" crossorigin="anonymous"> Without your knowledge, the future of your good and wonderful child is being ruined 1 আপনার কারনেই নষ্ট হচ্ছে আপনার শিশুর ভবিষ্যত - Sukher Disha...,

Without your knowledge, the future of your good and wonderful child is being ruined 1 আপনার কারনেই নষ্ট হচ্ছে আপনার শিশুর ভবিষ্যত

শিশু সন্তান হলো মাটির পুতুল। মাটির পুতুলকে আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন । আপনাদের কারণেই বাচ্চারা আজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কি ভাবে চলুন দেখি

Without your knowledge, the future of your good and wonderful child is being ruined 1 আপনার কারনেই নষ্ট হচ্ছে আপনার শিশুর ভবিষ্যত

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। এটা আমরা সবাই জানি ও বিশ্বাস করি ।এই কথাটি তখনই অর্থবহ হবে যখন একটি শিশুকে সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে গড়ে ওঠার যথাযথ পরিবেশ সৃষ্টি করা যাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমাদের সমাজ সে দিক দিয়ে অসচেতন । শিশুদের জন্য কতটুকু উপযোগী আমাদের সমাজ সেইসব বিষয়ে তেমন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই কোমলমতি শিশুদের গড়ে তোলা হয়।

by google image

শিশুদের ব্যাপারে পিতা-মাতার আচরণও থাকে উদাসীন। কিন্তু এটা কখনোই উচিত নয়। পিতা মাতার উদাসীন আচরণ যা একটি শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশকে শুরুতেই ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম কারণ। আজকাল পিতা-মাতা শিশুদেরকে আধুনিকতার নামে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কুপ্রভাব পড়ে এমন প্রযুক্তি ব্যবহারে উতসাহিত করছে। মোবাইল ফোন এর মধ্যে অন্যতম। এই মোবাইল ফোনই সমস্ত ধ্বংসের মূল । মোবাইল ফোন যেমন খারাপ করছে বাচ্চাদেরকে তেমনি এই মোবাইলের জন্যই খারাপ হয়ে যাচ্ছে সব বয়সের মানুষ ।

আজকাল অনেক বাবা-মা ই নিজেদের কাজে এত ব্যস্ত থাকেন যে তাদের বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানোর অবকাশ নেই । সেই কারণে শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দেন। সেটা নিয়ে সময় কাটাতে কাটাতে তাদের মধ্যে এক ধরনের খারাপ আসক্তি তৈরি হয়। দেখা যায়, স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরেই অনেক শিশু মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে । আবার কোন কোন শিশু দেখা যায় মোবাইল ছাড়া কোন খাবার তারা গ্রহণ করে না ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক অভিভাবকই বুঝতে পারেন না মোবাইল আসক্তি শিশুদের মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে ।

শিশুদের মোবাইল আসক্তি কাটাতে কিছু পরামর্শ-

1) বাচ্চাদের কে কখনই বেশি সময়ের জন্য মোবাইল দেওয়া যাবে না ।
2) খাওয়ানোর সময় ‌মোবাইল না দিয়ে আপনি টিভি তে কার্টুন দেখাতে পারেন ।
3) সব থেকে ভালো হয় যদি খাওয়ানোর সময় টিভি ও মোবাইল বাদে যদি কোন খেলনা দিতে পারেন ।


4) খাওয়ানোর সময় গল্পের বই দিতে পারেন অথবা কোন গল্প বলতে বলতে খাওয়াতে পারেন তবে গল্প টা যেন সত্যি হয়। এমন গল্প শোনাবেন যাতে তার বুদ্ধির প্রসার লাভ করে। এমন গল্প নয় যাতে তার বুদ্ধি লোপ পায়।
5) বাচ্চাদের কে কখনোই একা রাখবেন তাদের সাথে থেকে সময় কাটানোর চেষ্টা করবেন ।


6) এখনতো দেখা যায় গার্জেন পক্ষ অফিসে যায় আর তাদের সন্তান রা বাড়ির কাজের লোকের সাথে সময় কাটায়। এটা যদিও খুব খারাপ দিক না তবুও লক্ষ্য রাখতে হবে কাজের লোকেরা বাচ্চাদের সাথে কি রকম ব্যবহার করছে।
7) এখন নতুন সব ডিভাইস বাজারে এসেছে যে গুলো ছবি আঁকা ও পড়াশুনোর জন্য ব্যাবহার হয় মোবাইলের বদলে আপনি আপনার বাচ্চাকে সেগুলো দিতে পারেন।


8) আপনার বাচ্চা কোন কোন কি রকম বন্ধুর সাথে মিশছে তা আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে ।
9) সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মোবাইলের রেডিয়েশন যা বড়দের থেকে বাচ্চাদের মস্তিষ্ককে সব থেকে বেশি ক্ষতি করে । তাই যতবেশি মোবাইল কাছে থাকবে তত বাচ্চার ব্রেন বা মস্তিষ্ক নষ্ট হবে । তাই কাছে থেকে আপনি ও আপনার বাচ্চাকে দূরে থাকার চেষ্টা করবেন ।
10) এই রেডিয়েশনের সাথে সাথে আপনার বাচ্চার চোখও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । এই ভাবে হয়ে যাচ্ছে আপনার বাচ্চার ভবিষ্যতে অন্ধকার।

ছোট শিশুদের কলব কাঁচা দেয়ালের মত। কাঁচা দেয়াল যেমন কিছুর আঁচর লাগলেই দাগ পড়ে যায় তেমনই বাচ্চাদের কলব। তাই তাদের এ কাঁচা কলবে খুব সাবধানে জিনিসের আঁচর দিতে হবে। আজ তাদের জীবন অন্ধকার করে দিচ্ছে এ মোবাইল ফোন।

মোবাইল ফোনের উপকারের দিক থেকে ক্ষতির দিকটা মারাত্মক। ছোটদের দিয়ে এ ক্ষতিটা শুরু হয়। বাবা মা ই এ ধংসাত্মক জীনিসটা শিশুর হাতে তুলে দেয়। আর তারা জীবনভর ক্ষতির মধ্যে হাবুডুবু খেতে থাকে। তাদেরকে এর থেকে বাঁচানো আর সম্ভব হয় না । শুধু বাচ্চারাই না বড়োরাও এর থেকে বাঁচতে পারে না।

আজকাল আমরা বাচ্চাকে খাবার খাওয়াতেও মোবাইল দেখার সুযোগ দেই। এতে দুইটা ক্ষতি এক তো আল্লাহ এতে নারাজ হন। দ্বিতীয়ত এ খাবারে কোন বরকত থাকে না। এতে করে বাচ্চাও মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। পরে এ বাবা মা ই অনেক চেষ্টা করেও তাদের মোবাইলে আসক্তি থেকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না। তখন আমরাই মাথা খুটব কেনো মোবাইল দিলাম তাদের হাতে।

আর বাচ্চারাও আল্লাহর কাছে সহজেই বলবে আমরা তো কিছুই বুঝতাম না। আমাদের বাবা মা আমাদের নষ্ট করেছে আর এর পিছনে আমার বাবা মাই দোষী । এ ধ্বংসাত্মক মোবাইল ছোটবেলা থেকে আমাদের দিয়েছে । মোট কথা একটা পরিবার ও একটা সমাজ নষ্ট করার জন্য এ মোবাইল ই যথেষ্ট। আমরা আজ আামাদের শিশুদের প্রাকৃতিক জিনিস না দিয়ে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস দিয়ে তাদের মন মানসিকতা নষ্ট করে দিচ্ছি।

by google image

কৃত্রিম জিনিস দিয়ে তাদের মন হৃদয় আত্মাকেও কৃত্রিম করে দিচ্ছি। আল্লাহর কুদরত না থাকলে এর অসারতা থেকে বাঁচা খুবই মুশকিল। হ্যা যখন তাদের বুঝবার বয়স হবে তখন প্রয়োজনে কিছু সময় মোবাইল দেয়া যায়। কিন্তু তার কোমলতার সময়টা আমরা যেন নষ্ট করে না দেই।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের মোবাইল ফোনসহ নানান প্রযুক্তি যেগুলোর মাধ্যমে শিশুদের মানসিকতা নষ্ট হচ্ছে সেগুলো থেকে আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন।

পরিশেষে

বাচ্চা আপনার তার ভবিষ্যত গড়ার দায়িত্ব আপনার । তাই আপনাকে এখনই সাবধান হতে হবে । নিজের ঝামেলা ও কাজের চাপ কমাতে বাচ্চার হাতে তুলে দিয়েছেন মোবাইল । আর এতেই আপনার বাচ্চার ভবিষ্যতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । আজ এখনই সাবধান হন ।

Read more>>>>>>>>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *