" crossorigin="anonymous"> Good হজ্ব ইচ্ছা বা সংকল্প করা 21December 2023 great - Sukher Disha...,

Good হজ্ব ইচ্ছা বা সংকল্প করা 21December 2023 great

বারান্দায় বসে ধ্যান করে উঠে খবরের কাগজটা মুখের উপর ধরলেন মনসুর আলী । সকালে এক ঘন্টা এসে ধ্যানে বসেন রোজ । মনসুর আলী রোদ্দুর হতে পেরেছিলেন । শিশুদের মধ্যে জ্ঞানের আলো জ্বালানোই ওর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল ।

হজ্ব ইচ্ছা বা সংকল্প করা 21December 2023

প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক মনসুর আলীরে হাত ধরে বছর বছর শত শত বিদ্যার্থী পাস করে এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে এক সময় । দুবছর হল উনি অবসর গ্রহণ করেছেন । অবসর গ্রহণের পর মনসুর আলী বাড়িতেই অবৈতনিক স্কুল খুলেছিলেন । কিন্তু সেভাবে ছাত্র না আসায় বন্ধ করতে হয়েছিল ।
খবরের কাগজের প্রথম পাতায় চোখ বুলিয়ে,বলে খবর তো নয়, বিজ্ঞাপনে ভর্তি । পুরোটা একটু পরেই পড়বো বলে,
সালেহা আমায় আর এক কাপ চা করে দেবে ?

সালেহা বললো এইতো সবে চা খেলে ? আমি আর পারিনা বাপু । এখন তোর টিফিনটা করব, মমতাজকে স্কুলে নিয়ে যাব । আমারও তো বয়স হচ্ছে । তোমার আচরণ ভাব ভঙ্গিমা দেখে মাঝে মধ্যে মনে হয় বয়স তোমার একারই বাড়ছে । একটু তেই দু এক কথায় ঝামেলা শুরু । দিনরাত দুটির সাথে ঝামেলা । আবার একজনকে ছাড়া অন্যজন অচল ।
মনসুর আলী ও সালেহা বিবির ৩৫ বছরের সংসার । পরিবারের একমাত্র উপার্জন ছেলে মনসুর । সুন্দরী এবং গুণী সালেহা অতি অল্প দিনের মধ্যেই শ্বশুরবাড়ির সকলের মন জয় করে নেয় । সকলের যেন চোখের মনি হয়ে উঠে সালেহা ।

তিন বছরের মাথায় তাদের একমাত্র সন্তান লুতফা আসে । কনভেন্টে পড়া মেয়ে লুতফা নিজ বুদ্ধিমত্তায় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির উচ্চপদে আসীন হয়ে পরবর্তীতে আমেরিকাতে পাড়ি দেয় । বিদেশিকে বিয়ে করে আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে গিয়ে বৃদ্ধ মা বাবার আর খোঁজখবর রাখে না। আজ আর কোন যোগাযোগও নেই । পরিবারের মানুষজন কমতে কমতে একদম তলানিতে এসে পৌঁছেছে । এখন সংসারে কর্তা গিন্নি আর ছোট ভাগ্নি মমতা ছাড়া আর কেউ নেই ।

by google image

হজ্ব ইচ্ছা বা সংকল্প করা 21December 2023

  মমতাজ মনসুর আলীর বোনের মেয়ে ।  মালদার কাছে এক গ্রামে ওর বিয়ে হয়েছিল। মমতাজের একটা ছোট্ট ভাই ছিল । ওদের বিশাল আমবাগান ছিল । পারিবারিক ঝামেলায় ওদের জমি আর আমবাগান হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল । এক জল ঝড়ের রাতে ওর বাবা মাকে মেরে ফেলেছিল ওর নিজের কাকারাই । আলমারির পিছনে লুকিয়ে সাত বছরের মেয়েটা দেখেছিল সেই ঘটনা যা আজও ওর স্বপ্নে ঘুরে ঘুরে আসে । ছোট ভাইকে তুলে নিয়ে গেছিল কাকারা । ও  কিছুই করতে পারেনি। তারপর ওর জায়গা হয় আমার কাছে । ভাইকে আর দেখতে পাইনি কখনো ।

 রাগে গজগজ করতে করতে এই নাও তোমার চা বলে,অকালে বাবা-মা মরা মমতাজকে হাতে ধরে হাঁটতে হাঁটতে সালেহা বিবি গ্রামের শেষ প্রান্তে গজিয়ে ওঠা বিশাল প্রসাদ সমূহ ইংরেজি মিডিয়ার স্কুলে পৌঁছে দিতে চলে যায় । যদিও বাড়ি থেকে স্কুলে দূরত্ব খুব একটা বেশি নয়, মমতাজ একা একা যেতে পারবে। কিন্তু কেউ ঠিক করে জানে না যে কি গূঢ় রহস্যময় কারণে সবারই বাড়ির অভিভাবকেরা তাদের স্থলে মেয়েদেরকে স্কুলে পৌঁছে দেয়। তাই মমতাজ কেউ তারা পৌঁছে দেয় । মনসুর আলী হিসেব করে দেখে সালেহার স্কুল থেকে ফিরে আসতে মিনিট কুড়ি লাগবেই । বাড়িতে কেউ নেই বিছানার তলা থেকে এস বি আই ব্যাংকের পাস বইটা আস্তে আস্তে টেনে বের করে ।

 মনসুর তারপর একটু উপস্থিত বুদ্ধি করে জানালার দিকে উঁকি মেরে কেউ ধারে পাশে নেই এটা নিশ্চিত হয়ে দড়ি বাধা মোটা কাঁচের চশমাটা চোখে দিয়েই ব্যাংকের পাস বইটা হাতে নিয়ে ভালো করে উল্টাপাল্টা দেখে । মনে মনে বলে আর মাত্র 10000 টাকা । তারপর তার কয়েক বছরের ইচ্ছা পূরণ হবে । সে হজ্জ যাত্রা করতে পারবে । তার আর কোন চিন্তা নেই বলেই আবার যথাস্থানে ব্যাংকের পাস বইটা রেখে দরজার দিকে তাকাতেই দেখে সালেহা চৌকাঠে ধরে মূর্তির মত দাঁড়িয়ে আছে । সালেহা তার স্বামীকে উদ্দেশ্য করে কৌতুহল দৃষ্টিতে বলে হ্যাঁ গো, তুমি কি সত্যি হজ করতে যাবে ।
by google image

হ্যাঁ যাবো , দুঃখ ও আনন্দের সাথে বলে মনসুর ।
কিছু কিছু তীর্থস্থান এই ধরাধামে আছে । ধার্মিকদের দৃঢ় বিশ্বাস সেখানে একবার পৌঁছাতে পারলে তার স্বর্গের প্রবেশদ্বার কেউ রুদ্ধ করতে পারে না । প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক মনসুর আলীও অন্য আর পাঁচ জন সাধারণ মানুষের মতোই সেই বিশ্বাসকে দীর্ঘ কয়েক বছর বছর ধরে অন্তরের অন্তিম স্থানে লুকিয়ে রেখেছে । তাই সুদীর্ঘ চাকুরীকাল ব্যাপী সংসারের সমস্ত দায়-দায়িত্ব পালন করেও তিল তিল পরিমাণ টাকা বাঁচিয়ে রেখেছে । সেই টাকা আজ ব্যাংকে জমা হতে হতে পাঁচ লাখ ৯০ হাজার হয়েছে । সালেহা বিবি স্বামীর পাশে এসে বসে বলে সে তো অনেক টাকার ব্যাপার ?

সালেহার প্রশ্নটির উত্তর এড়িয়ে আদরের স্বরে বলে জানো গিন্নী যতদিন চাকরি করেছি,ততদিন শুধু তোমার ছোট ছোট স্বপ্ন পূরণ, মেয়ের লেখাপড়া, ওর ভালো ঘরে বিয়ে দেওয়া সেই স্বপ্নই দেখেছি । আর সে কাজ আমি সাফল্যের সাথে সমাধান করেছি । শুষ্ক মুখে একটু হেসে বলে সে নিয়ে আজ আর আমার কোন দুঃখ বা কষ্ট নেই ।
তবে কি ? স্বামীর চোখের দিকে এক পলক তাকিয়ে মুখটা নিচু করে বলে সালেহা বিবি ।

মনসুর তার স্ত্রীর হাতটা টেনে, নিজের উরুর উপরে রেখে সালেহা বিবির মুখটা তুলে বলে আমার এতদিন সব ইচ্ছাই আল্লাহ পূরণ করেছেন । শেষ ইচ্ছা আমার একবার মক্কায় হজ করতে যাওয়া । এটা আমার অনেক দিনের স্বপ্ন বলতে পারো । সালেহা বিবি স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে । তারপর দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করে হে আল্লাহ তুমি আমার স্বামীর চিকিতসা পূরণ কর।

by google image


পরদিন মনসুর পাসপোর্ট এর জন্য ফরম পূরণ করছে । ফর্মটা পুরো ফিলাপ করে নিচে স্বাক্ষর করতে, মনসুর ডাক দেয় মমতাজ । মমতাজ ঘরের মেঝেতে মাদুর পেতে বসে ড্রয়িং এর খাতার উপর রং পেন্সিল দিয়ে একটা মক্কার ছবি আঁকছে । মামার গলার স্বর কানে যেতেই মমতাজ বললো কি মামা ? আমায় ডাকছো ?

হ্যাঁ, তোর মামিকে একবার ডাক দেখি । দরকার আছে । মমতাজ রান্নাঘরে মামিকে ডাকতে চলে যায় । মনসুর সেই ছোট্ট ভাগ্নি কে ভীষণ আদর, স্নেহে মানুষ করছে । নিজের মেয়ের থেকেও বেশি ভালোবাসে । মমতাজের বয়স কম হলে কি হবে । সে কাজে যেমন লেখাপড়াতেও তেমনি সমান পারদর্শী । মমতাজ তার মামিকে সাথে করে মামার কাছে নিয়ে আসে, এবং যথারীতি মক্কার ছবিতে লাস্ট ফিনিশিং করতে লেগে পড়ে ।

এদিকে মনসুর তার স্ত্রীকে বলে আগামীকাল ফর্মটা পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাব । আশা করি কয়েকদিন পরেই কাজ হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ ।
মমতাজ কৌতূহলের সঙ্গে জিজ্ঞেস করে ওটা কিসের ফ্রম মামা ? মনসুর বলল ও তুই বুঝবি না ।
মমতাজ বলল কেন বুঝব না ? বুঝিয়ে দিলেই বুঝবো, মমতাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলে ।
যারা নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে কোন কাজের জন্য যায় তাদের পাসপোর্ট ভিসা লাগে । পাসপোর্ট ছাড়া কিছুতেই কেউ অন্য দেশে যেতে পারেনা ।

কিন্তু,মামা । তুমি অন্য দেশে কেন যাবে ? তুমি গেলেও আমরা যাব না ?
ধুর পাগলী ! আমার শেষ ইচ্ছে পূরণ করতে কিছুদিনের মধ্যে আরব দেশে মক্কায় হজ করতে যাব ।
মমতাজ দৌড়ে গিয়ে তার আকা মক্কার ছবিটা মামাকে দেখিয়ে বলে, মামা তুমি এখানে যাবে ?

সালে হাবিবি হঠাত স্বামীকে থামিয়ে বলে,একে বুঝিয়ে কাজ নেই । তুমি বরং মাথা ঠান্ডা করে কি কি করতে হবে সেগুলো করো । আমার এখন অনেক রান্না বাকি । আই মমতাজ বলে ওকে নিয়ে রান্না ঘরের দিকে চলে যায় । সকালে ঘুম থেকে উঠে মনসুর আলী স্নান খাওয়া-দাওয়া করে 9টার মধ্যে নিজেকে প্রস্তুত করে নাই পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার জন্য । এদিকে মমতাজ ও স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডি হয়েছে । মনসুর ওকে ডেকে বলল চল মমতাজ আমি আজ তোকে স্কুলে পৌঁছে দিই ।
মামার কথা শুনে চুলের দুদিকে লাল ফিতে দিয়ে বেনী দুলিয়ে খুশি হয়ে ঘাড় নাড়ে ।

কাঁধে ব্যাগ নিয়ে একহাতে মমতাজের কচি নরম হাত ধরে হাঁটতে শুরু করেন । মনসুর প্রথমে ভাগ্নিকে স্কুলের ছেড়ে পাসপোর্ট অফিসে যাবার সিদ্ধান্ত নেয় । সেই মতো কিছুটা হাটার পর মমতাজ দেখে, রাস্তার ধারে জীর্ণ মলিন বস্ত্র পড়া এক ভিক্ষুক বসে আছেন ।
সে তার আমাকে বলে মামা একটু দাঁড়াও তো, মনসুর বলল কেন মা ?

চোখের পলকে মমতাজ বেগ থেকে দু টাকা বের করে ভিক্ষুককে দেয় মনে মনে এক অসীম সুখ অনুভব করে । ভিখারীর মলিন মুখে হাসি ফুটিয়ে যেই আমার হাত ধরতে যাবে ও মনি একটা বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মমতাজকে সজোরে ধাক্কা মারে । সে পিস রাস্তার ওপর লুকিয়ে পড়ে । তার ইস্কুল ব্যাগটি দূরে ছিটকে গিয়ে এই দৃশ্যের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে । পরনের স্কুল ড্রেস রক্তে লাল হয়ে কালো পিচের উপর গড়িয়ে যাচ্ছে । মনসুর ভয় পেয়ে যায় । বাঁচাও বাঁচাও করে সাহায্যের জন্য চিতকার করতে থাকে । ক্ষণিকের ঘোর কাটিয়ে লোকজনের সাহায্যে নিকটবর্তী নার্সিংহোমে ভর্তি করে ।

চোখের জল মুছতে মুছতে ডাক্তারের কাছে, করজোড়ে অনুরোধ করে ডাক্তারবাবু আমার মেয়েকে বাঁচান বাঁচান । অপারেশন রুমের পাশেই মনসুর নিথর পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে থাকে । এক মনে শুধু আল্লাহকে ডাকে ।


কিছুক্ষণ পরেই অপারেশন রুম থেকে ডাক্তার বেরিয়ে মনসুর কে ডেকে জানায়, পেশেন্টের মাথায় খুব জোরে আঘাত লেগেছে । অস্ত্র প্রচার করতে হবে । ক্ষণিকের জন্য চোখের সামনে তীব্র আলোকেই স্তব্ধ হয়ে যায় মনসুর । চারিদিকে ঝাপসা দেখে অনেক টাকার দরকার । সে কোথায় এত টাকা পাবে । ওর কাছে যে টাকা আছে সে টাকা তো হজের জন্য । না না ও টাকা ও কেমন করে দেবে । সে তো দীর্ঘ বছর কয়েক বছর ধরে একটু একটু করে সঞ্চিত করার টাকা । তাহলে তার শেষ ইচ্ছাই পূরণ হবে না । না এ হতে পারেনা । ও আর ভাবতে পারছে না । মাথা ঘুরতে থাকে ।

এদিকে তার ইচ্ছে হজে যাওয়ার, অন্যদিকে মেয়ের জীবন বাঁচানো । সে কিছুই ভেবে পাইনা । মমতাজের মুখটা বারবার মনসুরের চোখের সামনে ভেসে ওঠে । কানে চিতকার শুনতে পাচ্ছে, মামা আমাকে বাঁচাও আমাকে বাঁচাও । মনসুর মনে মনে বলল না না এ আমি কি করছি । মুনসুরের কথাটা মাথাটা যেন ঝিমঝিম করে ওঠে । মমতাজের আত্মচিতকার স্পষ্ট শুনতে পায় ।

না আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করা যাবে না , ছুটে গিয়ে ডাক্তারকে বলে ডাক্তারবাবু যত টাকার প্রয়োজন দেব শুধু মেয়েকে বাঁচান । এদিকে খবর পেয়ে ছুটে আসে মমতাজের মামি সালেহা বিবি । কি করে এমন হলো বলোতো । গোটা বাড়ি তো মাতিয়ে রাখত । ওর কিছু হয়ে গেলে আমার আমরা কাকে নিয়ে বাঁচবো । আল্লাহ তুমি এত নিষ্ঠুর হতে পারো না । ওকে বাঁচাও এই বলেই কান্নায় ভেঙে পড়ল ।

by google image


দীর্ঘ কুড়ি দিন জমে মানুষের টানাটানির পর মমতাজ আজ সম্পূর্ণ সুস্থ । মমতার মামাকে দেখে খিলখিল করে হেসে ওঠে । মনসুর যতবার ওর মুখের দিকে তাকায় ততবারই ওর মুখে মক্কার ছবি ভাসে । মনে মনে বলে একটি প্রাণের সেবায় অর্থ বিনিয়োগ করা নফল হজের চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত । হজ শব্দের অর্থ ইচ্ছা করা বা সংকল্প করা । আমার ইচ্ছে পূরণ হয়েছে আমি মমতাজের মুখে হাসি ফুটিয়েছি আল্লাহ আমাদের তৌফিক দিন। আমিন


মামা ডাকে স্তম্ভিত ফিরে মমতাজকে জড়িয়ে ধরে বলে কতদিন তোর মামা ডাক শুনেনি বলতো ? আয় আমার বুকে আয় দুজনের চোখ ঝাপসা গাল বেয়ে অশ্রু ধারা ঝরে পড়ছে । মামার বুকে মাথা রাখে মমতাজ । পকেট থেকে রুমাল বের করে মমতাজের চোখ মুছে দিয়ে বলে,
— সেই পাগলী থেকে গেলি । নার্সিংহোম থেকে মামা ভাগ্নে হাসতে হাসতে বাড়ির উদ্দেশ্যে পা বাড়ায় ।
হজ এমনই একটা জিনিস মহান রাব্বুল আলামিন যাকে পছন্দ করবে সেই হজ করতে পারবে ।


ইসলামের পঞ্চম ভিত্তি হলো হজ্জ । আরবি সনের ১২ মাস জিলহজ্যে নয় তারিখে এহরাম বাধা অবস্থায় মক্কা শরীফের গমনপূর্বক কাবা শরীফ প্রদক্ষিণ করা , আরাফাত মাঠে অবস্থান করা, সাফা মারওয়া দৌড়ানো ইত্যাদি কাজকে হজ বলে । মুসলমান নারী পুরুষ বুদ্ধিমান বালেক সুস্থ এরূপ ব্যক্তির নিকট ঋণ বা সংসারের আবশ্যকীয় টাকা বাদে মক্কা শরীফ যাতায়াতের খরচ থাকে তবে তার উপর হজ ফরজ ।

Read More>>>>>>>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *