" crossorigin="anonymous"> 24শে পৌষ 1430 এ দিন টি শীতের মরশুমের সবথেকে শীতলতম দিন হলেও ধর্মপ্রাণ মুসলিম দের কাছে এই শীত হার মেনে যায়।Winter is good and wonderful - Sukher Disha...,

24শে পৌষ 1430 এ দিন টি শীতের মরশুমের সবথেকে শীতলতম দিন হলেও ধর্মপ্রাণ মুসলিম দের কাছে এই শীত হার মেনে যায়।Winter is good and wonderful

একটি প্রচলিত মতবাদ টাকা না থাকলে ভালোবাসা কোন দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। আবার আর একটি মতবাদ দুর্দিনে যে বন্ধু পাশে থাকে সেই আসল বন্ধু । এই উক্তিটি কেন বললাম চলুন দেখে নিই ।

24শে পৌষ 1430 এ দিন টি শীতের মরশুমের সবথেকে শীতলতম দিন হলেও ধর্মপ্রাণ মুসলিম দের কাছে এই শীত হার মেনে যায়।Winter is good and wonderful

এই কনকনে শীতে মানুষ নাজেহাল প্রায় । দিনের পর দিন কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা মিলছে না । মানুষ ঘর থেকে বেরোতে পারছে না । এই তীব্র শীতে প্রায় সব কাজই বন্ধ হয়ে পড়েছে । মানুষের মুখে মুখে একটি কথা কবে যাবে এই শীত । যদিও প্রথমদিকে শীতের প্রকোপ দেখে মনে হচ্ছিল এবার হয়তো সেইভাবে শীত পরবে না । কিন্তু সে ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল ছিল এখন দেখা যাচ্ছে কয়েক বছরের মধ্যে এরকম শীত আর পড়ে নি ।

গত 5-6 দিন থেকে শীত এতটাই বেশি পড়তে শুরু করেছে আর তার সঙ্গে পড়ছে কুয়াশা সামান্য একটু দূরের কোন জিনিসই দেখা যাচ্ছে না রাত্রিবেলায় গাড়ি চালানো কিংবা কোথায় যাওয়া এক্কেবারে বন্ধ হয়ে গিয়েছে । আর শীত ও কুয়াশার সঙ্গে শুরু হয়েছে উত্তরের তীব্র ঠান্ডা কনকনে বাতাস মানুষকে নাজেহাল করে দিয়েছে । এসব নিয়ে মানুষের জীবন দুর্বিষহ প্রায় ।

কলকাতা আবহাওয়া দপ্তরের বক্তব্য কোথাও কোথাও তাপমাত্রা 6 থেকে 7 ডিগ্রী পর্যন্ত নেমে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর বলেছে সামনের কয়েক দিন এই তাপমাত্রা আরও নিচে নামতে পারে । রাতের তাপমাত্রা একটু বেশি বেশি পরিমাণে কমছে । কিন্তু দিনে হালকা তাপমাত্রা বাড়ছে তাই একটু দিনের বেলায় মানুষ হালকা শান্তি অনুভব করছে । কিন্তু দিনের বেলায় যে বাতাস উত্তরে বাতাস এতে মানুষকে আরো বিপদের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে । তাই তারা আগাম সাবধানতা অবলম্বন করার কথা বলেছে । এত কুয়াশায় এত ঠান্ডায় কোথাও ঘুরতে যাওয়া একদম নিষেধ করেছে ।

24শে পৌষ 1430 এ দিন টি শীতের মরশুমের সবথেকে শীতলতম দিন হলেও ধর্মপ্রাণ মুসলিম দের কাছে এই শীত হার মেনে যায়।Winter is good and wonderful

এই প্রচন্ড শীতের কারণে শীতের পোশাকের দোকানগুলিতে ব্যাপক ভিড় উপচে পড়ছে । শীতের গরম পোশাক কেনার জন্য মানুষ দোকানগুলিতে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে । কেউ কিনছে গরম চাদর, কিংবা গরম সোয়েটার, মাফলার টুপি, আবার কেউ কিনছে গরমে জুতো ও মোজা ।

এসব দোকানগুলিতে এত ভিড় দেখে দোকানের মালিকদের মুখে হাসি ফুটছে । দোকান মালিক দের বক্তব্য তারা 2-5 বছরের মধ্যে এরকম ভিড় তারা দেখেনি । 2-5 বছরের জমানো শীতের মাল সব বিক্রি হয়ে যাচ্ছে এবার। 2-5 বছরের মধ্যে এরকম শীত আর পড়েনি তাই অনেক মাল জমা পড়ে গিয়েছিল সেইসব মালগুলো সব বিক্রি হয়ে গিয়েছে এবার ।

এই শীত সম্পর্কে আবহাওয়া দপ্তর কি বলেছেন চলুন দেখি

আবহাওয়াবিদদের বক্তব্য এইরকম আরো কয়েকদিন চলবে প্রায় । ঘন কুয়াশা ও উত্তরে বাতাস অব্যাহত থাকবে । দিনের বেলায় হালকা সূর্য দেখা দিতে পারে তবে সেটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না । তাপমাত্রা আরো নিচে নামতে পারে । এই প্রচন্ড শীত আর কুয়াশার কারণে দেশের জাহাজ ওঠা নামাই অনেক সমস্যা হচ্ছে । তাই জাহাজ ওঠা নামায় অনেক বিঘ্ন ঘটতে পারে । আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে দূরপাল্লা ও লোকাল ট্রেনগুলি টাইম ছাড়াও অনেক দেরিতে চলবে । কোথাও জরুরী কাজে গেলে হাতে সময় নিয়ে বের হওয়ার কথা বলা হয়েছে । এছাড়াও ছোট ছোট যানবাহন গুলি যেমন বাস,লরি,মারুতি, ট্রেকার, মোটরসাইকেল গুলি কে সাবধানে চলাচল করার কথা বলা হয়েছে ।

উপরের উক্তিটি কেন বললাম চলুন দেখি এবার

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসলিমদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। দিনে রাতে মিলিয়ে মোট পাঁচবার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হয় । কোন কারনে এই নামাজ ছাড়া যায় না । যে যত বেশি কষ্ট করে নামাজ পড়তে পারবে তার জন্য তত বেশি সওয়াব লেখা হয় । গোটা পৃথিবী যখন এই শীতের কবলে পড়ে কুপোকাত প্রায় । ঠান্ডা যতই তীব্র হোক নামাজ কিন্তু ছাড়া যাবে না তারপরেও ।24শে পৌষ 1430 এ দিন টি শীতের মরশুমের সবথেকে শীতলতম দিন হলেও ধর্মপ্রাণ মুসলিম দের কাছে এই শীত হার মেনে যায়।Winter is good and wonderful

সব থেকে কঠিন হচ্ছে ভোর বেলার নামাজ যেটা ফজরের নামাজ বলা হয় । যখন গোটা পৃথিবী ঘুমিয়ে থাকে । তখন তার কিছু বান্দা এই তীব্র শীত উপেক্ষা করে সাধের বিছানা ছেড়ে উঠে মহান রাব্বুল আলামিনের হুকুম পালনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে । শীত যতই তীব্র হোক আর যতই কুয়াশা পডুক, উত্তরে কনকনে বাতাস বয়ে চলুক ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের কাছে এসব কিছুই তীব্র মনে হয় না ।

তার জন্য প্রথমে বললাম টাকা না থাকলে ভালোবাসা কোন দিক দিয়ে পালিয়ে যায় । আবার বললাম দুর্দিনে যে বন্ধুর পাশে থাকে সেই আসল বন্ধু যে আল্লাহকে অন্তর থেকে ভয় করে সে এই প্রচন্ড তীব্র শীত উপেক্ষা করে সে তার হুকুম পালন করে । কেউ যদি কাউকে মন প্রাণ এবং অন্তর থেকে ভালবাসে তাহলে তাকে সে কোন অবস্থাতেই ছেড়ে যাবে না । 24শে পৌষ 1430 এ দিন টি শীতের মরশুমের সবথেকে শীতলতম দিন হলেও ধর্মপ্রাণ মুসলিম দের কাছে এই শীত হার মেনে যায়।Winter is good and wonderful

এই প্রচন্ড শীতে প্রকৃতভাবে যে বান্দা গুলি আল্লাহকে ভালবাসে ও আল্লাহকে ভয় করে শুধু তারাই তাদের সাধের বিছানা ত্যাগ করে কনকনে ঠান্ডা পানি দিয়ে ওযু করে প্রচন্ড কুয়াশা ভেদ করে উত্তরের কনকন ঠান্ডা বাতাসের মধ্য দিয়ে মসজিদে গিয়ে শুধুমাত্র 2রাকাত নামাজ পড়তে ব্যস্ত হয়ে যাই । আর এতেই আল্লাহ ও বান্দার ভালোবাসা প্রকাশ পায় । আল্লাহ এতেই খুশি হয়ে যায় বান্দার সমস্ত দুঃখ কষ্ট দূর করে দেন ।

Read More>>>>>

The beautiful and wonderful country of the United Arab Emirates 1 আরব আমিরাতের কিশোরের বিলাসিতা চলুন দেখি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *