" crossorigin="anonymous"> স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম দিন ছিল গত 23শে জানুয়ারি। সেই নেতাজি সম্পর্কে বিস্তারিত Subhash Chandra Bose, the very good and extraordinary leader of freedom struggle, was born on 23rd January. Details about that Netaji - Sukher Disha...,

স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম দিন ছিল গত 23শে জানুয়ারি। সেই নেতাজি সম্পর্কে বিস্তারিত Subhash Chandra Bose, the very good and extraordinary leader of freedom struggle, was born on 23rd January. Details about that Netaji

ভারতেরকে তথা ভারতবাসীকে ইংরেজদের নিপীড়ন ও অকথ্য অত্যাচারের হাত থেকে মুক্তির প্রথম স্লোগান তুলেছিলেন সেই কিংবদন্তি মহাপুরুষ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।

স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম দিন ছিল গত 23শে জানুয়ারি। সেই নেতাজি সম্পর্কে বিস্তারিত Subhash Chandra Bose,

BY GOOGLE IMAGE

নেতাজীর জন্ম বৃত্তান্ত ও জীবনের শুরু Netaji’s birth story and early life

প্রথমেই একটা কথা বলে রাখি আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ যা আমাদের কাছে অবশ্যই গর্বের ও অহংকারের। কারণ আমাদের পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সেই কিংবদন্তি নেতা সুভাষচন্দ্র বসু । কিন্তু বর্তমানে সেই জায়গাটি আর পশ্চিমবঙ্গের অধীনে নেই ।তিনি ভারতবাসীর ছোট থেকে বড়, পুরুষ থেকে মহিলা সকলের শরীরের রক্তকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন ও ইংরেজদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার স্বপ্ন তিনিই দেখিয়েছিলেন। ভারতবাসীকে ইংরেজদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য প্রথম স্লোগান তুলেছিলেন। তার স্লোগান তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো এই স্লোগান দিয়েই তিনি সকল দেশবাসীকে একত্র করে ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত করতে চেয়েছিলেন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতো আর একজন নেতা খুঁজে পাওয়া সত্যিই অলীক কল্পনা ।

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মাহি নগরে(যদিও এটা পশ্চিমবঙ্গের অধীনে নেই এর বর্তমান নাম উড়িষ্যার কটক ) বসু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । তা্র মায়ের নাম প্রভাবতী বসু ও বাবার নাম জানকিনাথ বসু । সুভাষচন্দ্রের আরো 14জন ভাই বোনের মধ্যে তিনি নবম সন্তান ছিলেন । সুভাষচন্দ্র 1897 সালের 23 শে জানুয়ারি আজকের দিনে জন্মগ্রহণ করেন ।

তিনি যে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তার বর্তমান নাম সুভাষ নগর । তিনি অন্য ভাইদের সঙ্গে কটক শহরে ইংলিশ মিডিয়ামে ভর্তি হন । এখানে তিনি ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন ।এর পর তাকে ভর্তি করা হয় কটকের একটি ররজাভেনশ কলেজিয়েট স্কুলে। সুভাষচন্দ্র খুব মেধাবী ছাত্র ছিলেন । তিনি 1911 কলকাতা থেকে মেট্রিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ও পরে 1918 সালে স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে দর্শন নিয়ে বি এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ।

এরপর সুভাষ চন্দ্র বিদেশের মাটিতে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হন । এবং তিনি নিয়োগপত্র পেয়ে যান । কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি । কারণ সুভাষচন্দ্র ভারতবাসীকে ইংরেজদের হাত থেকে মুক্ত করার স্বপ্ন দেখতেন । ইংরেজদের দেওয়া চাকরি প্রত্যাখ্যান করে তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন ইংরেজ সরকারের সমাপ্তি ঘোষণার শুভ লগ্ন । এরই মধ্যে ইংরেজরা অমৃতসরের হত্যাকাণ্ড চালায় রাওলাট আইন পাস করে । এ হত্যাকাণ্ডে ওরাওলাট আইন পাশে সকল ভারতবাসীকে বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল ।

BY GOOGLE IMAGE

নেতাজির রাজনীতি প্রবেশ ও কর্মজীবন শুরু Netaji’s entry into politics and the beginning of his career

নেতাজি দেশে ফিরে এসে স্বরাজ নামক একটি পত্রিকায় নিজের দেশ এবং ইংরেজদের বিরুদ্ধে লেখালেখি শুরু করে । ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের যোগদান করে ও প্রচার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হয়ে পড়েন । এ বিষয়ে তার গুরু ছিলেন ‌ উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতা যিনি দেশকে মুক্ত ও দেশ থেকে ইংরেজদের তাড়ানোর স্বপ্ন দেখতেন তিনি হলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ।

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস একবার কলকাতায় পৌরসভার মেয়র পদে নিযুক্ত হন ও সুভাষচন্দ্র কে তার সঙ্গী করে নেন। বিভিন্ন পত্রিকায় ইংরেজদের বিরুদ্ধে লেখালেখি ও বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী স্লোগানের জন্য দেশবন্ধু ও নেতাজি কে বন্দী করে মান্দালয়ের জেলখানায় পাঠিয়ে দেয়া হয় । সেখানে একবার নেতাজি দুরারোগ্য যক্ষারোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। নেতাজির জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ইংরেজ বিরোধী কাজকর্ম আর শ্লোগানের জন্য তাকে বেশ কয়েকবার গ্রেফতার করে তাকে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বন্দি করে রাখা হয় । উল্লেখ্য একবার তাকে ১৯৩০ সালে ইউরোপের এক জেলে বন্দী করে রাখা হয় ।

1934 সালে এমিলি শেঙকল এর সাথে দেখা হয় । তার সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন । কয়েক বছর পরে তিনি 1937 সালে তাকে বিবাহ করেন । এরই মধ্যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পিতা জানকীনাথ বসুর মৃত্যু হয় । তার বাবার মৃত্যুর পর শুধু মাত্র কিছু ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাকে কলকাতায় আসার অনুমতি দেন

BY GOOGLE IMAGE

1938 সালে তিনি ভারতের জাতীয় কংগ্রেসে প্রেসিডেন্ট পদে নিয়োজিত হন । বিভিন্ন কারণে গান্ধীজির সাথে তার মনমালিন্য দেখা দেয় । এই ভাবে চলার পর আবার ত্রিপুরা কংগ্রেসের প্রেসিডেন্টের নির্বাচন শুরু হয় । গান্ধীজী ত্রিপুরা কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হিসাবে পট্টভি শীতারামাইয়া কে চাইছিলেন। কিন্তু নেতাজি এই নির্বাচনে জয়লাভ করেন । গান্ধীজি নেতাজির জয় মেনে নিতে পারেন নি । গান্ধীজি নেতাজী কে পদ ত্যাগ করতে বলেন না হলে সকল সদস্য পদত্যাগ করবে বলে জানান । নেতাজি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ও পদত্যাগ করেই ফরওয়ার্ড ব্লক নামে একটি দল গঠন করেন । 1938 সালে তিনি জাতীয় পরিকল্পনার ডাক দেন ।

এরই মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় । কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নেতাজি গৃহ বন্দী থাকা সত্বেও জার্মানি পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় । নেতাজীর এক কাছের বন্ধু ও ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা আকবর শাহ কে নিয়ে তিনি কালা বোবা সেজে আফগানিস্তানের উপর দিয়ে মস্কো ও রোম হয়ে তিনি জার্মানিতে গিয়ে পৌঁছান । জার্মানির বার্লিনে একটি মুক্ত ভারতীয় কেন্দ্র নামে দল গঠন করেন । ও জার্মানিতে অবস্থিত সকল ভারতীয় কে তিনি একত্রিত করেন । নেতাজি অ্যাডলফ হিটলারের কাছে ভারতের স্বাধীনতার জন্য সাহায্য চান ।

কিন্তু অ্যাড লোভ হিটলার টা প্রত্যাখ্যান করে । এবং ভারতের স্বাধীনতা ব্যাপারে তিনি উদাসীনতা দেখায় । এই উদাসীনতার কথা নেতাজি বুঝতে পেরে ১৯৪০ সালের মাঝামাঝি সময়ে জার্মান ত্যাগ করেন । তিনি জার্মানি ত্যাগ করে জলপথে সাব মেরিন এর মাধ্যমে জাপানে পৌঁছান । জাপানে সমগ্র ভারতবাসীকে নিয়ে একনায়কতন্ত্র সরকার গঠনের আহ্বান জানান । ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রমুখ নেতা যেমন অরবিন্দ সিং, মাস্টারদা সূর্যসেন ভগত সিং নেতাজির দলে যোগ দেন । এছাড়াও কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইত্যাদি কবিরাও নেতাজির আদর্শ অনুপ্রাণিত হন ও এই দলে যোগ দেন । এইভাবে নেতাজি সমগ্র ভারতবর্ষের কাছে মাথার মুকুট ও নয়নের মনি হয়ে যান ।

BY GOOGLE IMAGE

নেতাজি ভারতের জাতীয় সেনা বাহিনী গঠন করেন Netaji formed the Indian National Army

ভারতের বিখ্যাত জাতীয়তাবাদী নেতা রাসবিহারী বসু Indian national army বা ভারতের জাতীয় সেনাবাহিনী নামে একটি সেনাদল গঠন করে ছিলেন । রাসবিহারী বসু এই সেনাদলের দায়িত্বভার অর্পণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর হাতে 1940 সালের দিকে। ঝাঁসির রানি লক্ষিবাঈ একটি মহিলা দল গঠন করেন সেই দল ভারতের জাতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন ।

ভারতের জাতীয় সেনাবাহিনীতে সর্বমোট 90000 হাজার সৈন্য ছিল । এই সেনাবাহিনীর সমস্ত দায়িত্ব ছিল ইংরেজ থেকে মুক্ত ভারতের প্রাদেশিক সরকারের হাতে । ভারতের জাতীয় সেনাবাহিনীর আর একটি নাম ছিল আজাদ হিন্দ ফৌজ। নেতাজি তখন সমগ্র দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেছিলেন তোমার আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দিব। নেতাজির এই স্লোগান দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে । দেশের প্রতিটি জনগনের মধ্যে এই স্লোগান বিপুল সাড়া ফেলে দেয়।

জাপান সরকার নেতাজীকে অনেক সাহায্য করতেন । জাপান সরকার চাইতেন ভারতবর্ষ ইংরেজদের কাছে থেকে মুক্ত হোক ও দেশের নির্ভরযোগ্য একটি সরকার গঠন করুক। সুভাষ চন্দ্র বসু আশা করেছিলেন, ব্রিটিশদের উপর I N A র হামলার খবর শুনে প্রচুর সংখ্যক সৈন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে হতাশ হয়ে I N A যোগ দেবে। কিন্তু এই ব্যাপারটি তেমন সাড়া ফেললো না। বিপরীত দিকে, যুদ্ধে পরিস্থিতির অবনতির সাথে সাথে জাপান তার সৈন্যদের I N A থেকে সরিয়ে নিতে থাকে। একই সময় জাপানথেকে যে সাহায্য আসছিল তাও আসা বন্ধ হয়ে যায় । অবশেষে, জাপানের আত্মস্বমর্পন এর সাথে সাথে I N A ও আত্মসমর্পন করে ইংরেজ সকারের কাছে।

BY GOOGLE IMAGE

ব্রিটিশ সরকারের হাতে সুভাষচন্দ্র আবার বন্দী হন । বর্তমান মায়ানমারের মান্দালায় জেলে তাকে বন্দী করা হয় । এবার বন্দী অবস্থায় প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে পড়েন । ব্রিটিশ সরকার তাকে ছাড়তে রাজি হন তবে একটি শর্ত রাখেন বলেন ভারতে ও ভারতের প্রতিবেশী দেশে প্রবেশ করা চলবে না অন্য কোন দেশে গেলে তাকে ছাড়া হবে । সেই মর্মে নেতাজিকে মুক্তি দেয়া হয় । নেতাজি ইউরোপের ভিয়েনা শহরে গিয়ে পৌঁছান । সেখানে টানা ২৪ মাস চিকিতসা ও তার স্ত্রীর সেবা যত্ন করার পর তিনি সুস্থ হন । তিনি দুটি পুস্তক রচনার মনস্থির করে । লেখার কাজে তার স্ত্রী তাকে সহযোগিতা করে । ওখানেই তিন সন্তানের জন্ম হয় ।

নেতাজির কিভাবে মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের মত How Netaji died according to different experts

নেতাজির মৃত্যুর নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কয়েক কয়েকটি মত পোষণ করেন । তবে কোন মতটি সঠিক তা নিয়ে সন্দেহের শেষ নাই ।কিছু বিশেষজ্ঞ ও ঐতিহাসিকদের মতে মতে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু সোভিয়েত রাশিয়ার কাছে বন্দী হন ওখানেই তার মৃত্যু হয় ।
আর মন্দিরে রাখা নেতাজির চিতাভষ্ম পরীক্ষা করে জানা গেছে -ঐ চিতাভস্ম নেতাজির নয়।
আর একটি মত হলো ভারতবর্ষে নেতাজির তুমুল জনপ্রিয়তায় ছিল । সেই রাগে একদল উঁচুতলার ভারতীয় নেতা ইংরেজ সরকারের সাথে মিলিত হয়ে ষড়যন্ত্র করে নেতাজীকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ভারতীয় ইংরেজ সরকার কখনো নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর আসল মৃত্যুর কারণ জনসমক্ষে আনেন নি।
অনেকের মতে ফৈজাবাদের ভগবান জি ওরফে গুমনামি বাবা হলেন নেতাজি। কিন্তু এ ব্যাপারটি আজও স্পষ্ট নয়।
আরেকটি মতে নেতাজী নাকি আজও জীবিত।

BY GOOGLE IMAGE
পরিশেষে নেতাজি কে ভারত বর্ষ কি কি সম্মান দিয়েছিল Finally Netaji was honored by India

বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুভাষচন্দ্রকে ‘দেশনায়ক’ আখ্যা দিয়েছেন । উতসর্গপত্রে লেখেন: “স্বদেশের চিত্তে নূতন প্রাণ সঞ্চার করবার পূণ্যব্রত তুমি গ্রহণ করেছ, সেই কথা স্মরণ ক’রে তোমার নামে ‘তাসের দেশ’ নাটিকা উতসর্গ করলাম । আজাদ হিন্দ ফৌজের অভিযান ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলেও, সুভাষচন্দ্রের শৌর্য ও আপোষহীন রণনীতি তাঁকে ভারতব্যাপী জনপ্রিয়তা দান করে। নেতাজির জন্মদিন বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে , ত্রিপুরায় , অসমে ও ওড়িশায় রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষনা করা হয় ।

স্বাধীনতার পর কলকাতার একাধিক রাস্তা তাঁর নামে করা হয়। কলকাতার একমাত্র ইন্ডোর স্টেডিয়াম নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম তাঁর নামে নামাঙ্কিত। নেতাজির একশত বছর পূর্ন উপলক্ষে দমদম বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাখা হয়। তাঁর নামে কলকাতায় স্থাপিত হয় নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং দিল্লিতে স্থাপিত হয় নেতাজি সুভাষ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি। কলকাতা পাতালরেল বা মেট্রোর দুটি স্টেশনের নাম নেতাজির নামে রাখা হয় । একটি হলো নেতাজি ভবন” যার পূর্বনাম ভবানীপুর । আর একটি হলো শুধু মাত্র নেতাজি যার পূর্বনাম কুঁদঘাট ।

More>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *