" crossorigin="anonymous"> সুশাসক ও বির যোদ্ধা ছিলেন আমার নবীজি A great good person 2023 - Sukher Disha...,

সুশাসক ও বির যোদ্ধা ছিলেন আমার নবীজি A great good person 2023

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মানবতা ও বিশ্ব কল্যাণের প্রতীক ধর্মীয় মহামানব হিসেবে আমরা বেশি চিনি । কিন্তু তিনি যে এক স্বাধীন রাষ্ট্রের বাদশা বা রাজা তা আমরা কজন জানি । শুধু তাই নয় নবী(সাঃ)এর রাজনৈতিক জ্ঞান শাসন পরিচালনার কথাও অনেকে জানিনা ।

সুশাসক ও বির যোদ্ধা ছিলেন আমার নবীজি A great good person 2023

বীর সাহসী যোদ্ধা হিসেবে তার খ্যাতির পরিচয় খুব বেশি আলোচিত হয় না । আলোচিত হয় না নবী(সাঃ) এর ন্যায় বিচার ও পরাজিত যোদ্ধাদের প্রতি ক্ষমা সুন্দর নজিরবিহীন শাস্তি বিধানের কথা । উপরোক্ত বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচয় প্রদান করব আলোচ্য বিষয়ে । উপলক্ষ বিশ্ব নবী দিবস এর খ্যাতি । মদিনার সীমান্ত পার হয়ে সর্বত্র প্রচারিত হল । তার প্রভাব পড়ল পৃথিবীর প্রত্যেকটা দেশে ।সুশাসক ও বির যোদ্ধা ছিলেন আমার নবীজি

মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ন্যায়বিচার, দিন দরিদ্রদের সেবা, ইসলামের বাণী প্রচার সমস্যার সহজে সমাধান । কঠিন বিষয়ের সহজ সরল ব্যাখ্যা । সকলের প্রতি সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণের জন্য মদিনার মুসলিম ইহুদি অমুসলিম সহ সকলের চেনা অচেনা দেশে-বিদেশি মানুষের প্রতিদিন ভিড় তার কাছে । নারী পুরুষ ধনী-দরিদ্র সকলের কাছেই তিনি মুশকিল আসান । সকলের কাছেই তিনি আপনজন ।

by google image


এইভাবে ধীরে ধীরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাধারণ মানুষের কাছে মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদশা বা রাজা হয়ে গেলেন । আশ্চর্যজনকভাবে সকলেই মুসলিম অমুসলিম সবাই তাকে বাদশা মোহাম্মদ (সাঃ) বা রাজা সম্বোধন করতে লাগলো এর জন্য না ছিল কোন নির্দেশ না ছিল কোন প্রচার । সবাই বিস্ময়ে দেখলো কোন জোর জুলুম অনুরোধ বা কৌশল ছাড়াই একজন নবী বাদশা হয়ে গেলেন । এই জন্যই বলা হতো হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জন্ম থেকেই আল্লাহর দোয়াপ্রাপ্ত। সর্বশক্তিমান আল্লাহর মানব রূপী প্রতিনিধি ।

by google image

সুশাসক ও বির যোদ্ধা ছিলেন আমার নবীজি A great good person 2023


এইভাবে মদিনার শহর গ্রাম ও আশেপাশের জনপদ গুলি নিয়ে নবী(সাঃ) একটি স্বাধীন মদিনা রাষ্ট্র গড়ে তুললেন । এবং নিজেকে সেই রাষ্ট্রের বাদশা বা রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলেন । ক্রমশ তিনি তৈরি করলেন রাষ্ট্রের আইন, নিয়ম কানুন বিধি-নিষেধ প্রভৃতি । অর্থাৎ একটা নবগঠিত রাষ্ট্রের সুশাসনের জন্য যা যা দরকার সব করলেন । এখানে তার গভীর ও মৌলিক রাজনৈতিক জ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়। যা পরবর্তীকালে আধুনিক সংবিধান বা Constitution নির্মাণে পাথেয় হয়েছিল । শুধু শাসন নয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন ন্যায় বিচারের প্রতীক ।

তার রাষ্ট্রের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জনসাধারণের দুঃখ, দারিদ্র্য দূর করে নিরাপত্তা দেওয়া । উদ্দেশ্য ছিল সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর করে যুক্তিসঙ্গত সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা । তিনি সর্বদাই নারী পুরুষকে সমান চোখে দেখেছেন । বরং তিনি চিরকাল শিশু ও নারীদের প্রতি অপেক্ষাকৃত বেশি সহানুভূতিশীল ছিলেন । তিনি নারী শিক্ষা ও নারীর স্বাধীনতার বিশ্বাসী ছিলেন শুধু তাই নয়, সেই মতো প্রতিষ্ঠাও করেছিলেন ।

এসব কথা জানলে আজকের মৌলবাদীরা বিশেষ করে ইসলামিক স্টেট এবং তালিবানরা লজ্জা ও ভয় পাবে । বিশ্বনবীকে জানলে বোঝা যায় এইসব উগ্র মৌলবাদী মুসলিমদের সঙ্গে প্রকৃত ইসলাম ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই । সুশাসক ও বির যোদ্ধা ছিলেন আমার নবীজি

আসলে উগ্র মৌলবাদী হলে সে আর মুসলিম থাকে না । যাইহোক বাদশা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিচালনায় মদিনার সুশাসন ও উন্নয়নের খ্যাতি মদিনা ছাড়িয়ে সর্বত্র প্রচারিত ও প্রসারিত হলো । ফলে শত্রু সৃষ্টি হতে বেশি বিলম্ব হলো না ।

বিশেষ করে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চিরশত্রু মক্কার কুরাইশগণ নানাভাবে মোহাম্মদের বিরোধিতা করতে লাগলেন । এবং বিশ্ব নবীর নামে অপপ্রচার ও মিথ্যা কথা বলতে লাগলেন ।

by google image


ক্রমশ কুরাইশ গণ মক্কা থেকে মদিনায় এসে ভিড় জমালো । উদ্দেশ্য বাদসা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ক্ষতি সাধন করা । কয়েকবার তারা বিশ্বনবীকে হত্যার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন । তারা ইহুদিদের প্রচরিত করে মোহাম্মদ বিরোধী করে তোলেন । অথচ মজার ব্যাপার হলো কুরাইশ ধনি দরিদ্র মানুষ বারবার মোহাম্মদের কাছে ছুটে আসে ন্যায় বিচারের জন্য, পরামর্শের জন্য, এমনকি সাহায্যের জন্য হাত ও পাতে । মক্কার মানুষও জানতো ধনী দরিদ্র অমুসলিম ও ইহুদীরা নিয়মিত মদিনায় ছুটে যায় মোহাম্মদের কাছে সাহায্যের জন্য ।


হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিরুদ্ধে যে সব মিথ্যা প্রচার করা হতো তার মধ্যে বিশষত ছিল । বাদশা মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাকি রাজার মতন বিলাসী জীবনযাপন করেন । তিনি স্বজন পোষণ করেন ।বিলাসী তার কাছে ন্যায় বিচার পাওয়া যায় না প্রভৃতি ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যা কথা । অথচ সত্য ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত । বিশ্বনবী অতি সাধারণ জীবন যাপন করতেন । একজন গরিব মানুষের থেকেও সাধারণ ।

কেউ কোথাও শুনেছে একজন বাদশা মাটিতে বা খেজুর পাতার চাটাইতে শুয়ে থাকেন । বিশ্বনবী সেটাই করতেন তিনি অতি সাধারণ বস্ত্র পরিধান করতেন পোশাক ছিঁড়ে গেলে সেই পোশাক নিজের সেলাই করতেন । তার ঘর ছিল মাটির । চাঁদ ছিল খেজুর পাতার । বর্ষাকালে অনেক সময় জল পড়তো । তিনি খেতেন দুবেলা দুটো শুকনো মোটা রুটি । মাঝেমধ্যে তাও পেতেন না । অনেক সময় খাদ্যের অভাবে দু-চারটে খেজুর বা একটু উঠে দুধ খেয়ে কাটাতেন ।

অথচ প্রতিদিন ধনী ব্যক্তি ব্যবসায়ী বা সাধারণ দর্শনার্থী তাকে অনেক খাদ্য বস্ত্র পানীয় অমূল্যবান উপঢৌকন দিয়ে যেতেন । সেসব তিনি গরীব মানুষ মানুষদের বিলি করে দিতেন । কিছু রাষ্ট্র ভাণ্ডারে জমা রাখতেন । নিজের জন্য কিছুই রাখতেন না । লাগাতার মিথ্যে প্রচার করে তেমন কোনো লাভ হলো না । মোঃ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ভক্তি ভালবাসা এবং আস্থা বিন্দুমাত্র টলল না বরং বৃদ্ধি পেল । মদিনায় মুসলমান সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে লাগলো । এমনকি মক্কাতেও ইসলাম ধর্ম ও বিশ্ব নবীর প্রভাব বাড়তে লাগলো । তখন বেপরোয়া হয়ে কুরাইসগন মদিনা আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিল ।


ব্যাপক ষড়যন্ত্র হলো । কোরাইশগণ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হত্যার কষে ফেললো । এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে কিছু ইহুদি এবং অজ্ঞ, অশিক্ষিত, কুসংস্কার আচ্ছন্ন কিছু মুসলমানকেও তারা পেয়ে গেলো । শত্রুপক্ষের যুদ্ধ প্রস্তুতি সমাপ্ত হলে খবর পেলেন বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম । প্রাথমিক সংবাদে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যথেষ্ট বিচলিত ও চিন্তিত হলেন । চিন্তা নিজের জন্য নয়, যুদ্ধ মানেই কিছু নিরীহ , নিরপরাধ মানুষের মৃত্যু ও সম্পদ হানি । এই কারণে তিনি হিংসা,হত্যা, নির্যাতন পছন্দ করতেন না । তাই নীতিগত ভাবে তিনি যুদ্ধবিরোধী ছিলেন । এমন এক সময়ে তিনি আল্লার নির্দেশ পেলেন, যারা যুদ্ধ করতে চাই, যারা তোমাকে আক্রমণ করবে তাদের সঙ্গে তুমি যুদ্ধ করবে, উপযুক্ত জবাব দিবে ।

by google image


আল্লাহর নির্দেশ পেয়েই তিনি দ্বিধা দ্বন্দ্ব সব সরিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন । বিশ্বনবী নিজে ছিলেন একজন অত্যন্ত দক্ষ যোদ্ধা । তার অস্ত্র চালনার কৌশল ছিল অনবদ্য। তার দৈহিক শক্তি ছিল অপরিসীম । সাহস ও বিরক্ত ছিল নজিরবিহীন সর্বোপরি তার ওপর ছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহর দোয়া । তাই মদিনা বাসী নিশ্চিন্ত ছিল যে, এই যুদ্ধে তাদের জয় নিশ্চিত । অবশেষে যুদ্ধের দিন ও সময় উপস্থিত । নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট দিনে উভয়পক্ষ মুখোমুখি হল ।


বাদশা মোহাম্মদ (সাঃ) এর শত্রুপক্ষের অজস্র ঘোড়া ও বিশাল উঠ বাহিনী ছিল । বিশ্ব নবীর ছিল মাত্র তিনটি ঘোড়া আর 70 টি উট । এমনকি অস্ত্র ও যুদ্ধ সামগ্রীও যথেষ্ট পরিমাণে ছিল না । কিন্তু বিশ্ব নবীর প্রধান অবলম্বন ছিল আল্লাহের আশীর্বাদ,সততা, এবং দৃঢ় মনোবল । মাঠে দুই পক্ষ মুখোমুখি হলো । সেই মাঠটির নাম হল বদর । তাই এটাকে বলা হয় বদরের যুদ্ধ । তখনকার দিনে অর্থাৎ প্রায় হাজার বছর আগের যুদ্ধের পদ্ধতি ব্যবস্থা নিয়মকানুন এরকম ছিল না ।

সেই সময় আরবদের নিয়ম অনুসারে দুই পক্ষের তিনজন করে যোদ্ধার নাম ঘোষণা করা হবে । প্রথমে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করবে । সেই নিয়ম অনুসারে বদরের যুদ্ধে প্রথমে কোরাইশগণ তাদের তিনজন বিখ্যাত যোদ্ধার নাম ঘোষণা করল । এই তিন বীর যোদ্ধা হলো ওতবা, সোয়েব, এবং অলিদ । অপরদিকে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিরুদ্ধে তার তিনজন প্রিয় যোদ্ধাদের আনলেন । এরা হলেন হামজা, ওবায়দা ও আলী(রাঃ) । শুরু হয়ে গেল প্রবল লড়াই ওতবা হামজা (রাঃ) এর বিরুদ্ধে বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারলো না । কিছুক্ষণ লড়াই চলার পর তিনি নিহত হলেন ।

এরপর শুরু হল হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু এবং অলিদের লড়াই দুই মহা শক্তিধর যোদ্ধার লড়াই এক অন্য মাত্রা পেলো । যখন সকলেই ভাবছেন কে জিতবে কে হারবে ঠিক সেই সময় আলীর এক আঘাতেই অলিদের জীবন সংহার হলো । এরপর শুরু হলো ওবায়দা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বনাম শোয়েবের লড়াই। এরা দুজনেই ছিলেন বীর যোদ্ধা । ফলে যুদ্ধ চললো দীর্ঘক্ষণ । অবশেষে ওবাইদা শহীদ হলেন । ওবায়দা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু মৃত্যু হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রবাল আঘাত হানলো । তিনি সঙ্গে সঙ্গে তলোয়ার হাতে ছুটে গেলেন ময়দানে এবং শোয়েব কে লড়াইয়ে আহ্বান জানালেন ।

মুহূর্তের মধ্যে শোয়েব মোঃ (সাঃ) কে আগাম প্রস্তুতির সুযোগ না দিয়েই আক্রমণে উদ্যত হলেন । কিন্তু মোহাম্মদ (সাঃ) ক্ষিপ্র গতিতে সেই আক্রমণ প্রতিরোধ করে পাল্টা আক্রমণ করলেন । এবং তার তলবারির এক কোপে শোয়েবকে দুই টুকরো করে দিলেন । এরপরেই উভয় পক্ষের যুদ্ধ পুরোপুরি ভাবে শুরু হয়ে গেল । উভয় পক্ষের সৈন্যদল একে অপরের বিরুদ্ধে বীর বিক্রমে লড়ে যেতে লাগলেন ।

দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চললো । শত্রুপক্ষের সৈন্য ও সামরিক বল অধিক থাকায় তারা প্রথম দিকে কিছুটা সুবিধা পেলেও বাদশাহ হযরতের সঙ্গে ছিল আল্লাহর আশীর্বাদ এবং ধর্মীয় সততা । তাই যুদ্ধ শেষে কোরাইশগণ হলো পরাজিত এবং বাদশা হযরত এর নেতৃত্বে মুসলিম সৈন্যদল পেলেন বিজয়ী সম্মান ।

by google image

বাদশা মোহাম্মদ সাঃ এর শিক্ষা বদরের এই যুদ্ধ হয়েছিল দ্বিতীয় হিজরী সনের ১২ ই রমজান যুদ্ধে উভয়পক্ষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও সর্বাধিক ক্ষতি হয়েছিল মুসলিমবিরোধী কোরাইশদের তবে এই যুদ্ধে মদিনার বাদশা মোহাম্মদ সাঃ এক অভূতপূর্ব আদর্শ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন ।

এটা হল পরাজিত পক্ষকে শাস্তি দেওয়ার বিধানে । তিনি প্রথমেই নির্দেশ দিলেন বন্দী শত্রুদের সঙ্গে যেন অতি উত্তম ব্যবহার করা হয় । তাদের কোন আঘাত বা হত্যা না করা হয় । এবং তাদের সঠিক স্থানে শান্তিতে রাখা হয় । এরপর মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী এদের শোনানো হয় ভবিষ্যৎ জীবন সংশোধনের জন্য ।

তারপর সেই সময়ের নিয়ম অনুযায়ী অর্থের বিনিময়ে বা মুক্তিপন দিয়ে অনেকে ছাড়া পেয়ে গেলেন । বিশেষ করে ধনী বন্ধুরা এভাবে সকলেই ছাড়া পেয়ে গেল । গরিবরা কিভাবে ছাড়া পাবে । তাদের তো অর্থ নেই । তাহলে তারা কি সারা জীবন পন্ডিত থাকবে এবং দাস হয়ে কাটাবে ? কিন্তু তা হলো না । গরিবদের বাদশা মোহাম্মদ সাঃ নিজেই এই সমস্যার সমাধান করলেন । সৃষ্টি করলেন এক নজিরবিহীন শাস্তি বিধান ।

তিনি বললেন গরিববন্দীদের সবাইকে মুক্তি দেওয়া হবে, তবে প্রত্যেককে ১০ জন করে নিরক্ষর মুসলমানকে শিক্ষিত করতে হবে । এটা এক ঐতিহাসিক শাস্তির নিদর্শন । এর সুদূরপ্রসারী ফল হয়েছিল খুবই সুন্দর। এর ফলে উভয়পক্ষই যথেষ্ট লাভবান হল । মানসিক শাস্তি লাভ করল । এই ঘটনা প্রমাণ করে কুসংস্কার মুক্ত বিশ্ব নবীর শিক্ষার প্রতি কতটা গভীর ভালোবাসা পোষণ করতেন ।

Read More>>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *