" crossorigin="anonymous"> The great সৌদি আরবের বিলাসবহুল শহর জেদ্দা 29 October 2023 - Sukher Disha...,

The great সৌদি আরবের বিলাসবহুল শহর জেদ্দা 29 October 2023

আজ আপনার আপনাদেরকে নিয়ে যাব লোহিত সাগরের তীরে জেদ্দা শহরের মনমুগ্ধকর রাস্তা ও রাতের আলোয় এই শহরকে কেমন লাগে এছাড়াও এই শহর সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য যা হয়তো আপনাদের জানা ছিল না ।

The great সৌদি আরবের বিলাসবহুল শহর জেদ্দা 29 October 2023

জেদ্দা শহর সৌদি আরবের পশ্চিম দিকে লোহিত সাগরের কিনারায় অবস্থিত । এর মধ্যে এখানকার গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে তিহামা একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর । কিন্তু আমাদের ভারতবর্ষের প্রচুর হাজী সাহেব যান জিনারা শিক্ষিত ও জ্ঞানী তিনারাও বলেন এটাকে আরব সাগর কিন্তু আসলে এটা আরব সাগর নয় এটা হল রোহিত সাগর তিরে অবস্থিত ।


এই শহরটি আপাতত মক্কার সর্ববৃহত ও সৌদি আরব আমিরাতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর । লোহিত সাগরের উপর অবস্থিত সর্ববৃহত সমুদ্র বন্দর এখানে অবস্থিত । এখানকার জনসংখ্যা প্রায় ৫০ লক্ষ । এই বন্দরটি সৌদি আরবের উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত । আমাদের দেশ ভারতবর্ষের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার থেকে এই জেদ্দা শহর বেশ কিছুটা ছোট ।

আমাদের মুর্শিদাবাদের মোট আয়তন 5324বর্গ কিলোমিটার যা 2056 বর্গমাইল আর জেদ্দা শহরের আয়তন 3000 বর্গ কিলোমিটার যা ১০০০ বর্গমাইল । তাহলে বুঝা গেল আমাদের মুর্শিদাবাদ জেলার থেকে এই জেদ্দা শহর বেশ কিছুটা ছোট বা ১০০০ বর্গমাইল ছোট । জেদ্দা শহরের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৪৫ লক্ষ ওখানকার জনগণনা অনুসারে । আর আমাদের মুর্শিদাবাদের জনসংখ্যা প্রায় ৭২ লক্ষ্য।The great সৌদি আরবের বিলাসবহুল শহর জেদ্দা 29 October 2023

by google image

The great সৌদি আরবের বিলাসবহুল শহর জেদ্দা 29 October 2023


এখানে অনেক দর্শনীয় স্থান আছে যেগুলো সত্যিই দেখার মত এবং মনমুগ্ধকর । এগুলো যে কতটা সুন্দর তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, নিজের চোখে না দেখলে সে সৌন্দর্য বোঝাও যায় না । এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে আপনাকে সেখানে যেতেই হবে । জেদ্দা শহরের রাতের যে মনমুগ্ধকর পরিবেশ রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে কিছুদূর যেতেই চোখে পড়ল একটি ফোয়ারা যা এতটা সুন্দর আমার মনে হয় আমাদের ভারতবর্ষে কোথাও নেই আর থাকলেও তা খুবই নগণ্য ।

এই ফোয়ারাটি দেখতে দেশ-বিদেশ থেকে অনেক পর্যটক আসে এখানে ।একটু দুরেই আছে একটি সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা যেখানে মানুষ বিশেষ করে তাদের একঘেয়েমি কাটানোর জন্য বা বলা যায় হাওয়া খাওয়ার জন্য এখানে আসে । এটি আসলে একটি জেটি । এই রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে অনেক কিছুই চোখে পড়ার মতো দৃশ্য । দুই দিক দিয়ে রাস্তা মাঝে কিছুটা ফাঁকা জায়গা এই ফাঁকা জায়গার মধ্যে অসংখ্য নারিকেল গাছ দাঁড়িয়ে আছে । যেগুলো সবুজ এবং সতেজ ।

কিন্তু সেই নারিকেল গাছগুলোতে নারকেল নেই । হয়তোবা এখনো নারিকেল ধরার মতো তাদের সবাই হয়ে ওঠেনি । কিংবা এখানকার সরকার হয়তো নারকেল ধরার আগেই সেগুলো নষ্ট করে দেয় । রাস্তার অ্যাক্সিডেন্টের ভয়ে ।

by google image


সৌদি আরবের কোথাও কোন রাস্তায় কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ নেই । এখানে ট্রাফিক পুলিশের কাজ করছে ওই রাস্তার লাইট গুলো । কখনো তারা সবুজ হচ্ছে আবার কখনো লাল হচ্ছে । ট্রাফিক পুলিশ না থাকলেও এখানে কোন এক্সিডেন্টের ভয় নেই । ওই লাইটগুলোই নির্দেশেই সবাই রাস্তা পারাপার করছে ।

আর আমাদের ভারতবর্ষে এক একটা করে কিংবা রাস্তার শেষে এক জায়গায় চার পাঁচ জন করে দাঁড়িয়ে থাকে তবুও আমরা তাদেরকে মানতে নারাজ, হয়তো একটু সুযোগ পেলেই বেরিয়ে যাব । কিন্তু এখানে একজন ট্রাফিক পুলিশ ও নেই তবুও কিন্তু কেউ একটু সুযোগ পেলে বেরিয়ে যাব এরকম অনুভব কারণেই এখানে শুধুমাত্র লাইট আছে আর ক্যামেরা আছে । আর এই ক্যামেরা ও লাইটের ভয়ে সবাই ভীতু , এই ট্রাফিক সিগন্যাল ভঙ্গ করে তাহলে প্রায় চার হাজার দেয়াল জরিমানা করা হয় । যা আমাদের ভারতের টাকায় প্রায় এক লাখের সমান ।

by google image


এবং এই জরিমানা নেয়ার জন্য কিন্তু ওখানে কেউ পুলিশ আসে না , এই ট্রাফিক সিগন্যাল ভঙ্গ করলেই তার মোবাইল একটি মেসেজ চলে যাবে , এবং এই জরিমানা অবশ্যই দেয়া লাগবে ।


এই রাস্তা গুলো চলতে চলতে দেখা যাচ্ছে মাঝে মাঝেই একটু একটু করে উঁচু আসলে এগুলো সবই স্পিড ব্রেকার্ , আসলে এগুলো আমাদের ভাষায় বাম্পার বলে থাকি । এগুলো আমাদের ভারতবর্ষের মত নয় । এগুলো খুবই স্মুথ এবং হালকা আর আমাদের ভারতবর্ষের গুলো অনেক উঁচু যেগুলো আমাদের মাজা ভাঙ্গার মত অবস্থা হয়ে যায় ।

by google image


রাস্তায় চলার সময় দুই দিকের উঁচু উঁচু অট্টালিকায় বিভিন্ন রকম আলো সাজানো রয়েছে । এক একটা বিল্ডিংয়ে এক এক রকমের আলোকসজ্জা । এই দৃশ্য সত্যিই মনমুগ্ধকর ।
সমুদ্র সমুদ্রের তীরে অবস্থিত জেটি, এখান থেকেই সমুদ্রের ভয়ংকর রূপ সেটাও দেখতে পাওয়া যায়, ভয়ংকর বললে ভুল হবে আসলে এটা মনমুগ্ধকর ।

এত কাছ থেকে সমুদ্র দেখার মজাটাই আসলে আলাদা । আপনাদেরকে যে ফোয়ারার কথা বলেছিলাম সেটাও তো দেখা যাচ্ছে এখান থেকে । এই ফোয়ারাটির উচ্চতা 1225 ফুট প্রায় । একটা বাড়ির উচ্চতা হয় ১০ থেকে ১২ ফিট । আর এই ফোয়ারাটির উচ্চতা ১২২৫ পিট । তাহলে বুঝতে পারছেন কতটা উঁচু । ওখানে এমন একটা মেশিন লাগানো আছে সেই মেশিনটাতে এত উপরে পানি তুলতে পারছে এটা খুবই আশ্চর্যের বিষয় । সব থেকে আশ্চর্যের বিষয় হল রাতের বেলায় যখন ঝর্ণা টা চালু হয় তখন ওর পানির সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন রকমের লাইট জ্বলতে শুরু করে । যা দূর থেকে খুবই সুন্দর দেখায় ।

by google image

এবার আমরা যাব সেই বীচের দিকে । আসলেই বীচ টা এত সুন্দর না দেখলে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না । আসলে এটা যে একটা জেটি তা মনেই হয় না । এই রাস্তা দিয়ে সমুদ্রের অনেক দূরে যাওয়া যায় ।
এই জায়গাটা এতই সুন্দর এখানে কেউ ইচ্ছা করেও কোন ময়লা ফেলে না । ময়লা ফেলার ডাস্টবিন আছে ওখানেই সবাই ময়লা ফেলে ।
যাইহোক এইরকম সুন্দর জায়গা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেখা যায় । কিন্তু একটা সমস্যা যেটা হচ্ছে টাকার । এই টাকার জন্যই এইসব সৌন্দর্য থেকে মানুষ বঞ্চিত রয়েছে ।

Read More>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *