" crossorigin="anonymous"> পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানীয় জমজম এর উতপত্তি ও গুরুত্ব Allah is very good great and almighty, 2023 - Sukher Disha...,

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানীয় জমজম এর উতপত্তি ও গুরুত্ব Allah is very good great and almighty, 2023

সমস্ত পৃথিবীতে আল্লাহর কুদরত ও ক্ষমতার নমুনা অনেক দিয়েছেন । এইসব নমুনা দেখানোর কারন হলো তার ক্ষমতার প্রমান দেওয়া । এইসব দেখে মানুষ যেন তিনাকে এ দুনিয়ার মালিক হিসাবে মানে । তেমনি আল্লাহর বড় একটি কুদরত এই জমজম কূপ।

Table of Contents

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানীয় জমজম এর উতপত্তি ও গুরুত্ব Allah is very good,great and almighty, 2023

সেই জমজম কূপ সম্পর্কে কিছু কথা

জমজম কুদরতি পানি। প্রায় চার হাজার বছর পূর্বে সৃষ্টি মক্কা শরীফে আল্লাহর বরকতময় কাবা ঘর বাইতুল্লাহ প্রাঙ্গনে অবস্থিত ইতিহাস ঐতিহ্যবাহী জমজম কূপ।
নবী ইসমাইল আলাইহিস সাল্লাম এর শৈশবে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য এই কুদরতি পানিয় জলের অবতারণা। সেই জমজম কূপের পানির প্রবাহমান ধারা আজও সমানে প্রবাহমান । পৃথিবী জুড়ে রয়েছে এই কুদরতি পানির কদর।


কোন নদী বা সমুদ্র নয় এ এক কুয়ো মাত্র। কুয়োর অঞ্চল প্রায় 30 মিটার । গভীরতা ৯৮ ফুট ।যার থেকে প্রতি সেকেন্ডে বের হয় 8000 পানি । সেই পানি হাজার হাজার বছর ধরে কোটি কোটি মানুষের চাহিদা পূরণ করছে। অথচ তা নিঃশেষ হয় না

জমজম পান করলে নিবারণ হয় খোদা দূরভিত হয় ক্লান্তি। এই পানি স্বচ্ছ ও পরিষ্কার। পরিবর্তন হয়না স্বাদের জমজম কুইয়ের পানিতে জন্ম নেয় না শ্যাওলা ও ছত্রাক। প্রকৃত অর্থে ব্যাকটেরিয়া মুক্ত পানি জমজম।জমজমের পানির গুরুত্ব বিষয়ে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ঘোষণা করেন যে নিয়তে পানি পান করা হবে আল্লাহ পূরণ করবেন । জাহান্নামের আগুন এবং জমজম কখনোই একত্রিত হবে না।

by google image

জমজম পানিতে রয়েছে সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড বৈজ্ঞানিকগণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান জমজমে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। ফলে আরোগ্য দানের ক্ষমতা থাকে ।ক্লোরাইড থাকার দরুন জমজম জীবাণু নাশকও বটে। রক্তের প্লেটলেটস বৃদ্ধি করে । গ্যাস্টিক ও বুকের জ্বালা দ্রুত হ্রাস করে।

জমজম পরিষেবা

by google image

হজের আগে ও পরে আল্লাহর মেহমান লক্ষ লক্ষ হাজী সাহেবগণ করে থাকেন তৃপ্তির সঙ্গে জমজম পান। শুধু বায়তুল্লাতে তাওয়াফ করার সময় নয় লক্ষ লক্ষ হাজী সাহেবদের বাসায় পৌঁছে যায় জমজম। সরকারি পরিষেবায় কয়েক হাজার গাড়ি যোগে পৌঁছে দেয়া হয়ে থাকে। লক্ষ লক্ষ হাজী সাহেবগণ নিজের ইচ্ছামতো জমজম পানি পান করে থাকে। তবুও এর কোনখানে কমতি হয় না। একটানা অনেকক্ষণ পানি তোলার পরে যতটা পানি কমে যায় তার কিছুক্ষণ পরেই আবার সে খালি জায়গা পূরণ হয়ে যায়।

বাড়ি ফেরার সময় হাজী সাহেবদের মাথাপিছু ৫ লিটার জমজম পানি দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে জমজম পানি বিষয়ে মহানবী সাঃ শাইখুল হাদিস হযরত মাওলানা জাকারিয়া রহমাতুল্লাহ আলাইহি তার ফাজায়েলে লিখেন হুজুর সাঃ ঘোষণা করেন জমজমের পানি যে নিয়তে পান করা হয় সেই নিয়ত হাসিল হয়। অন্য হাদিসে আছে উহা পেট ভরার জন্য খাইলে পেট ভরে আর তৃষ্ণা নিবারনের জন্য খাইলে পিপাসা মিটে। উহা জিব্রাইলের খেদমত। ইসমাইলের রাস্তা। খেদমত অর্থ জিব্রাইলের চেষ্টায় উহা বাহির হয় ।পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানীয় জমজম এর উতপত্তি ও গুরুত্ব Allah is very good great and almighty, 2023

হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু জমজমের পানি পান করে বলেন হে আল্লাহ আমি কিয়ামতের দিন পিপাসা নিবাননের জন্য পানি পান করিতেছি হাদিসে আছে হুজুর সাঃ বিদায় হজের দিন জমজমের পানি খুব বেশি বেশি পান করিয়াছেন এবং বলিয়াছেন আমার দেখাদেখি সকলেই শুরু করিবে নচেৎ আমি বালতি ভরিয়া পান করিতাম। অন্যত্র আছে তিনি পানি চোখে ও মুখে দেন এবং মাথায় ঢালেন । হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আর ও বলেন আমাদের এবং মোনাফিকদের মধ্যে পার্থক্য হইলো আমরা জমজমের পানি পেট ভরিয়া পান করি আর তাহারা সাধারণভাবে পান করে।

হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুমা জমজমের পানি সঙ্গে লইয়া যাইতেন ও হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ও উহার সঙ্গে নিয়ে যাইতেন এবং রোগীদের উপর ছিটকাইয়া দিতেন । তাহানিকের সময় অর্থাত বাচ্চার মুখের প্রথম খাদ্য হযরত হাসান , হোসাইন এর মুখে জমজমের পানি দেওয়া হয় । মেরাজের রাতে হযরত জিব্রাইল আলাই সাল্লাম হুজুরের সিনা চাক করিয়া অর্থাত বক্ষ ফাড়িয়া জমজমের পানি দ্বারা ধুইয়া দিয়া আবার তা উপস্থাপন করেছিলেন।

অথচ জিব্রাইল আলাই সাল্লাম বেহেস্ত হইতে বোরাক,তশতরি আরো কত কিছু আনিয়া ছিলেন । ইচ্ছা করলেও পানিও আনিতে পারিতেন । ইয়া হইতে বড় ফজিলত আর কি হতে পারে। হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন হুজুর সাঃ জমজমের পানি পান করিয়া দোয়া পড়িতেন সেই দোয়ার অর্থ হে আল্লাহ আমি তোমার নিকট উপকারী এলেম প্রশস্ত রিজিক ও যাবতীয় রোগ হয়েছে সেফা চাইতেছি।

by google image

হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম মক্কা কে লক্ষ্য করিয়া এরশাদ করেন তুমি কতই না ভালো শহর আমার বংশের লোকেরা যদি আমাকে বাহির না করে করিত তবে কিছুতেই আমি তোমাকে ছাড়িয়া অন্যত্র বসবাস করিতাম না

জমজম নিয়ে বৈজ্ঞানিকদের গবেষণা

কুদরতি পানি জমজম কে নিয়ে কৌতুহল বিজ্ঞানীদের মধ্যেও । পরীক্ষা নিরীক্ষার দেখা গিয়েছে জমজম পানিতে রয়েছে প্রাকৃতিক নানা উপাদান। রয়েছে সোডিয়াম , ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ,পটাশিয়াম, ক্লোরাইড , ক্লোরাইড্রেট ও সালফেট । জমজম কূপ হাজার হাজার বছর পানি পরিসেবা দেওয়া সত্ত্বেও কূপের পানি কোন অংশে কমে নাই।
মিউনিখের এক বড় চিকিতসা কেন্দ্রের প্রধান জার্মান বিজ্ঞানী ডাক্তার কানুট ফাইফার এক গবেষণার পর জানান ,জমজমের পানির কারণে শরীরের হাড়ের গঠনের শক্তি আশ্চর্যজনকভাবে বাড়ে, জেদ্দায় জমজমের গবেষণার পর বিজ্ঞানী আরও জানান যে কোন মিনারেল ওয়াটার বা খনিজ উদাহরণস্বরূপ জার্মানির মিউনিখ শহরের পানি রাসায়নিক দৃষ্টিকোণ থেকে শতভাগ স্বচ্ছ পরিষ্কার কোন ধরনের মিশ্রণ নেই।
সাধারণত জলাশয় বা কুয়ের পানিতে শ্যাওলা বা জলোজ জীবাণু জন্ম নিয়ে থাকে। অথচ জমজমে জলজের অস্তিত্ব নেই।

by google image


২৪ জন ডুবুরি ডুবকি নিয়ে আসে তথ্য।
২৪ জন ডুবুরি জমজম কূপের তলদেশে গিয়ে নিয়ে আসেন অনেক অজানা তথ্য আল্লাহপাকের কুদরত দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা শার্টের দশকের কথা। তখন ছিল বাদশা খালেদের শাসনকাল ওই সময় আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল জমজম কূপটি।
জমজম কূপটিক পরিষ্কার এর কাজ তথ্যাবধান করেন প্রকৌশলী সংস্থা।
তার প্রদত্ত বিবরণ থেকে বলা যায় বড় ধরনের কয়েকটি পাথরের তলদেশ থেকে প্রবল বেগে পানি উচ্চারিত হচ্ছে সবচাইতে বড় পাথরের উপর স্পষ্ট আরবি হরফে বিসমিল্লাহ কথাটি উতকলিত রয়েছে।

by google image

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব এর সময় কুপের-প্রভীরতা ছিল মাত্র ১৪ ফুট খলিফা মামুনুর রশিদের আমলে পুনরায় খনন করা হয় এই জমজম কূপটি এই সময় পানির নিঃসরণ খুব বেড়ে গিয়েছিল এমনকি কূপের বাইরে পানি উঠছে পড়া শুরু করেছিল দীর্ঘ কয়েক শতাব্দীর পর সৌদি সরকার আধুনিক মেশিনের সাহায্যে কূপটি পুনরায় খনন করেন।

২৪ জন ডুবুরি কূপের তলদেশে গিয়েছিলেন তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য।


ডুবুরিরা দেখেন সেখানে রংবেরঙের মাটির স্তর জমাট বেঁধে আছে আর অবিরাম নির্গত পানিকে পরিশোধন করছে, তারা আল্লাহর এ কুদরত দেখে বিস্মিত হয়ে যান।
এক নজরে জমজম কূপ
আল্লাহ তায়ালার অসীম কুদরতি চার হাজার বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল
ভারি পানি উত্তোলনের মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮ হাজার লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায়।
পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল।

by google image


সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় এই কূপটি।
এই কূপের পানি কখনো শুকায়নি সৃষ্টির সৃষ্টির পর থেকে একই রকম আছে এর পানি প্রবাহ এমন কি হজ মৌসুমী ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও এই পানির স্তর কখন নিচে নামে না।
সৃষ্টির পর থেকে এর গুনাগুন , স্বাদ ও এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই পরিমাণে আছে।
এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমাণ অন্যান্য পানির থেকে বেশি এজন্য এই পানি শুধু পিপাসা মেটাই তা নয় এই পানি খোদাও নিবারণ করে।
এই পানিতে ক্লোরাইডের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে এতে কোন জীবাণু জন্মায় না
এই পানি পান করলে সকল ক্রান্তি দূর হয়ে যায়।

Read More>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *