মধ্যে পরাজিত হয়েছে ।

আর মুসলমানরা জয় লাভ করে। এই অবস্থা দেখে যারা জাবালে রুমাত পাহাড়ে ছিল তারা বলে মুসলমানেরা তো জয়লাভ করেছে , তাই উনাদের মধ্যে থেকে অনেকে নিচে নেমে আসলো । কিন্তু জিনি সেনাপতি ছিলেন সেই হযরত আব্দুল্লাহ বিন জুবায়ের বলেছেন না রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন সর্ব অবস্থায় আমাদেরকে এখানে থাকতে আদেশ করেছেন । কিন্তু উনার কথা কেউ শুনেননি ।

অনেকেই চলে আসলেন মাত্র ৬ ৭ জন সেখানে ছিলেন । কাফেররা এ অবস্থা দেখে পিছন থেকে খালেদ ইবনে ওয়ালিদ এ নেতৃত্বে আবার আক্রমণ করল । ওই ছয় সাতজনকে প্রথমে হত্যা করার পর মুসলমানদের উপর আক্রমণ করল । এদিক থেকে যখন আক্রমণ করে তখন অন্যপাশের কাফেররা সামনে থেকে আক্রমণ করে । এভাবে কাফের শত্রুরা দুই পাশ দিয়ে আক্রমণ করে । আর আক্রমণের মূল টার্গেট হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই হি ওয়া সাল্লাম কে যখন তারা পায় তখন তারা সবাই মিলে রাসুল সাঃ এর উপর আক্রমণ করে।

ইবনে কামিয়াব আমি একজন কাফের তলোয়ার নিয়ে রাসূল সাঃ এর উপর আক্রমণ করে একপর্যায়ে রাসুল সাঃ এর মাথায় আঘাত করে । রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথায় যে বর্ম ছিল , লোহার যে টুপি ছিল সে টুপির আংঠা রাসুল সাঃ এর গালের মধ্যে ঢুকে যআয় । আর ঢুকে যাবার পর সেখান থেকে রক্ত বের হচ্ছে । আর দূরে ওই পাশ থেকে যারা খালেদ ইবনে ওয়ালিদ এর নেতৃত্বে আসছিল তারা তীর মারছে ।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর এরকম মরুভূমি আক্রমণ দেখে সকল সাহাবায়ে কেরাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ঘিরে ফেলে । তার মধ্যে তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ রাসুল (সাঃ) এর সামনে এসে দাঁড়িয়ে যান । রাসুল (সাঃ) এর সামনে এসে দাঁড়িয়ে শত্রুপক্ষ যত তীর নিক্ষেপ করছে তার যতটি রাসুল সাঃ এর দিকে আসছে এসব তির হযরত আবুতালহা(রাঃ) বুকে বৃদ্ধ হচ্ছে । ওই তীরের আঘাতের ফলে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক পর্যায়ে একটি গর্তের মধ্যে পড়ে বেহুশ হয়ে যান ।

যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হুঁশ ফিরে তখন তালহা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর পাশ দিয়ে একটু মাথা উঁচু করে দেখছিলেন যে কি অবস্থা । তালহা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বললেন হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)আপনি মাথা উঁচু করবেন না মাথা নিচু করে রাখেন । আপনার গায়ে হয়তো কোন তীর লেগে যাবে । সমস্ত তীর আমার বুকে লাগবে , আমার গলা আজ আপনার গলা রক্ষার জন্য ঢাল হিসাবে সমর্পণ করছি।


হযরত তালহা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু নিজের জীবনের জীবন উতসর্গ করলেন । তিনি বলেন আমার গলা আমার বুক আপনার জন্য ঢাল স্বরূপ থাকবে । আর আপনি পিছনে থাকেন । হযরত তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ এর বুকে তীর নিক্ষেপ হচ্ছে আর উনি তীর মারছেন এবং প্রতিরোধ করছেন । আবু দুজনা নামক আরেকজন সাহাবী আরেকপাশ থেকে এসে উনার পিঠ পেতে দিয়েছেন। যত আঘাত করছে যত তলোয়ার আসছে আর যত তীর আসছে সব উনার পিঠের উপর পড়ছে । রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আগলে ধরে রাখছেন ইবনু কাব একজন মহিলা সাহাবী ।

তার ছেলে ইবনু আম্মারা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা কে নিয়ে যুদ্ধে এসেছিলেন তিনি পানি এনে দিবেন এবং অসুস্থ ব্যক্তির শুশ্রূষা করবেন এইভেবে । কিন্তু যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর এরকম আক্রমণ দেখছেন তখন উনি উনার ছেলেকে নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বাঁচাতে চলে আসেন । হযরত উম্মে আম্মারা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা তলোয়ার নিয়ে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করছেন আর ওনার ছেলেকে বলেন হে ছেলে দাড়াও আর এই যোদ্ধাদেরকে সরাও এই কাফেরদের উপর হামলা করুন আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিছনে থেকে সরে যেও না। তখন উনি শত্রু যেদিক থেকে আসছিল তাদের উপর তলোয়ার চালাচ্ছেন ।

এমন সময় উনার উপর কাফেরদের পক্ষ থেকে একটা আক্রমণ আসলো । এই আক্রমণের এক পর্যায়ে হযরত উম্মে আম্মারা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা দেখছেন তার ছেলে হযরত আমপারা রাদিআল্লাহু তা’আলা আনহু আহত হয়ে জমিনে পড়ে আছেন । জমিনে পড়ে থাকা তার ছেলেকে বাঁচাতে যাবে । না তিনি রাসুল সাঃ কে ছেড়ে যান নাই । তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর পাশে দাঁড়িয়ে তার ছেলেকে কখনো বলছে হে ছেলে তুমি দাঁড়াও যে ছেলে, তোমার জীবন দিয়ে রাসুল সাল্লালাহু আলাই সাল্লাম বাঁচাও । তোমার দেহে যতটুকু শক্তি আছে তা দিয়ে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বাঁচাও । আর তিনি তার তলোয়ার দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আপ্রাণভাবে চেষ্টা করছে বাঁচানোর ।


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত উম্মে আমারা (রাঃ) এর অবস্থা দেখে কি বলেছেন ? হে উম্মে আমারা তুমি আজ যা করছ এরকম কেউ করতে পারবে না । এ অবস্থায় যখন কাফেরদের আক্রমণ কিছুটা কমে তখন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনভাবে একটু উঠে পাশে একটি পাহাড় ছিল সে পাহাড়ের উপর উঠতে চেষ্টা করেন। একটু নিরাপদ স্থানে উঠতে চাচ্ছেন কিন্তু রাসূল সাঃ এতটা আহত ছিলেন যে ওখানে তিনি উঠতে পারছেন না ।

হযরত তালহা (রাঃ) যিনি জখমে জখমে জর্জরিত, রক্তাক্ত উনি নিচু হয়ে গেলেন, বা মাথা নিচু করলেন আর বললেন হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনি আমার পিঠে পা দিয়ে ওখানে ওঠেন । রাসুল সাঃ এর এমন অবস্থা যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারায় বর্মের দুটি আংটা ঢুকে আছে। মালেক ইবনু সিনান(রাঃ) রাসুল (সাঃ) এর কাছে এসে দেখেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর আংটা বের করতে হবে ।

নাহলে রক্ত পড়তে পড়তে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মারা যেতে পারেন। সবাই আলোচনা করে অবশেষে মালিক ইবনু সিনান (রাঃ) তার দাঁত দিয়ে আংটা টা আস্তে আস্তে বের করতে থাকেন যাতে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর বেশি আহত না হন ।ধর্মের আং কাটা এত গভীরে প্রবেশ করছিল যে সেটি বের করতে গিয়ে আরও দুই তিনটি দাঁত মোবারক নবীজির শহীদ হয়ে গেল অবশেষে নবীজির মাথা থেকে সে আংটিটা বের করলেন ।

by google image

সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) নিজেদের জীবন দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এভাবে রক্ষা করেছেন । আজ আমাদের এই রাসূলকে রক্ষা করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম হয়তো কবর থেকে বারবার ডাকছেন হে উম্মত এখনো আমাকে গালি দেয় তোমরা কি করো ।তোমরা কি দেখছো না আমার কোরআনের উপর মানুষের আক্রমণ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে মানুষের তিরস্কার ও সমালোচনা ।

আর আমরা নবীদের উম্মত হয়ে ঘরেই বসে থাকি । নবীজির হাদিস আল্লার কোরআনকে রক্ষা করা তো দূরের কথা তাদের হুকুম পালন করতে পারে না । আর নামাজ তো পড়তেই পারি না , পড়ার চেষ্টাও করি না । অথচ নবীজি নামাজের বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন । নবীজির উম্মত হিসাবে আমাদের উচিত প্রতিটি সময় প্রতিটি পদক্ষেপে তার হুকুম মেনে চলা এবং আল্লাহর হুকুম মেনে চলা।

Read More>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *