" crossorigin="anonymous"> শয়তান ও মানুষকে দেওয়া তার কু মন্ত্রণা the great man 2023 - Sukher Disha...,

শয়তান ও মানুষকে দেওয়া তার কু মন্ত্রণা the great man 2023

‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা’ বাগধারা টা শুনেছেন নিশ্চয়। সমজাতীয় জিনিস কে ঘায়েল করতে, আয়ত্তে আনতে সমজাতীয় জিনিসকেই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা।আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, শয়তানের কাজ কী ? হয়ত সোজাসাপ্টা উত্তর দেবেন যে, আমাদেরকে গুনাহ করানো, আমাদেরকে পথ ভ্রষ্ট করে জাহান্নামে নিয়ে যাওয়া।

শয়তান ও মানুষকে দেওয়া তার কু মন্ত্রণা the great man 2023

বস্তুত সবসময় তা কিন্তু নয়। মাঝে মাঝে শয়তান আমাদের সওয়াবের কাজও করায়, সঠিক পথও দেখায় যদি সেখানে তার স্বার্থ থাকে। কারণ লাভ ক্ষতির হিসেবটা সে আমাদের থেকে বেশি ভাল বোঝে।

আদম সন্তানকে কেবলমাত্র গুনাহ করানোই তার উদ্দেশ্য নয়। মাঝে মাঝে যদি গুনাহ না করাতে পারে, তখন তার চেষ্টা সওয়াব কম করানো। সেক্ষেত্রে সে পূণ্যের সুরত ধরে, নিজেই পরহেজগার সেজে এসে ধোঁকা দেয়।

একবার হযরত উমর (রাঃ) গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন আছেন। এমন সময় হঠাত এক বৃদ্ধ লোক এসে ডাক দিয়ে বলেন, হে উমর ! তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠ। ফজরের নামাজের সময় পার হয়ে যাচ্ছে।হযরত উমর (রাঃ) জানতে চাইলেন, তুমি কে? বৃদ্ধ বেশ ধারী শয়তান উত্তর দিলেন, আমি শয়তান ! তখন হযরত উমর (রাঃ) বললেনঃ আচ্ছা, তোমার কাজতো মানুষকে ধোঁকা দিয়ে নামাজ কাযা করানো। আর তুমি কিনা আমাকে নামাজের জন্য ডাকছো। ঘটনার হেতু কি ?

বৃদ্ধ বেশধারী শয়তান উত্তর দেয়- উমর, অনেক দিন চেষ্টা করে গতকাল তোমাকে ফজরের নামাজ কাযা করাতে সক্ষম হই। কিন্তু তুমি ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়ে কান্নাকাটি করে আল্লাহ্’র কাছে ক্ষমা চেয়েছ। আল্লাহ্ তোমার নামাজ কবুল করে তোমাকে আরো দশগুণ সওয়াব বেশি দিয়েছেন! কিন্তু আমি চাইনা তুমি দশগুন সওয়াব পাও, আগে যা পাচ্ছিলে তাই ভাল, এজন্যই তোমাকে ফজরের নামাজের জন্য ডেকেছি।

by google image

শয়তান ও মানুষকে দেওয়া তার কু মন্ত্রণা the great man 2023

আরেকটা ঘটনা।

এক লোক একবার অনেক ভোরে মসজিদে যাচ্ছিলেন। বৃষ্টি হচ্ছিল, তিনি একধার দিয়ে যেতে যেতে আচমকা ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেলেন। বাসায় এসে তিনি আবার পোশাক পরিবর্তন করে বের হলেন। আবার একই ঘটনা ঘটল।
আবার তিনি বাসায় এসে পোশাক পরিবর্তন করে মসজিদের দিকে রওনা দিতে যাচ্ছেন এমন সময় এক লোক ছাতা হাতে এসে বলল, চলুন আপনাকে এগিয়ে দিই। আমি শয়তান। আমিই বার বার আপনাকে ফেলে দিচ্ছিলাম, কিন্তু তবুও আপনাকে মসজিদে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারিনি। আল্লাহ প্রতিবারে আপনাকে কয়েকগুণ সওয়াব বাড়িয়ে দিয়েছে। চলুন আপনাকে এগিয়ে দিয়ে আসি।

হ্যা ভাইরা, এটাই শয়তান, যখন সরাসরি পথভ্রষ্ট বা গুনাহ করাতে পারবেনা, তখন চেষ্টা করবে বেশি নেকির বদলে কম নেকি পাওয়াতে।

সে যদি হজরত উমর (রাঃ) এর মত কঠোর ব্যক্তিত্ব কে ধোঁকা দেবার চেষ্টাও না ছাড়ে সেখানে আমাকে আপনাকে ধোঁকা দেওয়া তো তার জন্য পানির এর মত সহজ।

আপনার সাথে কি এমন হয় যে,

অনেক সময় দেখবেন, ইউটিউবে কোন ওয়াজ, ইসলামী বয়ান দেখতে বা ইসলামিক লেকচার শুনতে এতই ; এতই ভাল লাগে যে হয়ত আজান হয়ে যাচ্ছে, মসজিদে যেতে ইচ্ছে করছেনা। মনে চিন্তা আসে যে পরে বাড়ীতেই পড়ে নেব।যেটা দেখছি সেটা আগে শেষ করি।

কিংবা অনেক সময় কোরআন তিলাওয়াত করতে করতে দেখবেন এতটাই মজে গিয়েছেন, যে আজান হচ্ছে, নামাজের ওয়াক্ত পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু আপনি কোরআনই পড়ে যাচ্ছেন।আসলে এবার কোরআন তিলাওয়াতের সময় শয়তান আপনাকে জ্বালানো ছেড়ে দিয়েছে, কারণ কোরআন নফল ইবাদাত আর নামাজ হলো ফরজ ইবাদাত।

অনেক সময় বাস্তবে বা ফেসবুকে দাওয়াত দিতে আপনার এতই ভাল লাগবে, আগ্রহ আসবে যে নিজের ইলম অর্জনে বেখেয়াল হয়ে যাবেন। অনেক সময় প্রসিদ্ধতার আকাঙ্খাও চলে আসে।

এভাবে শয়তান কাঁটা দিয়ে কাটা তোলার খেলাটা খুব সুন্দর ভাবেই পারে। যেমন একজন পরহেজগার ছেলেকে প্রথমেই হুট করে সে পথভ্রষ্ট করতে পারবে না। শয়তান খুব ধৈর্য্যশীল, প্রথমে একটু শয়তানি ঢুকাবে, তারপর আরেকটু, তারপর আরেকটূ এইভাবে সম্পূর্ণ চরিত্র নষ্ট করা পর্যন্ত। পরহেজগার কাউকে ঘায়েল করার জন্য সে পরহেজগারিতাকেই হাতিয়ার বানাবে।

by google image

যেমন একজন পরহেজগার ছেলে, হয়ত এখনও ঈমানে সম্পূর্ণ প্রবেশ করেনি, কিন্তু চেষ্টারত আছে। শয়তান তো বুঝে গেছে এর ঈমান একেবারে নষ্ট করা যাবেনা। শয়তান তখন তাকে ঘায়েল করতে কি হাতিয়ার ইউজ করবে? যুবকদের ফিতনায় ফেলতে তার বড় দুইটি অস্ত্র নারী এবং মিউজিক। আজকের যুগে হাতিয়ার হিসেবে এই দুইটাই যথেষ্ট।

শয়তান তাকে প্রথমে কোন মেয়েকে পছন্দ করাবে, তারপর যখন সেই ছেলের মনে হবে এটা পাপ হচ্ছে, আমি নামাজ কালাম পড়ি, তখন শয়তান এসে মনকে বলবে,আরে নামাজ পড়ছো সো হোয়াট? গার্লফ্রেন্ড থাকতেই পারে। গার্লফ্রেন্ডকেও দ্বীনের দাওয়াত দাও, সাথে দিলেরও। একটা মেয়ে তোমার প্রভাবে যদি দ্বীনের পথে আসে ক্ষতি কী?

আর একাকটু গান শুনলে কিছু হয়না। তুমি তো আর সব সময় শুনছ না! আচ্ছা মিউজিক ছাড়াই শোনো। তারপর আসতে আসতে মিউজিক সহ শুনিয়ে ছাড়বে। আস্তে আস্তে এমন গানে আসক্ত করে দেবে যে গান আপনার ঈমানও নষ্ট করতে পারে।

by google image

কিংবা একজন সাধারণ পরহেজগার মেয়েদেরকে এভাবে ওয়াসওয়াসা দিবে,
আল্লাহ তোমাকে কত সৌন্দর্য দিয়েছেন তোমাকে আর তুমি তা ঢেকে রাখছ! তাছাড়া হিজাব করেও তো সাজগোজ করা যায় নাকি ? হিজাব করেও পয়লা বৈশাখ, ভ্যালেন্টাইনস ডে পালন করা যায়। মন পরিষ্কার তো সব পরিষ্কার।

চুলটা ঢাকা থাকলেই হবে। এতই পর্দা পালন করতে চাইলে, মাথায় একটা হিজাব জড়িয়ে নাও।দ্যাটস এনাফ। তাছাড়া মুখ ঢাকা ফরজ না, দেখেছ না কোরআনে বলেছে, যে স্বাভাবিক দৃশ্যমান সৌন্দর্যটা প্রকাশ করা যাবে? হিজাব করে লিপস্টিক ফেইস পাউডারও দেওয়া যাবে।

কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডের ব্যাপারে, শয়তানের কুমন্ত্রণা গুলো এমন,হিজাব ও পর্দা করে ফ্রিমিক্সিং পরিবেশে নারী পুরুষ কাঁধে কাঁধমিলিয়ে চাকরি করা যায়, কতজনই তো করছে। তুমি শিক্ষিত মেয়ে, গৃহিনী হতে পড়াশোনা করেছ? তাছাড়া তোমাকে সবার সমান হতে হবে।এরা ইসলামের নামে তোমাকে গৃহবন্দী করে রাখতে চায়। খাদিজা (রাঃ) কি ব্যবসা করেননি?

অথচ এসব শয়তান ও তার অনুসারী সেক্যুলারদের ধোঁকায় পড়ে আমাদের বোনেরা এটা ভুলে যায় যে, খাদিজা (রাঃ) ঘরে থেকে ব্যবসা করেছিলেন, শুধুমাত্র বিনিয়োগ করে, ঘরে বসে ব্যবসা পরিচালনা করেছেন।

আর ইসলাম নারী-পুরুষের সমানাধিকার দেয়নি, চায়ওনি। কোথাও কোথাও পুরুষকে বেশি দিয়েছে কোথাও কোথাও নারীকে। আল্লাহ তায়ালা জানেন কে কোনটার উপযুক্ত। নারীর যেমন আলাদা মর্যাদা, পুরুষেরও তেমনই আলাদা মর্যাদা। জোর করে যেমন নারী নারিত্বের গুণেই সেরা, আর পুরুষের পুরুষত্ব তার পরিচয়। নারীকে আল্লাহ তায়ালা আলাদা সম্মান দিয়েছেন। স্ত্রীর সার্টিফিকেটই স্বামীকে যোগ্য স্বামী হিসেবে প্রমাণ করে। কন্যা সন্তান জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যম। অন্যদিকে পুরুষ নারীর পরিচালক।পুরুষের হাতেই থাকবে খিলাফত, ইমামত ও কর্তৃত্ব।

by google image

কিন্তু শয়তান আমাদের দ্বীনি বোনদের ঈমানের সামান্য দুর্বলতার সুযোগ গ্রহণ করে তাকে ফেমিনিজম আদর্শ ধারণ করিয়ে ছাড়ে।

ভার্চুয়ালি শয়তানি ধোঁকা গুলো এমন যে, ফেসবুকে অকারণ গাইরে মাহরাম এর সাথে অকারণ চ্যাটিং এর সময়,আরে চেহারা তো দেখতে পাচ্ছোনা, কথা তো বলাই যায়! হুজুর টাইপ ছেলেদের কে সে নিকাবী বোরকাওয়ালা দ্বীনি বোন দ্বারা এবং হুজুরনীদেরকে দাড়িওয়ালা নুরানী দ্বীনি ভাই দ্বারা ক্রাশ খাওয়াবে।

রমজান মাসে ফ্রি মিক্সিং ইফতার পার্টি বড় রকমের নেক সুরতে শয়তানি ধোঁকা। ইফতারই তো ! ইফতারের মত মর্যাদা। অথচ এসব পার্টিতে মারাত্মকভাবে পর্দা লংঘন হয়৷ শারীরিক, মৌখিক ও পাশাপাশি বসার। গাইরে মাহরাম চেহারা দেখে, কথা বার্তা হয়, পাশাপাশি সামান্য দূরত্বে বসা হয় – এই বিষয়গুলো শয়তান ভুলিয়ে দেয়, কারণ সে তখন দ্বীনি লেবাসে এসব করছে।

মূলত শয়তান যখন দেখবে আপনাকে কোন ব্যাপারে ধোঁকা দিতে পারছেনা, তখন সে এমন ভাবে ব্যাপারটা উপস্থাপন করবে যে, আপনার কাছে তা অনেক পূণ্যের কাজ মনে হবে যে আরে ! আসলেই তো আমি তো ভাল কাজই করছি। ইসলাম এত কঠোর না। অথচ এখানেই শয়তানের সফলতা। ব্রেইন ওয়াশ সম্পন্ন। এবার সে আস্তে আস্তে আপনার মধ্যে পুরো শয়তানিটা ঢুকিয়ে আপনাকেও শয়তান করে ছাড়বে। প্রথমে একটু, তারপর আরেকটু এভাবে সম্পূর্ণ ভাবে আপনার চরিত্র নষ্ট করা পর্যন্ত।

নেক সুরতে শয়তানি ধোঁকার আরো কিছু যথাযোগ্য উদাহরণ হলোঃ

বিয়ের উদ্দেশ্যে প্রেম করা, ওয়াসা দেয় এভাবে যে আরে তোমরা তো বিয়ে করবে, একটু পরস্পরকে চেনা জানা করে দরকার তো ! সারাজীবন একসাথে থাকার জন্যই এটা খুবই প্রয়োজন !

কিংবা, তোমাদের প্রেম তো খারাপ না, অপবিত্র না, তোমরা তো শুধু কথা বলো আর ম্যাসেজিং করো, দেখা তো করোনা তাই কোন গুনাহ নেই!

গার্লফ্রেন্ডকে পর্দা করার দাওয়াত দেবে/ বয়ফ্রেন্ডকে নামাজের দাওয়াত দেবে। এতে দোষ কী ? আল্লাহর পথেই তো ডাকছ !

মন পরিষ্কার তো সব পরিষ্কার। মন পরিষ্কার থাকলে পোশাক গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটাও মারাত্মক ভুল ছাড়া আর কিছু নয়।

আল্লাহ ক্ষমাশীল, এখন পাপ করে নাও পরে তাওবা করে নিও। আবার পাপ করার পর যখন বান্দা তওবা করতে যায় তখন শয়তান বলবে, পাপ করে কোন মুখে আল্লাহর কাছে মাফ চাও?

ছেলে ক্লাসমেটরা ভাই এর মত, মেয়ে ক্লাসমেটরা বোনের মত, নিয়ত ঠিক থাকলে অবশ্যই বন্ধুত্ব সম্ভব ইত্যাদি। এসব কারণে দেখা যায় পাঞ্জাবি পরা দাড়িওয়ালা ভাইয়েরা এবং বোরকা পরা বোনরাও আজকাল ফ্রিমিক্সিং এ ইনভলভড। ভালোর ধোঁকা খেয়েছে।

by google image

খিলাফাত কে ভুলিয়ে দিয়ে ইসলামী গণতন্ত্র নামের জোকস্ এর বিধান চালু করা।

খুব সাবধান ভাই ও বোনেরা ! হয়ত আপনি সদ্য দ্বীনের পথে চলতে শুরু করেছেন। অতীতের অনেক জাহেলিয়াতি ছেড়ে এসেছেন। এখন শয়তান জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে, যে আপনাকে পথভ্রষ্ট করতে নিজের সাধ্যের সর্বোচ্চটুকু চেষ্টা করবে।

বিসমিল্লাহ বলে মদ খেলেও তা যেমন হারাম, হারাম পথে অবৈধ উপার্জন করে সে অর্থ হালাল কাজে দান করলেও যেমন কোন সওয়াব নেই উপার্জন হারাম, তেমনি শয়তানের সুরত বা বেশ যতই নেক হোক না কেন, শয়তান তো শয়তান ই। একটু বুদ্ধি প্রয়োগ করুন, আপনি কি করতে যাচ্ছেন তাকে শরীয়াহ এর ফিল্টারে ফেলে যাচাই করুন।

এই শয়তান আমাদেরকে ফাঁসিয়ে দিয়ে কিন্তু ভবিষ্যতে পুরো পালটি খেয়ে যাবে। আল্লাহ তায়ালা সেই চিত্র আগেই আমাদের সামনে ফাঁস করে দিয়েছেন যাতে আমরা সতর্ক হই, যেমন শয়তান সেদিন বলবে,”নিশ্চয় আল্লাহ্ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভতর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহ্’র শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।”

(সূরা ইব্রাহীমঃ ২২)

শয়তান মানুষের চিরশত্রু। মানব সৃষ্টির সূচনা থেকেই মানুষ ও শয়তানের মধ্যে এই শত্রুতা চলে আসছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত তা থাকবে। এ ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে,’নিশ্চয় শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু’।

(সূরা বাকারাহঃ ১৬৮)

আমরা যেন শয়তানের নেক সুরত দেখে তার ধোঁকায় না পড়ি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের শয়তান এর সকল ধরণের শয়তানি থেকে হেফাজাত করুন।আউজুবিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রজিম।

Read More>>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *