" crossorigin="anonymous"> 14 February is a good and wonderful day 14 ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে এর সম্পর্কে কিছু কথা - Sukher Disha...,

14 February is a good and wonderful day 14 ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে এর সম্পর্কে কিছু কথা

14 ফেব্রুয়ারি দিনটি সকল স্কুল পড়ুয়া ও যুবক যুবতীর কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন যেটি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন্ ডে নামে পরিচিত

14 February is a good and wonderful day 14 ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে এর সম্পর্কে কিছু কথা

বিশ্বের প্রতিটি দেশেই 8ই ফেব্রুয়ারি থেকে 14ই ফেব্রুয়ারি দিনগুলিকে বিভিন্ন দিবস হিসাবে পালন করা হয় । এর মধ্যে 14ই ফেব্রুয়ারি দিনটিকে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন ডে নামে পালন করা হয় ।‌ বিশ্বের প্রতিটি দেশ বিশেষ করে অমুসলিম রাষ্ট্র গুলি এই দিন টিকে পালন করে থাকে । তবে বর্তমানে অমুসলিম দেশগুলির দেখাদেখি মুসলিম রাষ্ট্রগুলিও এই দিবস পালনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে ।

এই দিনটিকে বিশেষ করে আফ্রিকা,ইউরোপ,চিন, নেপাল, ভুটান আমেরিকা,এছাড়াও পশ্চিমার বিভিন্ন দেশ গুলি ভালবাসা দিবস ও ভ্যালেন্টাইন হিসাবে জাঁকজমকপূর্ণ ও অনেক আনন্দের সহিত পালন করে থাকে । অতীতেও দিনটিকে পালন করা হত । সেকালের রাজা রানী রা তাদের প্রজাদের নিয়ে এই দিনটিকে বেশ কয়েকদিন ধরে আনন্দের সহিত পালন করতো । তবে বর্তমানে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া যেমন Facebook,YouTube, Twitter এই দিনটিকে এমন ভাবে প্রচার করে আসছে যা দেখে বিশ্বের প্রতিটি দেশ এই দিনটিকে পালন করতে শুরু করেছে ।

যুব সমাজের মধ্যে এই ভালবাসা দিবসের বিজ এমনভাবে বপন করা হয়েছে যে এখনকার যুব সমাজ এইদিনটি অতি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসাবে ধরে নিয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে থেকেই এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকে এখনকার যুবক যুবতীরা । অনেক উপহার সামগ্রী প্রেমপত্র, গোলাপ,গ্রিটিংস কার্ড দিয়ে তার প্রিয় মানুষটিকে ভালোবাসা আদান প্রদান করার জন্য এই দিনটির জন্য অপেক্ষায় থাকে আর ভাবতে থাকে কিভাবে এই দিনটিকে অতি জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করা যায় ।

এবার দেখবো ভালোবাসা দিবসের উতপত্তি কিভাবে হল Now let’s see how Valentine’s Day originated

ভালবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন ডে এর উতপত্তি কিভাবে হল এ নিয়ে অনেক মদ প্রচলিত আছে । অনেক ঐতিহাসিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ এই দিনটির উতপত্তি সম্পর্কে অনেক কথা বলেন ।তবে এই ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবসের উতপত্তি সম্পর্কে ইতিহাস কি বলে সেটা আমরা এখন দেখবো ।

কয়েক জোড়া বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের মতে রোম থেকেই এই অতীতের ভালোবাসা দিবসের উতপত্তি বলা ধরা হয় । অতীতে রোমে প্রতিবছর 9 ফেব্রুয়ারি থেকে 15ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উতসব প্রচলিত ছিল । এই উতসবটি অনেক জাকজমকপূর্ণ ভাবে সবাই মিলে পালন করা হতো । এই উতসবে রোমের সব বয়সের প্রায় প্রতিটি নরনারী অংশগ্রহণ করত । 14 February is a good and wonderful day 14 ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে এর সম্পর্কে কিছু কথা

প্রতিটি নরনারী সবাই একসঙ্গে মিলে বিভিন্ন নেশা করতো তার মধ্যে মদ পান সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল । এবং এই নেশা করার শেষে সবাই যখন বিভোর হয়ে যেত তখন তাদের মধ্যে এক লটারি করা হতো এই লটারির মাধ্যমে তারা নারী সঙ্গী বেছে নিত এবং এই নারী সঙ্গীর সাথে একান্তে মিলিত হয়ে সহবাস করত । এই উতসবটি রুমের জনগণের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল ।এইভাবে যুগের পর যুগ চলতে থাকে এই উতসব । পরবর্তীতে এই উতসবটিকে ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন ডে নামে পালন করা হয়ে থাকে ।

এই উতসবটি valentine day বা ভালোবাসা দিবস নামকরনের আগে সুপার কালিয়া নামে প্রচলিত ছিল । এই উতসবে পুরুষ সাথীরা সবাই একটি করে গরু ছাগল ও ভেড়া বলি দিত । এইসব বলি দেওয়া মৃত জানোয়ারের চামড়া তুলে তা দিয়ে নারী সঙ্গীদের বেদম প্রহার করা হতো । এই প্রহারে নাকি তাদের নারী সঙ্গীদের যৌন ক্ষমতা অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পেতো বলে মনে করা হয় ।

এক বিখ্যাত ঐতিহাসিক এই valentine day বা ভালোবাসা দিবসের উতপত্তি সম্পর্কে বলেন 275 খ্রিস্টাব্দে রোমান সৈন্যবাহিনীতে বিবাহিত ও অবিবাহিত সকল পুরুষকেই নিয়োগ করা হতো । কিন্তু কিছু কারণে রোমের এক রাজা বিবাহিত পুরুষদের সৈন্য বাহিনীতে নিয়োগ করা বন্ধ করে দেন । ও একটি নতুন নিয়ম চালু করেন নিয়ম হলো কোন পুরুষ আর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না ।

আজ থেকে বিবাহ পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করা হলো এই বলে তিনি রোমান রাজ্যে ঘোষণা করে দেন । কারণ বিয়ের পরে কোন পুরুষ তার স্ত্রীর মায়ায় আবদ্ধ হয়ে এই সৈন্য বাহিনীতে যোগদান করতে চাই না । আবার অনেক পুরুষ এই শূন্য বাহিনী থেকে তাদের স্ত্রী পুত্রর মায়াতে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় । কিন্তু এই নিয়ম কেউ মানতে চায় না । রুমের এক খ্রিস্টীয় পাদ্রী বা ধর্মযাজক এই নিয়ম এর বিরোধিতা করে ও মানতে অস্বীকার করে । এই নিয়োম উপেক্ষা করে তিনি এক সুন্দরী মহিলাকে বিবাহ করেন

সেই খ্রিস্টীয় পাদ্রী ও ধর্মযাজকের নাম ছিল সেন valentine । রোমান সম্রাট এই খ্রিস্টীয় পাত্রীকে গ্রেপ্তার করে ও তার মৃত্যুদণ্ড দেয় । তার মৃত্যুদণ্ডের তারিখটি ছিল অনেক ঐতিহাসিক এর মতে 14 ই ফেব্রুয়ারি । অনেক ঐতিহাসিকগণ মনে করেন ওই দিনের ঘটনাকে মনে রাখার জন্য ১৪ই ফেব্রুয়ারি দিনটি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস হিসাবে পালন করা হয় ।

আবার কিছু কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন ভ্যালেন্টাইন ছিলেন একজন বিখ্যাত খ্রিস্টীয় ধর্ম যাজক ও নামকরা চক্ষু বিশেষজ্ঞ । তিনি তার জীবনের বেশিরভাগ সময় খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার ও চিকিতসার কাজে সময় কাটিয়েছেন । কিন্তু রোমের জনগন তখন মূর্তি পূজায় বিশ্বাসী ছিলেন । valentine এর খ্রিস্ট ধর্ম প্রচার রোমের সম্রাট মেনে নিতে পারেন নি ।

তাই valentine কে বন্দী করা হয় এবং শেষ বিচারে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় । এই বন্দী অবস্থাতেই valentine এক অন্ধ মহিলার প্রেমে পড়ে যান । তিনি অনেক চিকিতসার পর এই অন্ধ মহিলার চোখের দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে দেন । কিন্তু যেদিন এই মেয়েটি চোখের দৃষ্টি ফিরে পাই সেদিনই ছিল ওই valentine এর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার দিন । তাই তাকে সেদিনই মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় । কিন্তু সে দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি । তাই সেই ১৪ ই ফেব্রুয়ারি দিনটিকে মনে রাখার জন্য বিশ্ব ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালন করা হয় ।

এবার দেখবো ভ্যালেন্টাইন সম্পর্কে ইসলাম কি বলে Now let’s see what Islam says about Valentine’s Day

দুনিয়াতে যতদিন মানুষ বেঁচে থাকবে এতদিন প্রেম ভালোবাসা থাকবে । প্রেম ভালোবাসা কখনোই খারাপ নয়। দুনিয়াতে প্রেম ভালোবাসা আছে বলেই মা তার সন্তানকে ভালোবাসে । এই ভালোবাসার কারণে ইস্ত্রি তার স্বামীকে কে ভালোবাসে,ভাই তার বোনকে ভালোবাসে । ইসলাম কখনোই প্রেম, ভালোবাসা,মায়া মমতাকে খারাপ চোখে দেখে না । একজন মা তার সন্তানকে‌ যতটুকু ভালোবাসে তার থেকে অনেক গুনে আল্লাহ তার বান্দা কে ভালোবাসে। প্রেম ভালোবাসা মায়া মমতা সব কিছুই আল্লাহর দান ।


তবে আল্লাহ সেই ভালোবাসার প্রতি তখন নারাজ হন যখন তা অবৈধ ভাবে হয় । আর এখনকার এই ভালবাসা যেটা একজন ছেলে মেয়ের মধ্যে হয়ে থাকে । এই ভালবাসা অবশ্যই খারাপ। এই ভালোবাসার জন্য যত রকম অনুষ্ঠান করা হোক কেন তা অবশ্যই অবৈধ এবং এই ভালোবাসার প্রতি আল্লাহর লানত। এই ভ্যালেন্টাইন ডে অবশ্যই অবৈধ এটা বেহায়াপনা ছাড়া আর কিছুই নয় ।

ইসলামের আইনে এই ভ্যালেন্টাইন ডে – এর কোন জায়গা নেই । আমরা যে 14ই ফেব্রুয়ারি দিনটি পালন করি তা আসলে অশ্লীলতাই পরিপূর্ণ । এই দিনটি আনন্দ ফুর্তি খারাপ মেলামেশা ছাড়া আর কিছুই নয় । আমাদের যুব সমাজ এই দিনটিকে খুব আনন্দের সহিত পালন করে থাকে । কিন্তু একজন বুদ্ধিমান ও সুস্থ সম্পন্ন মানুষ এই দিনটিকে কখনোই সমর্থন করেন না ।

পরিশেষে Finally

আমরা এই valentine day বা ভালবাসা দিবস কখনোই পালন করবো না । এবং আমরা সঙ্গবদ্ধভাবে এর বিরোধিতা করব । কারণ এর শেষ পরিণতি অতী ভয়াবহ । আমাদের দেশ ও আমাদের সমাজকে বাঁচাতে হবে আমাদেরকেই ।

Read More>>>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *